Main Menu

বিএনপির কাউন্সিল উদ্বোধন করলেন খালেদা জিয়া

আজ শনিবার জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ষষ্ঠ জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সকালে কাউন্সিল উদ্বোধন করেছেন দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। ছয় বছর পর সম্মেলন হচ্ছে দলটিতে। সকাল থেকেই রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন চত্বরে উৎসবমুখর পরিবেশে নেতা-কর্মীরা জড়ো হতে শুরু করেছেন।

শনিবার সকাল ১০টা ২৮ মিনিটের দিকে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে এসে পৌঁছান বিএনপি চেয়ারপারসন। গেটে তাকে স্বাগত জানান দলীয় নেতাকর্মীরা। এসময় স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো কাউন্সিলস্থল।

এর আগে ৯টা ৫০ মিনিটে রাজধানীর গুলশান ২ নম্বরে তার বাসভবন ফিরোজা থেকে নিজস্ব নিরাপত্তা (সিএসএফ) বলয়ে রওনা দেন। অবশ্য সকাল ১০টায় জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে কাউন্সিলের কার্যক্রম শুরু করার কথা ছিল বিএনপি চেয়ারপারসনের।

এদিকে কাউন্সিলস্থলে জড়ো হয়েছেন সারা দেশ থেকে আসা দলের নেতাকর্মীরা। ভোর থেকেই আসতে শুরু করেন তারা। আমন্ত্রিতরা মঞ্চের সামনে নিজ নিজ সংরক্ষিত আসনে বসছেন।

বিএনপির ষষ্ঠ কাউন্সিলকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে দলের চেয়ারপারসন পদে বেগম খালেদা জিয়া ও সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান পদে তারেক রহমান আগামী তিন বছরের জন্য বিনা প্রতিন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে কাউন্সিলররা ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ডেলিগেটরা বসেছেন। তবে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে ঢোকার সময় কিছুটা বিশৃঙ্খলা দেখা গেছে। দলের নেতা-কর্মীরা সম্মেলনের সফলতা কামনা করে স্লোগান দিচ্ছেন।

ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের মূল ফটকের সামনে দীর্ঘ লাইনে আমন্ত্রিতদের অপেক্ষা করতে দেখা যায়। নির্দিষ্ট কার্ড থাকা সত্ত্বেও ভেতরে প্রবেশে তাদের দারুণ বেগ পেতে হচ্ছে। ধাক্কাধাক্কি করে তাদেরকে প্রবেশ করতে হচ্ছে। স্বেচ্ছাসেবীদের তাদের নিজ নিজ দায়িত্ব পালনে ব্যস্ত সময় কাটাতে দেখা যায়।

বিএনপি নেতাদের মধ্যে উপস্থিত আছেন আ স ম হানান শাহ, ড. ওসমান ফারুক, রুহুল আলম চৌধুরী, চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার, আবদুল লতিফ জনি, শামীমুর রহমান শামীম, কাজী আসাদুজ্জামান, মাসুদ আহমেদ তালুকদার, জেবা খান, শামা ওবায়েদ প্রমুখ।

ছাত্রনেতাদের মধ্যে উপস্থিত আছেন-সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, আবদুল কাদের ভুইয়া জুয়েল, হাবিবুর রশিদ হাবিব, বিএম নাজিম মাহমুদ, রাজিব আহসান, আলমগীর হাসান সোহান, সাদিউল কবির নীরব, বায়েজিদ আরেফিন প্রমুখ।

‘দুর্নীতি দুঃশাসন হবেই শেষ, গণতন্ত্রের বাংলাদেশ’—স্লোগান নিয়ে এবারের সম্মেলন হচ্ছে।






Related News

Comments are Closed