Main Menu

টঙ্গীর তিতাস গ্যাস কর্মকর্তা ও ঠিকাদারদের ঘুষ দূর্নীতি, আবাসিক গ্যাস লাইন দিয়ে চলছে খাবার হোটেল, রেস্তোরা, ওয়াশ ও ড্রাইং ফ্যাক্টরী

টঙ্গী রিপোর্টার, : সরকারী ভাবে নতুন গ্যাস লাইন সংযোগ বন্ধ থাকলেও এবং সম্প্রতি রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকাসহ গাজীপুর মহানগরের বিভিন্ন এলাকায় তীব্র গ্যাস সংকট দেখা দেয়ায় বাসা বাড়ির গৃহকর্তা ও গৃহীনিরা যখন চরম দুর্ভোগের শিকার এবং বিভিন্ন শিল্প মালিক ও ব্যবসায়ীরা যখন প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার লোকশান গুনছে তখন টঙ্গী আঞ্চলিক গ্যাস অফিসের কতিপয় ঠিকাদার, রিডার,রিডার সহযোগী, কর্মচারীদের ঘুষ দূর্নীতির কারনে কতিপয় আবাসিক বাসা-বাড়ির মালিকসহ ব্যবসায়িক খাবার হোটেল মালিক, ওয়াশিং ও ড্রাইং ফ্যাক্টরীর মালিকরা অনুমতি বিহীন অবৈধ গ্যাস সংযোগ এবং আবাসিক গ্যাস লাইন দিয়ে ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে প্রতিদিন সরকারের কোটি কোটি টাকা লুটে নিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
বিভিন্ন সুত্রে জানা যায়, টঙ্গী আঞ্চলিক গ্যাস অফিসের কতিপয় ঠিকাদার, রিডারম্যান, রিডারম্যান সহযোগীসহ কর্মচারীরা তাদের মনোনীত সহকারী ঠিকাদারদের দিয়ে সরকারী অনুমতি ব্যতিত মোটা অংকের টাকা ঘুষ নিয়ে বিভিন্ন বাসা-বাড়িসহ ব্যবসায়িক প্রতিস্টান খাবার হোটেল, রেস্তোরা এবং শিল্প প্রতিস্টান ওয়াশিং, ড্রাইং কারখানায় অবৈধভাবে গ্যাস লাইন সংযোগসহ ব্যবসায়িক প্রতিস্টান ও শিল্প প্রতিস্টানে আবাসিক লাইন দিয়ে তাদের পরিচালিত করছে। সেক্ষেত্রে গ্যাস অফিস কর্তৃপক্ষ ব্যবসায়িদের শর্তক স্বরুপ একè্রট্রা সিলিংন্ডার সংরক্ষনের পরামর্শ দিলে অবৈধ গ্যাস লাইন ব্যবহারকারী ব্যবসায়ি বা বাসা-বাড়ির মালিকরা তা পালন করে থাকেন। সেক্ষেত্রে কেউ জানতে বা বুঝতেই পারবে না যে তারা অবৈধ গ্যাস ব্যবহার করছেন। এরকম বেশ কিছু তথ্য পেয়ে স্থানীয় কয়েকজন সাংবাদিক মরকুন মধ্যপাড়া, মধুমিতা এলাকার কয়েকটি বাসা-বাড়িসহ টঙ্গীর নিমতলী ও বিসিক এলাকার দুটি ড্রাইং এন্ড ওয়াশিং ফ্যাক্টরী এবং চেরাগআলীর একটি খাবার হোটেলে গেলে প্রতিস্টান গুলোর মালিক ও জিএমরা বলেন ‘আমরা অবৈধ গ্যাস ব্যবহার করছি না’ আমরা আদালা সিলিন্ডারের মাধ্যমে গ্যাস ব্যবহার করে প্রতিস্টান চালাতে গিয়ে প্রতিমাসে লাখ লাখ টাকা লোকশান গুনছি। কিন্তু বিধিবাম, সাংবাদিকদের তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরলে মালিকরা বলেন, আপনারা আমাদের কিছু জিগ্গেস না করে ঠিকাদার ও রিডারম্যানদের গিয়ে ধরুন, আমরা তাদেও প্রতিমাসে টাকা দিয়ে লাইন চালাই। এছাড়া উপায় নেই। একমাস টাকা না দিলে গ্যাসের লোকজন এসে লাইন কেটে দিয়ে যায় পরে কয়েকগুন বেশী টাকা দিয়ে লাইন লাগাতে হয়। এসব প্রতিস্টান গুলোর মধ্যে অন্যতম বিসিকস্থ নদী বন্দর রোড সাইম ড্রাইং এন্ড ওয়াশিং, নিমতলীর লতা ড্রাইং এন্ড ওয়াশিং, চেরাগআ্লীর রাধুনী রেস্তোরা এন্ড হোটেল। এছাড়ার পুবাইল, মাঝুখান, হারবাইদ, বসুগাঁও, করমতলা, মিরেরবাজারসহ টঙ্গীর পাগাড়, ফকির মার্কেট, শিলমুন, মরকুন, মধুমিতা, দেওড়া রোডের বেক্সিমকো এলাকা, সাতাইশ, ভাদাম, গাজীপুরা, খাঁপাড়া, দত্তপাড়া এলাকার একাধিক বাসা-বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিস্টান এবং শিল্প-কলকারখানা রয়েছে। উল্লেখ্যঃ গাজীপুর মহানগরের মধ্যে এসব অবৈধ গ্যাস ব্যবসারকারীদের তালিকা টঙ্গী আঞ্চলিক অফিসে থাকলেও কর্তৃপক্ষ বিশেষ কোন ব্যক্তি কর্তৃক লিখিত অভিযোগ না পেলে কার্যকরী কোন পদক্ষপ গ্রহন না করার প্রবণতা রয়েছে বলেও একটি বিশেষ সুত্রে জনা গেছে এবং তার প্রমানও মেলেছে ম্যানেজারের সাথে কথা বলে।
এব্যাপারে উক্ত গ্যাস অফিসের ঠিকাদার আজাদ ও হাসির সাথে তদের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তারা এবিষয় গুলো এড়িয়ে যান এবং বলেন, ভাই আপনাদের (সাংবাদিকদের) অনেকের সাথেই আমাদের ভালো এবং সু-সর্ম্পক রয়েছে। তাছাড়া এসব বিষয়ে আপনি ম্যানেজারের সাথে যোগাযোগ করুন-বলেই মোবাইলটি কেঁটে দেন।
এব্যাপারে টঙ্গী আঞ্চলিক গ্যাস অফিসের ম্যানেজার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমি এখন গাজীপুরের বাইরে আছি। কাল-পরশু আসব। আপনি সুনির্দিষ্ট প্রতিস্টান বা বাসা-বাড়ির মালিকের নাম ঠিকানাসহ আমাদের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন, সত্যতা পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেবো।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published.