Main Menu

শিক্ষক লাঞ্ছনা :এমপিসহ জড়িতদের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নয়

ইসলাম ধর্ম নিয়ে কটূক্তি এবং শিক্ষার্থীকে মারধর করার অভিযোগে কানধরে উঠবস করানো নারায়নগঞ্জের পিয়ার সাত্তার লতিফ হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্তকে লাঞ্ছনা করার দায়ে এমপি সেলিম ওসমানসহ দায়িদের বিরুদ্ধে কেন আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত। একইসঙ্গে পুলিশ সুপারকে ৩ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। বুধবার বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি ইকবাল কবিরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ স্বপ্রণোদিত হয়ে এ রুল জারি করেন।

ইসলাম ধর্মের বিরুদ্ধে কটূক্তি করার অপবাদে গত শুক্রবার (১৩ মে) স্কুল মাঠে শত শত মানুষের সামনে ওই প্রবীণ শিক্ষককে কান ধরে উঠবস করতে বাধ্য করেন স্থানীয় এমপি সেলিম ওসমান। শুধু তাই নয়, জনতার উদ্দেশে হাতজোড় করে ক্ষমা চাইতেও নির্দেশ দেন তিনি।

শিক্ষককে অপদস্ত করার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রচার হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, সেলিম ওসমানের নিজে দাঁড়িয়ে থেকে ওই শিক্ষককে কান ধরে তিনবার উঠবস করাচ্ছেন। আর এই দৃশ্য দেখে সামনের জনতা উল্লাস করছে। অনেকেই শিস দিচ্ছে। এর মধ্যে সমস্বরে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দিতেও শোনা যায়।।

তবে শিক্ষক শ্যামন কান্তি বলছেন, তার বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। এর আগেও কয়েকবার বিভিন্ন ইস্যুতে ষড়যন্ত্র করে ব্যর্থ হয়ে সবশেষ ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়ার মিথ্যা অভিযোগ তাকে অপদস্ত করা হয়েছে।






Related News

Comments are Closed