Main Menu

(Untitled)

নিউজ ডেস্ক : মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহে কোন বাধার সৃষ্টি হলেই মূলত ব্রেইন স্ট্রোক হয়। ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ, ধূমপান, স্থুলতা, উচ্চ কোলেস্টেরলের মাত্রা এবং হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীদের ব্রেইন স্ট্রোকের ঝুঁকি বেশি।

তবে এর কিছু সতর্কতা সংকেত রয়েছে, চলুন জেনে নেয়া যাক-

১. স্ট্রোকের রোগী তার এক হাতে অথবা উভয় হাতে অবশ বা দুর্বলতা অনুভব করে। যা স্ট্রোকের লক্ষণ হতে পারে। আপনি স্ট্রোকের রোগীকে হাত উপরে উঠানোর জন্য অনুরোধ করুন। সে তার হাত উপরে উঠাতে পারবেন না। উপর দিকে উঠাতে নিলে তার হাত নিচের দিকে নেমে আসবে।

২. রোগীর মুখের এক পাশে যদি অসাড়তা অনুভব করে অথবা রোগীর মুখের এক পাশ যদি বেকে যায়, তাহলে তাকে দ্রুত ডাক্তারের নিকট নিয়ে যেতে হবে। সে সময় আপনি রোগীকে একবার হাসার জন্য অনুরোধ করুন।
যদি সে হাসতে না পারে, তাহলে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান। ব্রেইন স্ট্রোক এর প্রধান লক্ষণ মুখ বেকে যাওয়া এবং হাসতে না পারা।

৩. রোগী তার শরীরের ভারসাম্য বজায় রাখতে পারেন না। তারা চলাচলের সময় সমন্বয়ের অভাব অনুভব করে। তারা বিভিন্ন অসুবিধায় ভুগতে থাকে।

৪. রোগী ঠিকমতো কথা বলতে পারবে না। তাদেরকে পরীক্ষা করার জন্য একই প্রশ্ন বারবার করুন।

দেখবেন তারা সঠিকভাবে প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবে না। তারা একই প্রশ্নের বিভিন্ন উত্তর প্রদান করবে।

৫. কোন কারণ ছাড়াই হটাৎ করেই প্রচণ্ড মাথা ব্যথার অনুভব হতে পারে। সাধারণত এটি হেমোরেজিক স্ট্রোকের প্রতি ইঙ্গিত করে।

এছাড়াও আরও তিনটি উপসর্গ হলো-
ক. স্বল্পমেয়াদী মেমরি ক্ষতি।
খ. কালো-আউট বা চাক্ষুষ বৈকল্য পর্ব।
গ. চাপল্য/ভারসাম্যহীনতা।

এই ৮টি সমস্যার কোন একটি যদি রোগীর মাঝে দেখা যায়, তাহলে অবশ্যই তাকে দ্রুত ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতে হবে।






Related News

Comments are Closed