Main Menu

অভ্যন্তরীণ সুরক্ষা বাহিনী থাকলেও সেনাবাহিনী নেই

লাখ লাখ লোকের অনেক দেশে পুলিশ থাকলেও চোর-সন্ত্রাসী না থাকায় তারা ব্যস্ত থাকেন পর্যটক আপ্যায়নে। যে সব দেশের সীমান্তে পড়ে থাকে না কোনো তরুণের রক্তাক্ত দেহ। বন্দুকধারীরা কাঁটাতারের পাশ দিয়ে একে-৪৭ নিয়ে টহলদারি না করলেও দিব্যি শান্তির ঘুম ঘুমাতে যান বাসিন্দারা।
এমন কিছু দেশের নাম দেয়া হলো যাদের কোনো সেনাবাহিনী নেই। তারপরও তারা আছে বেশ সুখে-শান্তিতে
আমেরিকান সামোয়া: জনসংখ্যা মোটে ৫৫ হাজার ৫১৯। জনসংখ্যায় আমাদের দেশের যে কোনো একটি ছোট শহরের সমান। এই দেশের রয়েছে ছোট্ট একটি পুলিশ বাহিনী আর কোস্টাল ফোর্স।
মার্শাল আইল্যান্ড: সেনাবাহিনীর দরকার পড়ে না এই দেশেরও। জনসংখ্যা ৫৬,০৮৬। পুলিশ বাহিনী, সমুদ্রতট সুরক্ষা বাহিনী, অভ্যন্তরীণ সুরক্ষা বাহিনী থাকলেও সেনাবাহিনী নেই এদের।
আন্দোরা: ৭৬ হাজার ছেলেপুলের দেশ আন্দোরায় পুলিশ ফোর্স আছে ঠিকই কিন্তু চোর-ডাকাত, খুনি-বদমাশ ধরার প্রয়োজন পড়ে না তাদের বরং তারা বেশি ব্যস্ত থাকেন পর্যটকদের আতিথেয়তায়।
ফেডারেন্টেড স্টেটস অব মাইক্রোনেশিয়া: এক লাখের একটু বেশি মানুষ বাস করেন এই দেশে। সুখী, শান্ত এই দেশেরও সেনাবাহিনী নেই। চুক্তি অনুযায়ী প্রয়োজন হলে এরা আমেরিকার সেনা ব্যবহার করতে পারবে।
গ্র্যানাডা: ১ লাখ ৩৩ হাজার মানুষ থাকেন ছবির মতো সুন্দর এই দেশে। সেনাবাহিনী নেই এখানেও। যদিও দেশের ভেতরের সুরক্ষার জন্য রয়েছে রয়্যাল গ্র্যানাডা পুলিশ ফোর্স আর আন্তর্জাতিক সুরক্ষার জন্য ক্যারাবিয়ান রিজিওনাল সিকিউরিটি সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে এরা।
কিরিবাতি: যদিও দরকারে এরা অস্ট্রেলিয়া আর নিউজিল্যান্ডের বাহিনী ব্যবহার করতে পারে কিন্তু নিজেদের কোনো সেনাবাহিনী নেই দেড় লাখ জনবসতির দেশ কিরিবাতির কাছে।
সেন্ট ভিনসেন্ট অ্যান্ড গ্রেনাডাইনস: এই দেশের জনসংখ্যা ১ লাখ ৯০ হাজার আর পুলিশ বাহিনীতে রয়েছে ৯৪ জন তরুণ-তরুণী।
সেন্ট লুসিয়া: ১ লাখ ৮৫ হাজার জনসংখ্যার মধ্যে মাত্র ১১৬ জনের একটি সুরক্ষা দফতর রয়েছে এই দেশের কাছে। তবে তার মধ্যে মোটেও নেই কোনো সেনাবাহিনীর বুটের আওয়াজ।
সোলোমন আইল্যান্ড: সেনাবাহিনী রাখার প্রয়োজন বোধ করে না এই দেশও। ৫ লাখের একটু বেশি জনসংখ্যা নিয়ে সুখে আছে সোলোমন।
কোস্টারিকা: ৪ লাখ ৭১ হাজার জনগণের এই দেশ। সেনাবাহিনী নেই কোস্টারিকায়।






Related News

Comments are Closed