Main Menu

পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ১

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার বড্ডাপাড়া এলাকায় পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে রতন মিয়া (৩০) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছে। পুলিশ বলছে রতন ডাকাতদলের সদস্য। তার বিরুদ্ধে সরাইল থানায় ডাকাতির একাধিক মামলা রয়েছে।

রোববার ভোর সাড়ে চারটার দিকে সরাইল-নাসিরনগর-লাখাই আঞ্চলিক মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে। ‘বন্দুকযুদ্ধে’ পাঁচ পুলিশ আহত হয়েছেন। তারা হলেন, ওসি আলী আরশাদ, এসআই আবদুল আলীম, এসআই শফিকুর রহমান, পুলিশের সদস্য মেহেদি হাসান ও মঞ্জুরুল ইসলাম। তাদের মধ্যে শফিকুর, মেহেদি ও মঞ্জুরুল স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। আলী ও আবদুলকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

পুলিশ বলছে, ভোরে সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলী আরশাদের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ওই সড়কে একটি মাইক্রোবাসে করে টহল দিচ্ছিল। এ সময় ওই এলাকায় খাদ্যগুদামের কাছে ১৫ থেকে ২০ জনের একদল ডাকাত মহাসড়কের পাশে রাখা ইট, গাছের গুঁড়ি দিয়ে পুলিশের গাড়ির গতিরোধ করে। ডাকাতদল প্রথমেই দা দিয়ে মাইক্রোবাসে হামলা চালায়। এতে মাইক্রোবাসের কাচ ভেঙে যায়। গাড়িতে পুলিশ দেখে ডাকাতদল গুলি ছুড়ে পালয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে।

পুলিশ বলছে, পুলিশ ৪০টি আর ডাকাতদল ২৫ থেকে ৩০টি গুলি ছুড়ে।

বড্ডাপাড়া গ্রামের ইউপি সদস্য জয়নাল মিয়া প্রথম আলোকে বলেন ভোরে গুলির শব্দ শুনে কয়েকজন গ্রামবাসীকে সঙ্গে নিয়ে তিনি ঘটনাস্থলে যান। তখন সেখানে রক্তাক্ত এক ব্যক্তিকে দেখেছেন। তিনি জীবিত না মৃত বোঝা যাচ্ছিল না।

এসআই আবদুল আলীম বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি পাইপ গান, পাঁচটি গুলি, তিনটি বল্লম, চারটি রামদা উদ্ধার করেছে।

সরাইল থানার ওসি মো. আলী আরশাদ বলেন, কুয়াশা থাকায় রতন মিয়া ডাকাতদলের সদস্যদের গুলিতেই গুরুতর আহত হয়ে মারা যান। তার বিরুদ্ধে সরাইল থানায় ছয়টি ডাকাতি মামলা রয়েছে।

রতন মিয়ার বাড়ি সরাইল উপজেলার চুন্টা উত্তর পাড়া গ্রামে। তার লাশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মর্গে রাখা হয়েছে।






Related News

Comments are Closed