Main Menu

ইসলাম ধর্মই নারীর মর্যাদা সমু্ন্নত রেখেছে: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ইসলাম ধর্মই নারীর মর্যাদা সমু্ন্নত রেখেছে। ধর্মের নামে নারীর অগ্রযাত্রা থামিয়ে রাখার কোনো সুযোগ নেই। রাজনৈতিক অধিকারের দিক থেকে এশিয়ার দেশগুলোতে নারীরা পশ্চিমাদের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

মঙ্গলবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে “অধিকার মর্যাদায় নারী-পুরুষ সমান সমান” প্রতিপাদ্য নিয়ে আয়োজিত আন্তর্জাতিক নারী দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সচিবালয় থেকে সব জায়গায় ডে-কেয়ার সেন্টার চালু করেছি। স্বামী পরিত্যক্তা, নির্যাতিত নারীদের জন্য ভাতার ব্যবস্থা করেছি। নারীদের জন্য নীতিমালা করেছি। নারীর প্রতি সহিংসতা রোধে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছি। যৌতুক নিরোধ আইন সংশোধন করে যুগোপযোগী করা হচ্ছে। আরো করা হচ্ছে ক্রাইসিস সেন্টার। মেয়েরা যেনো আইনি সহায়তা পায় সে ব্যবস্থাও করা হয়েছে।”

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, “সারাদেশে ৫ হাজার ২৭৫টি ডিজিটাল সেন্টার চালু করা হয়েছে। সেখানে ব্যবস্থা করা হয়েছে নারীদের কর্মসংস্থানের। সবার সমন্বিত প্রচেষ্টায়ই সোনার বাংলা গড়ে তুলতে পারবো।”

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, “আমাদের কারো দিকে মুখাপেক্ষী হতে থাকলে চলবে না। নিজেদের এগিয়ে যেতে হবে। নিজের মর্যাদা নিজেকেই কর্মের মধ্য দিয়ে অর্জন করতে হবে। সরকার প্রধান, সংসদের স্পিকার, বিরোধীদলীয় নেতা, সংসদ উপনেতা সবাই নারী। বিশ্বের কোথাও এ ধরনের নজির নেই।”

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “উন্নত দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে চাই।
সমাজের সবাইকে একসঙ্গে দেশকে উন্নত করতে হবে। ইসলাম ধর্মই নারীদের এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে। ইসলাম ধর্মে নারীর গৌরবের ইতিহাস রয়েছে।”

শেখ হাসিনা বলেন, “চাকরির ক্ষেত্রে নারীদের ১০ শতাংশ কোটা বঙ্গবন্ধু চারু করে গেছেন। নারীদের অবৈতনিক শিক্ষার ব্যবস্থা করে গেছেন। ২০১০ সালে ক্ষমতায় আসার পর তৃণমূল পর্যায় থেকে স্থানীয় সরকার প্রক্রিয়া শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেই। উপজেলা পরিষদে নারীরা আসার প্রক্রিয়া করেছি। স্থানীয় সরকারের সবক্ষেত্রে নারীদের আসার ব্যবস্থা করে দিয়েছি।”

এ সময় প্রধানমন্ত্রী তিন বাহিনীতে নারীদের উপস্থিতি, জজকোর্টে নারী, নারী পাইলটসহ বাংলাদেশের জন্য সাঁতার ও ভারোত্তোলনে দুই নারীর স্বর্ণ জয়ের কথা উল্লেখ করেন।






Related News

Comments are Closed