Main Menu

দেশের সব মেডিকেল কলেজে বার্ন ইউনিট চালু করা হবে–প্রধানমন্ত্রী

দেশের আর একটি মানুষও যাতে আগুনে পুড়ে মারা না যায়, সে জন্য পর্যায়ক্রমে দেশের সব মেডিকেল কলেজে বার্ন ইউনিট চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার সকালে রাজধানীর চানখারপুলে শেখ হাসিনা বার্ন এন্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নিমতলী ট্রাজেডির পর বার্ন ইন্সস্টিটিউট স্থাপনের বিষয়টি তার মাথায় আসে। এরপর ২০১৩ থেকে ২০১৫ পর্যন্ত বিএনপি-জামায়াতের আন্দোলনে অনেক মানুষ আগুনে পুড়ে মারা যাওয়ার ঘটনায় একে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হয় বলে জানান তিনি।

ঢামেকের বার্ন ইউনিট অনেকের প্রাণ বাঁচিয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আর যাতে একটি মানুষও আগুনে পুড়ে মারা না যায়, সে লক্ষ্যেই ইনস্টিটিউট স্থাপন করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, যারা বড়লোক তারা বিদেশে চিকিৎসা নিতে যাবেন, তাতে আমার আপত্তি নেই। কিন্তু দেশে বিশ্বমানের চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হবে না, এটা আমি বিশ্বাস করি না।

৫২২ কোটি ৩৯ লাখ টাকা ব্যয়ে ইনস্টিটিউটটির নির্মাণকাজ ২০১৮ সালের ডিসেম্বর নাগাদ শেষ হবে।

অত্যাধুনিক এ ইনস্টিটিউটটি নির্মাণের পর এখানে প্রতিদিন গড়ে ৫`শ দগ্ধ রোগী একসঙ্গে চিকিৎসা সুবিধা পাবেন। পাশাপাশি ইনস্টিটিউট থেকে বছরে ১০-১২ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক তৈরী করা হবে।

ইনস্টিটিউটটি নির্মাণ করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। নির্দিষ্ট সময়ে এ কাজ শেষ করা হবে বলে প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছেন সেনাপ্রধান আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হক।

বর্তমানে সারাদেশের ১৮টি মেডিকেলের মধ্যে ৯টিতে বার্ন ইউনিটের সুবিধা রয়েছে। পর্যায়ক্রমে দেশের অন্য সব মেডিকেল বার্ন ইউনিট চালু করা হবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে বিশেষায়িত হাসপাতালের সংখ্যা খুবই কম। ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায়ে এসে আমরা বিশেষায়িত হাসপাতাল ও ইন্সস্টিটিউট স্থাপনের উদ্যোগ নেই।






Related News

Comments are Closed