Main Menu

গাজীপুরে কৃষিফার্ম শ্রমিক ফেডারেশনের কৃষি বাজেট সংক্রান্ত সংবাদ সম্মেলন

রোমান শাহ্ আলম : ২০১৬-১৭ অর্থ বছরের প্রস্তাবিত বাজেটে কৃষির জন্য প্রদত্ত বরাদ্দকে অপর্যাপ্ত এবং আত্মঘাতি বলে দাবি করে সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন বাংলাদেশ কৃষি র্ফাম ফেডারেশন।

সকাল ১১টায় গাজীপুর জেলা রিপোর্টার্স ক্লাব মিলায়তনে লিখিত বক্তব্যে বাংলাদেশ কৃষি র্ফাম শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারন সম্পাদক আব্দুল মজিদ জানান, কৃষিতে অপর্যাপ্ত বাজেট ভবিষ্যৎ খাদ্য স্বয়ংসম্পূর্নতার ক্ষেত্রে আত্মঘাতি। তারা বলেন বাজেটে কৃষি ও কৃষকের বিদ্ধমান।

তিনি আরো বলেন,গত অর্থবছরে কৃষিখাতে বরাদ্দ ছিল মোট ৪.২১% অথচ আগামী অর্থ বছরের জন্য এখাতে বরাদ্দ মাত্র ৪.০১%। মোট বাজেটের আকার বাড়লেও কৃষির জন্য বরাদ্দ কমে গেছে ০.১৯%। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে টাকার অংকে বরাদ্দ ৩০ কোটি টাকা বাড়লেও, মোট বরাদ্দের আনুপাতিক হার কমে গেছে। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচীর মোট বরাদ্দের ১.৭% বরাদ্দ আছে কৃষি মন্ত্রণালয়ের জন্য,গত অর্থ বছরেও এই বরাদ্দ ছিল ২%। ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচীর ৩.১০% বরাদ্দ ছিল কৃষি মন্ত্রণালয়ের জন্য। সেটা কমতে কমতে এখন ১.৭% এ দাঁড়িয়েছে। কৃষককে ১ টাকা ভুর্তিকি দিলে কৃষক ১৫ টাকা ফেরত দিতে পারেন। গত বছর কৃষি খাতে ভর্তুকির জন্য ৯০০০কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হলেও খরচ করা হয়েছে ২০০০ কোটি টাকা কম,৭০০০ কোটি টাকা । এবারও ৯০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে,যা কৃষির চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় অপ্রতুল। কৃষি ভর্তুকি নগদ কৃষকের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। গ্রামে গ্রামে ক্রয় কেন্দ্র করে কৃষকের কাছ থেকে সরাসরি ক্রয় করতে হবে। সুবল সরকার বলেন,গত বছরের মতো এই বছরেও জুড়ে আলোচনায় ছিল কৃষিপন্যের ন্যায্যমূল্যেও বিষয়টি। সম্প্রতি গরুর মাংসের দাম বাড়ায় এক মণ ধান দিয়েও এক কেজি গরুর মাংস কেনা প্রায় কঠিন হয়ে পড়েছে দেশের বিভিন্ন স্থানের কৃষকের জন্য। একমন ধান উৎপাদনে কৃষকের খরচ হয়েছে প্রায় ৬০০-৮০০ টাকা। সেখানে কৃষক এর জন্য দাম পাচ্ছেন ৩০০-৫০০ টাকা। বাজেটে এই সমস্যা সমাধানের কোনও উদ্যোগ নেই। দেশ বাচাঁতে, কৃষিকে বাচাঁতে এখাতে বরাদ্দ অপর্যাপ্ত বলে তিনি দাবি করেন। কৃষির জন্য বেশ কিছু উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি। বাজেটকে কৃষি বান্ধব করার জন্য বাংলাদেশ কৃষি শ্রমিক ফেডারেশন নিম্নোক্ত দাবিগুলো পেশ করেন :-১. বাজেটের আকারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কৃষির জন্য বরাদ্দ হবে । ২. বাজেটে কৃষির ভর্তুকি বাড়াতে হবে, ভর্তুকির কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। ৩. কৃষি পন্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে মূল্য কমিশন গঠন করতে হবে। ৪. ক্ষতিকর বিদেশি বীজ আমদানি বন্ধ, বিটি বেগুন,গোল্ডেন রাইসসহ বিতর্কিত জিএমও কৃষি প্রবর্তন বন্ধ করতে হবে ৫. পাটের সোনালী অতীত ফিরিয়ে আনতে বিশেষ বরাদ্দ দিতে হবে।ব্রি শ্রমিক সমিতির মোঃ রহিমউদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন গোলাম ছরোয়ার, মামুন হোসেন এবং লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বাংলাদেশ কৃষি র্ফাম শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারন সম্পাদক আব্দুল মজিদ।






Related News

Comments are Closed