Main Menu

শ্রীপুরে আওয়ামীলীগ ও স্বতন্ত্রদের মধ্যে চির প্রতিদ্বন্দ্বিতা ॥স্বতন্ত্রদের থলে বিএনপির কর্মী॥

মোতাহার খান, শ্রীপুর নির্বাচনীয় এলাকা থেকে ঘুরে:
নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তৃতীয় দাপে গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে আগমী ২৩ এপ্রিল শনিবার ভোট গ্রহণের তারিখ নির্ধারন করেন। ভোট গ্রহণের দিন যত ঘনিয়ে আসছে তার সাথে সাথে প্রার্থীদের ভোটারদের কাছে দৌড়ধাপ ততই বেশি হচ্ছে।

শ্রীপুর উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের নির্বাচনী এলাকা ঘুড়ে জানা যায়, সর্বত্তই এখন ভোটের হাওয়া বয়ছে। চায়ের স্টল থেকে শুরু করে, ফুট পাত, রেলওয়ে ষ্টেশন, বাস স্ট্যাষ্ট, হাট-বাজার, পাড়া মহল্লাহ্ এখন যেন নতুন সাঝে সেঝেছে। পোষ্টারে পোষ্টারে ছেয়ে গেছে উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের নির্বাচনীয় এলাকা। ভোটদের ধারে ধারে ভোট চেয়ে বেরাচ্ছেন বিভিন্ন প্রার্থীরা। ভোটদের দিচ্ছেন নানান প্রতিশ্রুতি।

আওয়ালীগের প্রার্থীদের সাথে চির প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মাঝে এমনটি মনে করছেন সাধারণ ভোটাররা।

সরেজমিনে দেখা যায় কিছু ইউনিয়নে বিএনপির নেতাকর্মীরা স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য ভোট চেয়ে বেরাচ্ছেন। গাজীপুর ইউয়িন বিএনপির জেষ্ঠ সহ-সভাপতি সাহবুদ্দীন মেম্বার স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল হাশেম আনারস প্রতীকের পক্ষে নির্বাচনীয় প্রচার চালাচ্ছেন। ইউনিয়নের আরেক বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী আকরাম হোসেন মটরসাইকেল প্রতীকে লড়ছেন। তার পক্ষে ৩নং ওয়ার্ড বিএনপি নুরুল ইসলাম নুরুসহ বিভিন্ন নেতাকর্মীদের প্রচারপ্রচারণ চালাতে দেখা যায়। আওয়ামীলীগ প্রার্থী মো. নুরুল ইসলামের সাথে স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল হাশেমের চির প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে ভোটারা জানান। তবে কাওরাইদেরও একই আবাস আওয়ামীলীগ মনোনিত প্রার্থী মো. রফিকুল ইসলাম মন্ডলের সাথে স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল হাই এর সাথে নির্বাচন হবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা মূরক।

গাজীপুর ইউনিয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল হাশেম (আনারস) বলেন, আমি বিগত নয় বছর চেয়ারম্যান হয়ে এই ইউনিয়নের মানুষের দুখে সুখে পাশে ছিলাম এবং বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে আমার ভূমিকা ছিল অপরিসীম এটা গাজীপুর ইউনিয়নবাসি ভোটের মাধ্যমে প্রমান করবে। এরি সাথে আশা করি আমি বিপুল ভোটে জয়লাফ করবো।

আওয়ামীলীগ মনোনিত প্রার্থী মো. নুরুল ইসলাম (প্রেস নরু) বলেন, গাজীপুর ইউনিয়ন বাসি সৎ ও যোগ্য লোককে নির্বাচিত করবে এটা আমার আশা। আমি চেয়ারম্যান হলে ইউয়িনের সকল উন্নয়নমূলক কাজে নিজেকে বিলিয়ে দিবো। এবং ইউনিয়নের সাধারণ মানুসের সাথে জীবনের বাকি সময় টুকু কাটিয়ে দিতে চাই।

ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা যায়, যারা রাস্তাঘাট, জলাবদ্বতা, মাদক নির্মূলসহ বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কাজে বিশেষ ভূমিকা রাখবেন, ঠিক তাদেরকেই আমরা নির্বাচিত করবো।

উল্লেখ্য: উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের (নৌকা প্রতীক) মনোনিত প্রার্থী ৮জন। তারা হলেন, বরমী- মো. শামসুল হক ( বাদল সরকার), গাজীপুর- মো. নুরুল ইসলাম, গোসিংগা- মো. শাহজাহান সরকার, কাওরাইদ- মো. রফিকুল ইসলাম মন্ডল, মাওনা- মো. জাহাঙ্গীর আলম খোকন, প্রহলাদপুর- মো.নরুল হক আকন্দ, রাজাবাড়ি- মো. ফারুক হোসেন, তেলিহাটি- আঃ বাতেন সরকার।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) (ধানের শীষ প্রতীক) মনোনিত প্রার্থী ৮জন। তারা হলেন, বরমী- মো. আক্তারুজ্জামান, গাজীপুর- মো. আবুল কাশেম, গোসিংগা- খন্দকার মো. আসাদুজ্জামান, কাওরাইদ- মো. রাশেদ মন্ডল, মাওনা- আলহাজ্ব মো. ফজলুল হক, প্রহলাদপুর- মো. আবু সাঈদ আকন্দ , রাজাবাড়ি- মো. কতুব উদ্দিন, তেলিহাটি- মোহাম্মদ আক্তারুল আলম। এছাড়া বাংলাদেশ ইসলামি আন্দোলনের প্রার্থী গোসিংগা- শাহজাহান সরকার, জাতীয় পাটি থেকে মাওনায় লড়ছেন, সামছুদ্দীন, জাসদ থেকে প্রহলাদপুরে লড়ছেন, হাজ্বী মো. সামছুদ্দীন সরকার। এছাড়া গাজীপুর ইউনিয়ন আবুল হাশেম ও কাওরাইদ আব্দুল হাইসহ স্বতন্ত্র থেকে চেয়ারম্যান পদে ১৩জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। মহিলা সংরক্ষিত আসনে- বরমী থেকে ১০, গজীপুর থেকে-১০,গোসিংগা থেকে-৮, কাওরাইদ থেকে ৯, মাওনা থেকে ১৩, প্রহলাদপুর থেকে- ১১, রাজাবাড়ি থেকে- ১৩, তেলিহাটি থেকে ১৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

সাধারণ সদস্য পদে (পুরুষ) – বরমী থেকে ৫৪, গজীপুর থেকে-৪১,গোসিংগা থেকে-৪৩, কাওরাইদ থেকে ৩৭, মাওনা থেকে ৩৫, প্রহলাদপুর থেকে- ৩১, রাজাবাড়ি থেকে- ৪৪, তেলিহাটি থেকে ৪১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

এমন তথ্য নিশ্চিত করে শ্রীপুর উপজেরা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. খন্দকার জাহাঙ্গীর আলম বলেন, নির্বাচনকে সুষ্ঠ-অবাধ নিরপেক্ষ করার সার্থে কমিশনের পক্ষ থেকে সর্বাত্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।






Related News

Comments are Closed