Main Menu

গরম আর হাঁটার কষ্ট হলেও বর্ষবরণে উচ্চসিত সবাই

নিরাপত্তার কথা ভেবে রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক বন্ধ রাখা এবং প্রচণ্ড গরমের কারণে কিছুটা ভোগান্তিতে পড়েছে বর্ষবরণে আসা দর্শনার্থীরা। তবে বর্ষবরণের আনন্দের কাছে এ কষ্ট কিছুই না বলে অভিমত তাদের।

রাজধানীতে পহেলা বৈশাখ মানেই যেন রমনার বটমূল। তাইতো ১৪২৩ বঙ্গাব্দকে স্বাগত জানাতে রমনার বটমূলে একত্রিত হয়েছে হাজারো বাঙ্গালি। কানায়-কানায় পূর্ণ হয়েছে ঐতিহ্যের এ বটমূল।

সাংস্কৃতিক সংগঠন ছায়ানটের রাগালাপ দিয়ে ভোর সাড়ে ৬টায় শুরু হয়েছে বর্ষ বরণের অনুষ্ঠান। তবে এর আগেই জমায়েত হতে থাকে সাধারণ মানুষসহ সর্বস্থরের সবাই। সকাল ৮টার মধ্যেই মানুষে-মানুষে পূর্ণ হয়ে যায় রমনার বটমূল।

নিরাপত্তার কথা ভেবে রাজধানীর শাহবাগ, মৎস ভবন, বাংলামোটর, কাঁটাবনসহ বেশ কিছু এলাকা থেকে গাড়ি চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ। ফলে রাজধানীর বিভিন্ন স্থান থেকে হেঁটেই রমনাসহ বর্ষবরণের অনুষ্ঠস্থলে এসেছেন রাজধানিবাসী।

রাজধানীর মতিঝিল থেকে রমনার বটমূলে আসা মো: রফিক বলেন, ‘হেটে হেটে এখানে আসলাম। একটু কষ্ট হলেও বর্ষবরণের এ অনুষ্ঠনে আসতে পেরে অনেক ভালো লাগছে।’

প্রায় ১৫০ জন শিল্পীর অংশগ্রহণে চলছে বর্ষবরণের অনুষ্ঠান। এ যেন বাঙ্গালির প্রাণের মিলন। ছোট-বড় সবাই আসছেন বাংলা নববর্ষকে স্বাগত জানাতে। রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত চলবে এ অনুষ্ঠান।

রাজধানীর বিভিন্ন স্থানসহ দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকেও ছুটে এসেছেন বাঙ্গালির এ প্রাণের মিলনে। সবার মধ্যেই একই চেতনা, একই বিশ্বাস।

রাজধানীর মিরপুর থেকে আসা খায়রুল হোসেন বিডি টুয়েন্টিফোর লাইভ ডট কমকে বলেন, ‘প্রতি বছরই ছায়ানটের এ অনুষ্ঠানে আসি। এখানে আসলে নিজের মধ্যে বাঙ্গালির যে চেতনা রয়েছে তা আরও বেড়ে যায়।’

‘আম্মুর সাথে আসলাম আমি। আম্মুকে বলেছি, আগামিতে আবারো আমাকে এখানে নিয়ে আসতে।’ বলেছেন মা ফারবিন আক্তারের সঙ্গে যাত্রাবাড়ী থেকে এসেছে স্কুল ছাত্রী মারুফা ।

তবে তীব্র গরম আর মানুষের ভিড়ের কারণে ভোগান্তিতে পড়েছেন আগতরা। রাস্তা থেকে প্রচুর ভিড় ঠেলে রমনার ভিতরে প্রবেশ করতে হচ্ছে দর্শনার্থীদের। তাইতো অনেকটা গরমের সাথে অনেকটা যুদ্ধকরেই বর্ষবরণ করছেন দর্শনার্থীরা।






Related News

Comments are Closed