Main Menu

গাজীপুরে নার্সকে ডিবি পুলিশের মারধর: এএসআইসহ ৩ পুলিশ ক্লোজড

গাজীপুর প্রতিনিধি
গাজীপুরে শহীদ তাজ উদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নাসকে মারধর করার অভিযোগে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের এক এএসআই ও দুই কনস্টেবলকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তারা হলেন এএসআই’র নাম মোশরাফিকুর রহমান, কনস্টেবল আনোয়ার ও ফজলু।

শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ২য়, ৩য় ও চতুর্থ শ্রেণির সরকারি কর্মচারী সম্মিলিত সমিতির সভাপতি মো. হাবিবুর রহমান ও আহত ব্রাদার আবুল ফজল জানান, সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ডিবি পুলিশের একটি দল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে যায়।

এ সময় তারা রানা নামে এক সন্দেহভাজন আসামিকে খুঁজতে থাকেন। রানা কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যায়। এক পর্যায়ে ডিবি সদস্যরা হাসপাতালের সিনিয়র নার্স (ব্রাদার) আবুল ফজলকে হাসপাতালের বাইরে নিয়ে আসার চেষ্টা করে। আবুল ফজল বাইরে না আসতে চাইলে ডিবি সদস্যরা তাকে শার্টের কলার ধরে কিল ঘুষিসহ বেধড়ক মারধর করতে থাকেন। পরে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ও তার সহকর্মীরা এসে আবুল ফজলকে উদ্ধার করেন এবং চিকিৎসার জন্য রাতেই তাকে হাসপাতালে ভর্তি করেন। ডিবি পুলিশ কর্তৃক হাসপাতালের সিনিয়র নার্স আহত হওয়ার প্রতিবাদে রাতেই হাসপাতালের চিকিৎসক নার্স ও কর্মকর্তা কর্মচারীরা বিক্ষোভ মিছিল ও কর্মবিরতি শুরু করেন।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ ঘটনার খবর পেয়ে মঙ্গলবার সকালে অভিযুক্ত ডিবি পুলিশের এএসআই মোশরাফিকুর রহমান ও দুই কনেস্টবলকে প্রত্যাহারের নির্দেশ এবং অভিযুক্তদের বিচারের আশ্বাস দেন। গাজীপুরে শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নার্সদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করায় মঙ্গলবার সকালে তাদের প্রত্যাহার করে গাজীপুর পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হলে কর্মচারীরা কাজে যোগ দিয়েছেন।

গাজীপুর জেলা গোয়েন্দা বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমির হোসেন জানান, সোমবার রাতে গাজীপুরে শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আবুল ফজলকে মারধর ও নার্সদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন এএসআই মোশরাফিকুর রহমানসহ কয়েকজন কনস্টেবল।এতে তাদের প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে ক্লোজড করা হযেছে।

শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার মো. আবদুস ছালাম জানান, ডিবি পুলিশের এক এএসআই ও দুই কনস্টেবলকে প্রত্যাহার করার পর হাসপাতালের নার্স, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ তুলে নিলে হাসপাতালের কার্যক্রম শুরু হয়। বর্তমানে হাসপাতালের কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে।






Related News

Comments are Closed