Main Menu

খুশকি প্রতিরোধের সমাধান

খুশকি সমস্যায় ভুগছেন এমন মানুষের সংখ্যা নেহাতই কম নয়। আর বিশেষ করে শীত মৌসুমে এই সমস্যা আরো মারাত্মক অাকার ধারণ করে। কারণ শীতকালে বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকায় চুলের লোমকূপে ময়লা জমে। এর ফলে মাথায় সহজেই খুশকি হয়। শুধু তৈলাক্ত নয়, যাদের মাথার ত্বক শুষ্ক তারাও এর শিকার হয়ে থাকেন। আবার গরম পানি দিয়ে গোসল করার কারণেও খুশকি হতে পারে। তবে একটু সচেতন হলেই কিন্তু খুশকির সমস্যা সমাধান করা সম্ভব।

নিয়মিত চুলের যত্ন : খুশকি প্রতিরোধের জন্য নিয়মিত চুলের যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। এজন্য চিরুনি ও চুল মোছার তোয়ালে আলাদা রাখুন। এছাড়া চুল খুশকি মুক্ত রাখতে নিয়মিত চিরুনি, তোয়ালে, বালিশের কভার ও চাদর পরিস্কার রাখা প্রয়োজন। এমনকি ভেজা অবস্থায় চুল না আঁচড়ানো ভালো।

খাদ্যাভাস : খাদ্যাভাসও চুলের খুশকি প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে। এজন্য প্রচুর পরিমাণে পানি পান করা এবং টাটকা ফল, সবজি ও প্রোটিন জাতীয় খাবার খাওয়া প্রয়োজন।

সেইসঙ্গে খুশকি দূর করতে যা করতে পারেন তা হলো :

১. জবা ফুল, আমলকি ও জলপাই একসঙ্গে বেটে পেস্ট করে চুলে লাগিয়ে, আধা ঘণ্টা পর শ্যাম্পু করলে খুশকি কমে যায়।

২. দূর্বা ঘাস ও নিমপাতা বাটা, ভিনেগার ও শসার রস মিশিয়ে পেস্ট করে মাথার তালুতে লাগিয়ে আধঘণ্টা পর শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। খুশকি চলে যাবে।

৩.তুলসি পাতা বাটার সঙ্গে কর্পুর ও লেবুর রস মিশিয়ে চুলের গোড়ায় আধা ঘণ্টা রেখে দিয়ে শ্যাম্পু করুন। এতেও ভালো পাবেন।

৪.কাঁচা আমলকি ছেঁচে নারকেল তেলের সঙ্গে মিশিয়ে চুলায় গরম করে অথবা রোদে ২-৩ দিন শুকিয়ে বোতলে ভরে রেখে দিন। সপ্তাহে ২ দিন সেই তেল মাথায় লাগালেও খুশকি চলে যাবে।

৫. চুলে শ্যাম্পু করার আগে মাথায় গরম তোয়ালের ভাপ দিতে হবে।

৬. মেহেদি বাটা, আমলকির রস, ডিমের সাদা অংশ ও টকদই, পানিতে পেস্ট করে মাথায় দিয়ে আধঘণ্টা পর চুল শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। তাতেও খুশকি চুলে যাবে।

৭. আমলকি ও শিকাকাই গুঁড়ো, নারকেল তেলের সঙ্গে পেস্ট করে চুলে দিন। শুকিয়ে গেলে শ্যাম্পু করলেও খুশকি থাকবে না।

৮. পেয়াঁজের রস মাথার তালুতে দিয়ে ২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।

৯. লেবু খুশকি দূর করে। এজন্য শ্যাম্পু করার পর এক মগ পানিতে লেবু মিশিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন।

১০. হেনা পাউডার, রিঠা পাউডার দিয়ে তৈরি ভেষজ প্যাক ব্যবহার করলেও খুশকি দূর হবে।

১১. চা চামচ লেবুর রসের সাথে ৫ চা চামচ নারকেলের তেল ভালো করে ফেটিয়ে নিন। তারপর মাথার তালুতে লাগিয়ে ৩০-৩৫ মিনিট পর শ্যাম্পু করে ফেলুন। এটিও খুশকি দূর করতে কাজ করবে।

১২. ভিনেগার খুশকির হাত থেকে মুক্তির অন্যতম প্রধান উপাদান। নিয়মিত ব্যবহারের ফলে এতে থাকা পটাসিয়াম এবং এনজাইম ইচি স্কাল্প আর খুশকি সারিয়ে তোলে। একটি কটন প্যাডে ভিনেগার নিন। তারপর চুলে বিলি কেটে কেটে পুরো মাথায় লাগান। সপ্তাহে ২ দিন গোসলের ১ ঘণ্টা আগে লাগিয়ে রাখুন।

১৩. বেকিং সোডা খুব ভালো অ্যান্টি-ফাঙ্গাল হিসেবে কাজ করে। এক মুঠো শ্যাম্পুর সাথে এক টেবিল চামচ সোডিয়াম বাই কার্বনেট মিশিয়ে চুল শ্যাম্পু করে ফেলুন। সপ্তাহে একবার করলে খুশকি দূর হবে।

১৪. আপেলে থাকা এনজাইম ডেড স্কিন সেল দূর করে। দুই টেবিল চামচ ফ্রেশ আপেলের রস ১ চা চামচ পানির সাথে মিশিয়ে কটন প্যাডের সাহায্যে চুলের গোড়ায় লাগান। ১০-১৫ মিনিট পর তা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।






Related News

Comments are Closed