Main Menu

কাশিমপুর কারাগার থেকে মুক্তির পর জেএমবি সদস্য আসাদ সিআইডির হাতে আটক

গাজীপুর প্রতিনিধি
গাজীপুরে সিরিজ বোমা হামলা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত এক জেএমবি’র সদস্য আসামীকে কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারগার থেকে মুক্তির পর মূল ফটক সিআইডি পুলিশ আটক করেছে। বোমা হামলার মামলায় ১০বছর সাজাভোগ শেষে ওই কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে আটক করা হয়। সে গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলার চকপাড়া গ্রামের আব্দুল ওয়াহিদের ছেলে। গোয়েন্দা সংস্থা ও কারাগার সূত্রে জানা যায়, ১০ বছর সাজা শেষে মঙ্গলবার বেলা দেড়টার দিকে আসাদ জাহাঙ্গীরকে কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়। পরে জয়দেবপুর থানা ও গোপালগঞ্জের গোয়েন্দা পুলিশ কারাগারের মূল ফটক থেকে তাকে আটক করে।
কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগারের জেল সুপার মিজানুর রহমান জানান, দেশব্যাপী একযোগে সিরিজ বোমা হামলার গাজীপুরের জয়দেবপুর থানার একটি মামলায় অভিযুক্ত জাহাঙ্গীরকে ২০০৬ সালের ৩০ এপ্রিল পুলিশ গ্রেফতার করে। পরে উচ্চ আদালত তাকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদন্ডাদেশ প্রদান করেন। আজ মঙ্গলবার সাজাভোগ করার পর মেয়াদ শেষে কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তাকে মুক্তি দেয়া হয়। আসাদ জাহাঙ্গীর এতো দিন বন্দি ছিলেন। জয়দেবপুর থানার ২০০৫ সালের ৫৬ (৮) নং মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি।
জাহাঙ্গীরের মা হোসনে আরা বলেন, মঙ্গলবার সকালে তার ছেলেকে নেয়ার জন্য কারাগার থেকে তার কাছে ফোন করা হয়। মঙ্গলবার দুপুরে কারাগেটে আসার পর পুলিশ তাকে ও তার স্বজনদের কারা গেটে থেকে সরিয়ে দেয়। পরে কারাগেট থেকে মুক্তির পর সাদা পোশাকধারী পুলিশ প্রিজন ভ্যানযোগে জাহাঙ্গীরকে নিয়ে যায়। আমার ছেলে ভাংনাহাটী মাদ্রাসায় ফাজিল শ্রেণীর শিক্ষার্থী ছিল। আমার ছোট মেয়ে ফাতেমাকে জনৈক রেজার সাথে বিয়ে দেওয়ার ২১মাস পর জানতে পারি রেজা জেএমবির সদস্য। এ সংবাদের পরই রেজাকে আমার মেয়ে ডিভোর্স দেয়। আমার জামাতা জেএমবি সুত্রিতার কারণে তার সাথে আমাদের সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন হয়। অথচ সেই সুত্রতার জেরে আমার ছেলেকে অভিযুক্ত করা ব্যাভিচারী কাজ।
গাজীপুর ডিআই-১’র ইন্সপেক্টর সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গোপালগঞ্জ জেলার সিআইডি পুলিশ আসাদ জাহাঙ্গীরকে আটক করে নিয়ে গেছে। কী কারণে আটক করেছে জানা যায়নি।






Related News

Comments are Closed