Main Menu

ত্বকের যত্নে কমলা

কমলার ফলের খোসার ব্যবহারে এই সময় ত্বক পেতে পারে উজ্জ্বলতা। শীত চলে যাওয়ার পরে এই সময়টায় ত্বকের যত্নে প্রয়োজন হয় বিশেষ পরিচর্যার। শুষ্ক ত্বক তো বটেই, তৈলাক্ত ত্বকও এ সময় হয়ে ওঠে প্রাণহীন। ত্বকের রংটা যেমনই হোক না কেন একটা কালচে আবরণ দেখা দেয় ত্বকে। মৌসুমি ফলের খোসার ব্যবহারেই এই সময় ত্বক পেতে পারে উজ্জ্বলতা। বাজারে এখন কমলার মৌসুম। আর এই সময় কমলার খোসা বা কমলার রস হতে পারে আপনার দৈনন্দিন রূপচর্চার উপকরণ। কীভাবে? তাহলে জেনে নিন ত্বকের যত্নে কমলার ব্যাবহার।

স্বাভাবিক ত্বকে আধা চা-চামচ কমলার খোসা বাটার সঙ্গে ২ চা-চামচ তরল দুধ মিশিয়ে নিন। গুঁড়া দুধ হলে আধা চা-চামচ ব্যবহার করতে পারেন। এবার এর সঙ্গে পৌনে এক চা-চামচ মধু আর ১ টেবিল চামচ লাল আটা মিশিয়ে নিন।

শুষ্ক ত্বকে দুধের পরিবর্তে দুধের সর ব্যবহার করুন। তৈলাক্ত ত্বকের জন্য আধা চা-চামচ কমলার খোসা বাটার সঙ্গে ১ চা-চামচ টকদই, ১ টেবিল চামচ আটা মিশিয়ে নিন। ত্বকের যত্নে যে মিশ্রণটিই ব্যবহার করুন না কেন তা ১৫ থেকে ২০ মিনিটের বেশি ত্বকে না রাখাই ভালো। স্বাভাবিক আর তৈলাক্ত ত্বকের জন্য ১ দিন আর শুষ্ক ত্বকের জন্য ২ দিন এই মিশ্রণটি ব্যবহার করতে পারেন।

ত্বকের মরা চামড়া তুলতেও অপরিহার্য কমলার খোসা। এ জন্য ১ টেবিল চামচ কমলার খোসা বাটার সঙ্গে ২ টেবিল চামচ চালের গুঁড়া, ২ টেবিল চামচ তরল দুধ এবং আধা চা-চামচ মধু মিশিয়ে স্ক্র্যাবার হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। গোসলের আগে ত্বকের মরা চামড়া তুলতে যেকোনো ধরনের ত্বকের জন্য এই স্ক্র্যাবটি বেশ কার্যকর।

সংরক্ষণ:
রূপচর্চার উপকরণ হিসেবে বছরজুড়েই কমলার খোসা ব্যবহার করতে পারেন। এ জন্য কমলা থেকে খোসা ছাড়িয়ে ভালো করে রোদে শুকিয়ে মচমচে করে নিন। এবার মিক্সচারে ভালো করে গুঁড়ো করে বাতাস যাবে না এমন পাত্রে সংরক্ষণ করুন।

বিশেষ সতর্কতা:
যাঁদের ত্বকে উচ্চমাত্রার অ্যালার্জি রয়েছে তাঁদের কমলার খোসা ত্বকের যত্নে ব্যবহার না করাই ভালো। এ ছাড়া কমলার খোসাবাটা বা কমলার রস কোনোটাই ত্বকে সরাসরি ব্যবহার করবেন না।






Related News

Comments are Closed