Main Menu

‘বছরে ৩৫ মিলিয়ন টন বর্জ নদীতে জমা হচ্ছ’

বাংলাদেশ পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের (বাপা) সাধারণ সম্পাদক ও জাতীয় নদী রক্ষা আন্দোলনের সমন্বয়কারী ডা. মোহাম্মদ আব্দুল মতিন জানিয়েছেন, দেশের সকল নিঃসৃত ময়লা-বর্জ্যের পরিমাণ বাৎসরিক ১.৭০-২.৪০ বিলিয়ন টন যা থেকে ৩৫ মিলিয়ন টন রাসায়নিক বর্জ নদীর তলায় পলি হিসেবে জমা হচ্ছে।

রোববার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির ছোট মিলনায়তনে বাংলাদেশ পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (বাপা) ও জাতীয় নদী রক্ষা আন্দোলন আয়োজিত ‘আন্তর্জাতিক নদী কৃত্য দিবস ২০১৬’ শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য জানান।

আব্দুল মতিন বলেন, ‘আমাদের দেশের প্রায় সব গ্রাম-নগর-মহানগরেই গৃহস্থালী বর্জ ও কারখানার বর্জ্য বা ময়লার একটা বিরাট অংশের শেষ ঠিকানা হচ্ছে আমাদের নদীগুলো। অথচ মানুষের সকল প্রয়োজনে পানি সরবরাহের প্রধান উৎসও এই নদী। নদীর উপর ক্রমবর্ধমান অসংযত আচরণ ও অত্যাচারের মহোৎসবে মানুষ আপাতত বিজয়ী হলেও স্থায়ীভাবে পরাজিত হতে যাচ্ছে। কারণ, তার লাইফ লাইন আজ শুধু ড্রেন লাইনে রূপান্তরিত হতে যাচ্ছে। দখল দূষণে সকল নদীই আজ বিষের আধার, শ্রী হারা, অর্ধ মৃত বা প্রায় মৃত।

এ সময় তিনি কিছু দাবি জানান। দাবিগুলো হচ্ছে- প্রশাসনিক শক্তি প্রয়োগ করে সকল শিল্পকারখানায় বর্জ্য পরিশোধন প্ল্যান্ট সংযোজন করতে বাধ্য করা, শহুরে গৃহস্থালী ও হাসপাতাল বর্জ্য নদীতে ফেলা বন্ধ ও তরল বর্জ্য পরিশোধন করতে বাধ্য করা, নদীর উপর কাঁচা অথবা পাকা পায়খানা নির্মাণ বন্ধ এবং জমিতে রাসায়নিক সার-কীটনাশক ব্যবহার হ্রাস ও বন্ধ করা, নৌযান নির্গত ময়লা, বর্জ্য, তেল পানিতে ফেলা নিষিদ্ধ ও নৌযানে তেলের পরিবর্তে সোলার বা গ্যাস ব্যবহার করা, আদালতের রায়ের ভিত্তিতে সকল নদীর সীমানা নির্ধারন নির্মোহভাবে দখলদার উৎখাত ও তা দখলমুক্ত রাখা, মৃত ও ভরাট নদী ড্রেজিং করে তার প্রবাহ ও নাব্যতা পুনরুদ্ধার এবং নদীর মাটি বা পার ইজারা দেওয়া বন্ধ করা।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, বাপার জাতীয় কমিটির সদস্য নাজিমউদ্দিন নাজিম ও জাভেদ জাহান।






Related News

Comments are Closed