Main Menu

বিশ্ব ইজতেমা ময়দানের উত্তর পাশে ফেন্সিডিল গাঁজার আসর ,ট্রাক ষ্টেশন সরিয়ে নিলো জিসিসি

টঙ্গী : শিল্পাঞ্চল খ্যাত টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা ময়দানের উত্তর পাশে টঙ্গী কামারপাড়া রোডে সরকারী অনুমোদন বিহীন রাস্তা দখল করে ট্রাক ষ্টেশন স্থাপন করায় ট্রক শ্রমিকসহ পথচারীরা রাস্তার দক্ষিনপাশে ইজতেমা ময়দানে যত্রতত্র মলমুত্র ত্যাগসহ মাদকসেবিরা ময়দানে ফেন্সিডিল আর গাঁজা আসর বসিয়ে ময়দানের পবিত্রতা নষ্ট করছে বলে ইজতেমা আযোজক কমিটির নেতৃবৃন্দ ক্ষোভ প্রকাশ করে এবং উক্ত স্থান থেকে ট্রাক ষ্টেশন সরিয়ে নিতে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা স্থানীয় সংসদ সদস্যসহ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করার ২৪ ঘন্টার মধ্যে সরিয়ে নেয়া হলো ট্রাক ষ্টেশন।
বিশ্ব ইজতেমা ময়দানের জিম্মাদার মাওলানা মোঃ গিয়াস উদ্দিন জানান, বিশ্ব ইজতেমার পরপরই গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের মৌখিক অনুমতি ক্রমে বিশ্ব ইজতেমা ময়দানের উত্তরে টঙ্গী কামারপাড়া রোডে ট্রাক শ্রমিক নেতা আঃ রশিদ ও দুদু মিয়ার নেতৃত্বে ট্রাক ষ্টেশন বসানো হয়। ফলে ট্রাক ষ্টেশনের শ্রমিকসহ পথচারীরা ষ্টেশনের পাশে বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে প্রশ্রাব, পায়খানাসহ ময়দানে বসে ফেন্সিডিল ও গাঁজা সেবনসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড পরিচালনা করে। এতে করে ময়দানে উত্তর পুর্বকোনে স্থাপিত বিদেশী মুসল্লিদের জন্য নির্মিত নিবাসে বসবাসরত মুসল্লিদের চরম দুভোর্গসহ ইজতেমা ময়দানের পবিত্রতা নষ্ট হতে শুরু করে। এমতাবস্থায় ইজতেমা আয়োজক কমিটির নেতৃবৃন্দ উক্ত স্থান থেকে ট্রাক ষ্টেশন সরিয়ে নিতে সম্প্রতি জেলা প্রশাসনসহ স্থানীয সংসদ সদস্য জাহিদ আহসান রাসেল এমপি নিটক জোর দাবী জানালে ট্রাক ষ্টেশনটি সরিয়ে ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়ক দখল করে আনারকলি রোডে ট্রাক ষ্টেশন স্থাপন করা হয়। এদিকে ট্রাক ষ্টেশন সরিয়ে নেয়ার পর গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ টঙ্গী কামারপাড়া রোডে যাতে কেউ কোন প্রকার অবৈধ দোকানপাট বা স্থাপনা বসাতে নিষেধাক্ষা জারি করেছে বলে একটি বিশেষ সুত্রে জানা যায়। এতে করে সরকার দলীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া লক্ষ করা গেছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে বেশ কয়েকজন যুবলীগ নেতা জানান, ওর্য়াড কমিটি থেকে শুরু করে জেলা ও সিটি কর্পোরেশনের ক্ষেত্রেও এখানে সরকারী দলের মধ্যে ভিতরগত দুটি গ্রুপ থাকায় ট্রাক শ্রমিক নেতারা ফায়দা লুটছে। তারা টঙ্গী কামারপাড়া রোড, মেঘনা রোড, মিলবাজার নিশাত জুট মিল রোড, চেরাগআলী ট্রাক ষ্টেশনে দখল করে ট্রাক পার্কিংয়ের নামে প্রতিদিন হাজার হাজার টাকা চাঁদা আদায়ের নামে হাতিয়ে নিচ্ছে। অথচ মাঠ পর্যায়ের দলীয় দরিদ্র নেতা কর্মীরা বেকার ঘুরে বেড়াচ্ছে। টঙ্গী কামারপাড়া এবং টঙ্গী কালীগঞ্জ রোডের পাশের ফুটপাত ব্যবসায়ীরা সরকার দলীয় দু-গ্রুপের নেতৃবৃন্দ আর ট্রাক শ্রমিক নেতাদের অন্ত-দন্ধের বেড়াজালে আবদ্ধ হয়ে দোকানপাট বসাতে না পেরে বেকার অবস্থায় পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে বলেও দরিদ্র ব্যবসায়ীরা জানান। ব্যবসায়ীদের দাবী সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ আমাদের স্থায়ী ভাবে ব্যবসা করার বন্দোবস্ত করে দিলে আমরা পরিবার পরিজন নিয়ে দু-বেলা দু-মুঠো ভাত খেয়ে বেঁচে থাকতে পারি।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published.