Main Menu

প্রবাসীদের মরদেহ সরকারী পৃষ্টপোষকতায় দেশে প্রেরণের দাবি

এনায়েত হোসেন সোহেল (প্যারিস) ফ্রান্স থেকে: প্রবাসের মাঠিতে কোনো বাংলাদেশী মারা গেলে তার মরদেহ সম্পন্ন সরকারী পৃষ্টপোষকতায় দেশে প্রেরণের দাবিতে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।
১৭ ফেব্রুয়ারী বুধবার সকালে প্যারিস-বাংলা প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকে ফ্রান্সে অবস্থিত বাংলাদেশ দুতাবাসের মাধ্যমে এ স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। এ সময় রাষ্ট্রদূতের অনুপস্থিতে স্মারকলিপি গ্রহণ করেন দূতাবাসের হেড অব চ্যেন্সরী হজরত আলী খান।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, মহান মুক্তিযুদ্ধসহ বাংলাদেশের সকল ক্রান্তিলগ্নে প্রবাসী বাংলাদেশীদের অবদান উল্লেখ করার মত। বর্তমানে বিশ্বব্যাপী প্রবাসে অবস্থানরত প্রায় এক কোটি প্রবাসী তাদের অর্জিত আয়ের সিংহভাগই দেশে প্রেরণ করে থাকেন। যা বাংলাদেশের রেমিটেন্সে বিরাট ভুমিকা পালন করছে। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে, প্রবাসীরা বাংলাদেশ সরকার থেকে যে সকল মৌলিক অধিকার পাবার কথা আজ সেই সকল অধিকার থেকে একে একে প্রতিনিয়ত বঞ্চিত হচ্ছে। বর্তমানে যে সমস্যা সবচেয়ে বড় হিসেবে প্রতিয়মান হচ্ছে তা হলো কোনো প্রবাসী মৃত্যুবরণ করলে এবং যে সকল দেশ থেকে সরকারীভাবে মরদেহ প্রেরণের কোনো সুবিধা না থাকায় ঐ মরদেহ দেশের মাঠিতে প্রেরণ করা দূর্সাধ্য হয়ে পড়েছে । এ সকল মরদেহ দেশে প্রেরণ করতে বিপুল পরিমান অর্থের প্রয়োজন হয়। তাই এ অর্থ সংগ্রহ করতে আবার অনেক বেগ পেতে হয়। যা একজন প্রবাসীর মরদেহের প্রতি অসম্মানজনক। অনেক সময় এ সকল অর্থ সংগ্রহ করতে বেশ কিছুদিন দীর্ঘায়িতও হয়। মরদেহ হিমঘরে রাখতে হয়। এতে করে ব্যয় আরো বেড়ে যায়। যা মরার উপর খারার ঘায়ে রূপ নেয়।
স্মারকলিপিতে আরো বলা হয়, যেহেতু প্রতিটা দেশে বাংলাদেশ সরকারের দূতাবাস রয়েছে, সেহেতু ঐ সকল দুতাবাসে শুধু মাত্র মরদেহ প্রেরণের জন্য একটি ফান্ড তৈরী করা যেতে পারে। ফান্ডের জন্য নানা পথও রয়েছে বলে প্রবাসীরা মনে করেন। তাই সরকারিভাবে শুধু মরদেহ প্রেরণের জন্য একটি ফান্ড তৈরী এখন প্রবাসীদের সময়ের দাবি হয়ে পড়েছে।
প্রবাসী বাংলাদেশীদের মরদেহ সরকারিভাবে বাংলাদেশে প্রেরণ করতে বর্তমান প্রবাসীবান্ধব সরকারকে মানবিক দিক বিবেচনায় নিয়ে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান নেতৃবৃন্দ।
স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন প্যারিস-বাংলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আবু তাহির, সাধারণ সম্পাদক এনায়েত হোসেন সোহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক লুত্ফুর রহমান বাবু, কোষাধ্যক্ষ ফেরদৌস করিম আখনজি, প্রচার সম্পাদক নয়ন মামুন ও দূতাবাসের কর্মকর্তা বৃন্দ।






Related News

Comments are Closed