Main Menu

গাজীপুর সদর দ্বিতীয় যুগ্ম সাব-রেজিষ্ট্রি অফিস: পর্ব- তিন বেটা খায় গাজীপুরে, কুলি ফেলে ঢাকা ॥ সাংবাদিক দেখলে জ্বলে গাঁ, ঘুষ খায় মোটা

স্টাফ রিপোর্টার : সপ্তাহে দুই দিন গাজীপুরে আসেন। দুদিনে খান দান সব করেন। পেট পুরে খেয়ে কুলি ফেলে ঢাকা। বেটা বড় ছুঁচো। ভাবখানা যেন আয়েসী দেখলে মনে হবে ভাওয়াল রাজার পেয়াদা। ঘুষ খেয়ে খেয়ে শরীরটাকেও বানিয়েছে মাসাল্লা সেই রকম। ভুল করে হয়তো কেউ মনে করতে পারেন তারেক জিয়ার বিদ্যুতের খাম্বা। সাংবাদিকরাও বেজায় বেরসিক। বেটা না হয় একটু-আধটু-ছুঁচো মেরে খায়। তা নিয়ে বেরসিক সাংবাদিকরা আবার খবরের পাতা ভরতে ওৎ পেতে থাকে। মহাশয়েও কম যান না। তিনিও সাংবাদিকদের মনের আশা বুঝতে পারেন। সাংবাদিক দেখলেই গদ-গদ করে রগড়াতে থাকেন। রাগে ব্যাঙ হয়ে যান। শুধু পারেন না তেড়ে আসতে। আপনারা হয়তো ভাবছেন কার কথা বলছি। অনেকে হয়তো অনুমান করে কিছুটা হলেও আচ করতে পেরেছেন। আপনারা না ধরতে পারলে কে ধরতে পারবে বলুন? আপনাদেরকে যে সাংবাদিকরা আবার সুশীল সমাজের প্রতিনিধি বলে থাকেন। গাজীপুরের দ্বিতীয় যুগ্ম সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসের এক দলিল রেজিষ্ট্রার কর্মকর্তার কথাই বলছি। যিনি আছেন মহা সুখে অট্টালিকার উপরে। তার রয়েছে আবার খাস কামরা কারণ প্রকাশ্যে ছাই পাস খাওটা তার পছন্দের তালিকার বাইরে। তাই একটু-আধটু রাখ-ঢাক করে খাওয়া এই আর কি। গোপনে-গোপনে কম খান না তিনি। ঢাকা থেকে গাজীপুরে আসেন পকেটে একখানা কানা কড়ি নিয়ে। যুগ্ম সাব-রেজিষ্ট্রার মহাশয় ফেরত যান পকেট ভারি করে। আসলে তিনি আপাদমস্তক একজন ভদ্রবেশী বদমেশ। আচার-আচরনে তাফালিং ভাব। পূর্ব জনমে হয়তো তিনি গাব্বার সিং ছিলেন। তা না হলে হাত উঁচিয়ে চোখ রাঙ্গিয়ে-বুক চিতিয়ে কোন ভদ্রলোক অন্য কোন ভদ্রমানুষের সাথে এভাবে কথা বলতে পারে না। কি কুৎসিত-কদাকার-নোংরা মনের মানুষ ওই যুগ্ম মহাশয় মনিরুল ইসলাম। কত টাকা হলে একজন মানুষের ক্ষুদা নিবারন হতে পারে। ভদ্রলোক মনিরুল নাক ডুবিয়ে টাকা খাচ্ছেন আর দুহাতে টাকা কামিয়ে গাজীপুর থেকে নিয়ে যাচ্ছেন। হুমকি-ধামকি যাকে যা দিয়ে আদায় করা যায়। এমন পথ বেছে নেয়াটা সমীচিন কিনা তা সুশীল সমাজকে ভেবে দেখতে বলবো। রস বীহিন মহাশয় মনিরুল ইসলাম টাকা কামানোর জন্য হাসতে ভূলে গেছেন। আমরা যারা সংবাদ পত্রের সঙ্গে জড়িত তাদের সামনে কিংভূত-কিমাকার এমন ব্যাক্তি আর কখনও আমাদের চোখে পড়েছে কিনা তা আমার জানা নেই। বাপরে-বাপ কি ভয়ঙ্কর মানুষ। মুখে হাসি নেই-সাক্ষাত জমদূত দাড়িয়ে আমাদের সামনে। ও খোদা তোমার সৃষ্টি জগতে এমন লোকও রয়েছে। আসলে মনিরুল সাহেবের দোষ দিয়ে লাভ কি। একটু-আধটু বাড়তি টাকা কামাতে হলে ভাব না থাকলে হবে কি করে। সাহেবের রয়েছে একজন বিশ্বস্ত পেয়াদা। তিনি আয় করে স্যারের পকেট ভারি করার কাজ করে থাকেন। স্যারের চেয়ে তিনি কম জান না। ভয়াল দৃশ্যায়ন মঞ্চস্ত করতে তিনিও সিদ্ধহস্ত। আজ এ পর্যন্ত যবনিকা টানছি। পরবর্তিতে যখন ফিরছি তখন আরও কিছু কিচ্ছা কাহিনী নিয়ে ফিরব এমনটাই প্রত্যাশা করছি। সবাই ভাল থাকবেন। নিজের দিকে খেয়াল রাখবেন। মনিরুল সাহেবদের মতো লোকদের কথা মনে রাখেবেন।






Related News

Comments are Closed