Main Menu

বিচারকদের বেতন বাড়ানোর প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন

অষ্টম বেতন কাঠামোর সঙ্গে সমন্বয় করে নিম্ন আদালতের বিচারকদের বেতনভাতা ও সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদের সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠক পর মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. শফিউল আলম সাংবাদিকদের বলেন, বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের বেতন, ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাদি নির্ধারণ-সংক্রান্ত অর্থ বিভাগের প্রস্তাব আজ মন্ত্রিসভা অনুমোদন দিয়েছে।

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা যে বেতন-ভাতা পান তাঁর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বেতন-ভাতা বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে অর্থ বিভাগ। জুডিশিয়াল পে-কমিশন যে সুপারিশ করেছিল, তাতে কিছুটা কাটছাঁট করা হয়েছে।

শফিউল আলম বলেন, জুডিশিয়াল পে-কমিশন একজন জেলা ও দায়রা জজের বেতন ৮৪ হাজার টাকা করার প্রস্তাব করেছিল। কিন্তু অর্থ বিভাগ তা কিছুটা কমিয়ে সচিবের বেতনের (৭৮ হাজার টাকা) সমান করার প্রস্তাব করে।

সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীরা যেসব সুযোগ সুবিধা পান বিচারবিভাগের সদস্যরাও তা পাবেন। এর বাইরে বিচারকরা কিছু বাড়তি সুবিধা পাবেন। এর মধ্যে রয়েছে পোশাক ভাতা, কার্যভার ভাতা, আপ্যায়ন ভাতা ইত্যাদি।

আজ মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘বৃক্ষ সংরক্ষণ আইন-২০১৬’ এর খসড়ায়ও অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এর ফলে পরিবেশের স্বার্থে পুরানো ও ঐতিহ্যবাহী গাছ সংরক্ষণ করা হবে। এছাড়া ‘চা আইন ২০১৬’ এর খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী সামরিক শাসনামলে জারি করা আইন নতুন করে বাংলায় প্রণয়নের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।১৯৭৭ সালের চা আইনকে ইংরেজি থেকে বাংলায় ভাষায় রূপান্তার করে পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে। “নতুন আইনে কিছু সংজ্ঞা যোগ করা ছাড়াও কিছু সংজ্ঞা স্পষ্ট করা হয়েছে,” বলেন সচিব শফিউল।






Related News

Comments are Closed