Main Menu

বহাল থাকলো রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম, রিট খারিজ

বাংলাদেশের সংবিধানে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বহাল থাকছে। এ সংক্রান্ত রিটটি খারিজ করে দিয়েছেন হইকোর্ট। আজ সোমবার রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম থাকবে কিনা এ সংক্রান্ত রিটের শুনানি শেষে রিটটি খারিজ করে দেয় দেশের সর্বোচ্চ আদালত।

সংবিধানে রাষ্ট্রধর্ম ইসলামকে অন্তর্ভুক্তির বিধান নিয়ে হাইকোর্টের দেয়া রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে এ বিষয়ে আজ আদেশ দেন আদালত। এরফলে ইসলামই থাকলো দেশের রাষ্ট্রধর্ম।

দুপুর ২টার দিকে এ বিষয়ে রুলের শুনানি করার পর বিচারপতি নাইমা হায়দারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের হাইকোর্টের বৃহত্তর বেঞ্চ রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ইসলামকে অন্তর্ভুক্তির বিধান নিয়ে শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। বেঞ্চের অপর দুই বিচারপতি হলেন বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি মো. আশরাফুল কামাল। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন রিটকারীদের পক্ষের আইনজীবী জগলুল হায়দার।

প্রসঙ্গত, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের শাসনকালে কার্যত বিরোধীদল বিহীন চতুর্থ জাতীয় সংসদে ১৯৮৮ সালের ৫ জুন সংবিধানের অষ্টম সংশোধনী অনুমোদন হয়। এর মাধ্যমে সংবিধানে উল্লিখিত অনুচ্ছেদ ২-এর পর ২ (ক) যুক্ত করা হয়। ২ (ক)-তে বলা হয়, ‘প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রধর্ম হবে ইসলাম।’

রাষ্ট্রীয় মূলনীতিতে এই পরিবর্তনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে তখনই ‘স্বৈরাচার ও সাম্প্রদায়িকতা প্রতিরোধ কমিটির’ পক্ষে প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি কামাল উদ্দিন হোসেন, কবি সুফিয়া কামাল, অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীসহ ১৫ বিশিষ্ট নাগরিক হাইকোর্টে এ রিট আবেদনটি দায়ের করেন।

রিট আবেদন দায়েরের দীর্ঘ ২৩ বছর পর রিট আবেদনকারীর পক্ষে ২০১১ সালের ৮ জুন একটি সম্পূরক আবেদন করা হয়। তার প্রাথমিক শুনানি নিয়ে সেদিনই বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী ও বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুরের তৎকালীন হাইকোর্ট বেঞ্চ রুল জারি করেছিল।

একই সঙ্গে হাইকোর্ট অ্যামিকাস কিউরি হিসেবে ১৪ জ্যেষ্ঠ আইনজীবীর নাম ঘোষণা করেন আদালত। তারা হলেন- টি এইচ খান, কামাল হোসেন, রফিক-উল হক, এম আমীর-উল ইসলাম, এম জহির, মাহমুদুল ইসলাম, এ এফ হাসান আরিফ, রোকনউদ্দিন মাহমুদ, আখতার ইমাম, ফিদা এম কামাল, আজমালুল হোসেন কিউসি, আবদুল মতিন খসরু, ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন, এ এফ এম মেসবাহ উদ্দিন। এদের মধ্যে এম জহির ও মাহমুদুল ইসলাম মারা গেছেন।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালের ২৫ জুন আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকাবস্থায় পঞ্চদশ সংশোধনীতে সংবিধানের ওই ২ অনুচ্ছেদ আবারও সংশোধন করা হয়। এরপর রিট আবেদনকারীর পক্ষ পঞ্চদশ সংশোধনীতে থাকা ওই বিধান চ্যালেঞ্জ করে সম্পূরক আবেদন করে।






Related News

Comments are Closed