Main Menu

শরণার্থীদের ঠেকাতে গ্রিসের সঙ্গে সীমান্ত বন্ধ করেছে মেসিডোনিয়া

শরণার্থীদের ঠেকাতে গ্রিসের সঙ্গে সীমান্ত বন্ধ করে দিয়েছে মেসিডোনিয়া। আকস্মিক এ ঘোষণায় বিপাকে পড়েছেন, গ্রিস-মেসিডোনিয়া সীমান্তে আটকে-পড়া প্রায় ১৩ হাজার শরণার্থী। সীমান্তে কড়াকড়ি আরোপের ঘোষণা দিয়ে সারাদেশে সংকট-জনক পরিস্থিতির ঘোষণা দিয়েছে হাঙ্গেরি।

ইইউ’র চাপ থাকা সত্ত্বেও শরণার্থীদের সংঘাতপূর্ণ দেশে ফেরত পাঠানো হবে না বলে জানিয়েছে তুরস্ক। এদিকে, সমুদ্রে টহল বাড়ানো ও একের পর এক সীমান্ত বন্ধের ঘোষণার পরও থেমে নেই ইউরোপমুখী শরণার্থীর স্রোত।

শরণার্থীর ঢল ঠেকাতে ভূমধ্য ও এজিয়ান সাগরে ন্যাটো-বাহিনী এবং গ্রিস ও তুরস্কের উপকূলরক্ষীরা টহল দিলেও তা খুব একটা কাজে আসছে না। পাচারকারীদের সহায়তায় বুধবারও গ্রিসের পিরাউস বন্দর ও লেসবস দ্বীপে এসে পৌঁছায় শরণার্থীবাহী কয়েকটি নৌকা।

তুরস্ক হয়ে ইউরোপমুখী সিরীয় শরণার্থীর ঢল ঠেকাতে ইইউ’র চাপ থাকা সত্ত্বেও আশ্রয়প্রার্থীদের সংঘাতপূর্ণ দেশে ফেরত পাঠানো হবে না বলে জানিয়েছে তুরস্ক। সিরীয় শরণার্থীদের ঠেকাতে সোমবার ইইউ’র সঙ্গে সমঝোতা হলেও বুধবার এ ঘোষণা দেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত ক্যাভুসৌলু বলেন, ‘ইউরোপে অস্থায়ী শিবিরগুলোতে শরণার্থীরা মানবেতর জীবন-যাপন করছেন। আমাদের এখানে পরিস্থিতি এতোটা খারাপ নয়। জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে সিরীয় শরণার্থীদের সাহায্য করছি আমরা। মানবিক কারণেই তাদের সংঘাতপূর্ণ দেশে ফেরত পাঠানো উচিত হবে না।’

ইউরোপে অব্যাহত শরণার্থী ও অভিবাসীর চাপ মোকাবেলায় ইইউ’র নানামুখী উদ্যোগের মধ্যেই বুধবার, সারাদেশে সংকট-জনক পরিস্থিতির ঘোষণা দেয় হাঙ্গেরি।

হাঙ্গেরির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্যান্ডোর পিন্টার বলেন, ‘হাঙ্গেরিতে যে শরণার্থীরা প্রবেশের কথা ভাবছেন, তাদের প্রতিক্রিয়া কী হবে জানি না। তবে, সংকট মোকাবেলায় আমরা আগামী ১০ দিনের মধ্যেই রোমানিয়া সীমান্তে দেয়াল তৈরি করবো। দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তার দেশে থেকে কোনো অবৈধ শরণার্থী হাঙ্গেরিতে আসবে না বলে আমাকে নিশ্চিত করেছেন।’

স্লোভেনিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও সার্বিয়ার পর শরণার্থী প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে মেসিডোনিয়া। গ্রিক সীমান্ত দিয়ে আর কোনো শরণার্থী প্রবেশ করতে দেয়া হবে না জানিয়ে বুধবার সীমান্ত বন্ধ করে দেয় দেশটি।

আকস্মিক এ ঘোষণায় বিপাকে পড়েছেন, গ্রিস-মেসিডোনিয়া সীমান্তের আইডোমেনিতে আটকে পড়া প্রায় ১৩ হাজার শরণার্থী।






Related News

Comments are Closed