Main Menu

কালীগঞ্জে বিদ্রোহী প্রাথীর সমর্থকদের উপর হামলা আহত ১০,বিএনপিসহ ৫ চেয়ারম্যান প্রার্থীর ভোট বর্জন

গাজীপুর প্রতিনিধি
গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৭টি ইউনিয়নে ভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। ব্যাপক কারচুপি প্রকাশ্যে সিল মারা, কেন্দ্র থেকে এজেন্ট বের করে দেয়া, ভোটারদের মারধর, হুমকি প্রদান ও হামলা অভিযোগ এনে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থীসহ ৪ ইউনিয়নে ৫ চেয়ারম্যান প্রার্থী ভোট বর্জন করার ঘোষনা দেন বৃহস্পতিবার দুপুরে নিজ নিজ এলাকায় সংবাদ সম্মেলন করে । বর্জনকারী প্রার্থীরা হলেন, জামালপুর ইউনিয়নের বিএনপি প্রার্থী হারুন অর রশিদ দেওয়ান, বাহাদুরসাদী ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান বিএনপি প্রার্থী জয়নাল আবেদীন, মোক্তারপুর ইউনিয়নের বিএনপি প্রার্থী মো. রফিকুল ইসলাম পালোয়ান,জাঙ্গালিয়া ইউনিয়নে এিনপি প্রার্থী নেছার উদ্দিন নুহু এবং জামালপুর ইউনিয়নের আ.লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান মো. খায়রুল আলম।
ব্যাপক উৎসাহ উদ্দিপনার মধ্য দিয়ে ভোট গ্রহন শুরু হলেও ২ ঘন্টার মধ্যেই ভোটকেন্দ্রে চিত্র পাল্টে যায়। সকাল ৮টার আগেই নারী ভোটারদের উপস্থিতি ব্যাপক হারে লক্ষ করা গেছে। বিশাল লাইনের মধ্যে দাড়িয়ে ভোট দিতে দেখা গেছে ভোটারদের। তবে অধিকাংশ কেন্দ্রের বুধগুলোতেই ভোট গ্রহন ধীরগতিতে নিতে দেখা গেছে। নৌকা প্রতিকের চেয়ারম্যান প্রার্থীদের সমর্থকরা বিভিন্ন কেন্দ্রে ব্যালট পেপার ছিনিয়ে নিয়ে সিল মারার অভিযোগ আসতে থাকে। সরকারদলীয় সমর্থকরা বিরোধী সমথর্কদের মারধর করে ভোট কেন্দ্রে প্রবেশে বাধা প্রধান করা হয়। বেলা পৌনে ১২ টার সময় জামালপুর ইউনিয়নের সাহিদা মোল্লা বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে নৌাকা প্রতিকের সমর্থকরা আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান খায়রুল আলম কেন্দ্রে পরিদর্শনে গেলে তারকর্মীদের ধাওয়া করে মারধর ও হুমকি প্রদান করা হয়। এসময় প্রার্থীর বড় ভাই বাদল মোড়ল, ভগ্নিপতি আতিকুর রহমান মোল্লাসহ ১০ জন আহত হয়। আহতদের স্থানীয় ক্লিনিকে চিকিৎসা দেয়া হয়। এর আগে একই কেন্দ্রে টাকার বিনিময়ে পুলিশ সদস্যরা ভোটারদের ভোট প্রদানের অভিযোগে রফিক নামে এক পুলিশ সদস্যকে কেন্দ্র থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। একই ইউনিয়নের কলাপাটুয়া সরকারী বিদ্যালয় কেন্দ্রে এজেন্ট বের করে ব্যালটে সিল প্রদানের অভিযোগ। জেলা ডি আই ও টু মমিনুল ইসলাম জানান, জাঙ্গালিয়া ইউনিয়নের দুবরিয়া কেন্দ্রে ভোটারদের বাধা প্রদান করা হলে আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্য লাঠি চার্চ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন। নাগরী বাজার কেন্দ্রের বাহিরে বহিরাগতদের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ ইউনিয়নের বিএনপি সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী নেছার উদ্দিন নুহু অভিযোগ করে বলেন দড়ি জাঙ্গালিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র, জাঙ্গালিয়া মাদ্রাসা কেন্দ্রসহ কয়েকটি কেন্দ্রে নৌকার সমর্থকরা প্রকাশ্যে ভোট প্রদানে বাধ্য করা হয় ভোটারটের। এছাড়া বাহাদুরসাদী ইউনিয়নের ফকির শামসুদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে সকালের দিকে ব্যালট পেপার নিয়ে সমস্যার কথা জানিয়েছেন ভোটররা। নাগরী ইউনিয়নে ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে যেতে বাধা প্রদানের অভিযোগে করেছেন আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী। জামালপুর ইউনিয়নের আওয়ামীলীগ বিদ্রোহী প্রার্থী খায়রুল আলম বলেন তার এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বেলা ১১টার মধ্যে জোর পূর্বক বের করে দেয়া হয়। জাঙ্গালিয়া ইউনিয়নের বিএনপি চেয়ারম্যান প্রার্থী নেছারউদ্দিন নুহু সাড়ে ১০টারদিকে অভিযোগ করে বলেন সরকার দলীয় প্রার্থীর সমর্থকরা এজেন্টদের বের করে প্রকাশ্যে সিল মারে।






Related News

Comments are Closed