Main Menu

গাজীপুরে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ :বুলেটবিদ্ধ ৩

স্টাফ রিপোর্টার : গাজীপুর মহানগরের ঢাকা-গাজীপুর সড়কের নলজানীতে কোজিমা লিরিক গার্মেন্টস শ্রমিকদের সাথে পুলিশের সংঘর্ষ হয়।

এতে কমপক্ষে ২০ শ্রমিক আহত হয়ে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহম্মেদ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। ঈদ উপলক্ষ্যে শতভাগ বোনাসের দাবিতে শ্রমিকরা সড়ক অবরোধ করলে ওই সংঘর্ষ বাধে। শিল্পাঞ্জল পুলিশ-২ এর সহকারি পুলিশ সুপার তাহমিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

জানাযায়- ওই কারখানার শ্রমিকরা মঙ্গলবার ঈদ উপলক্ষে দুপুর অনুমান ১টার দিকে মূল বেতনের সাথে শতভাগ ঈদ বোনাস, হাজিরা বোনাস ও বেতন বাড়ানোর দাবিতে বিক্ষোভ করতে থাকে। ওই সময় তারা ঢাকা-গাজীপুর সড়কে অবস্থান নিলে গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে কারখানা কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদের দাবি কিছুটা মেনে নিলেও শ্রমিকরা তাতে সম্মত হয়নি। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাদের সড়ক থেকে সরে যেতে বললে শ্রমিকরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট ছুড়তে থাকে এবং কারখানার কাচ ভাংচুর করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশও কয়েক রাউন্ড কাঁদুনে গ্যাস ও রবার বুলেট ছুড়ে শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে। এ সময় দুপক্ষের সংঘর্ষে পুলিশ সদস্য ও শ্রমিকেরা আহত হন। দুপুর ২টার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে ঢাকা-গাজীপুর সড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।

একটি সূত্র জানায়- কারখানার আয়রনম্যান রাশিদা (২৫), শ্রমিক সাবিনা (২৪), নাজমা (২৫) ও অজ্ঞাতনামা একজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের তিনজনের শরীরে রবার বুলেট বিঁধেছে।

বাকিদের গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎস দেয়া হয়।

এদিকে শহীদ তাজউদ্দীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মো. এনামুল কবির বলেন, দুপুরে সাত শ্রমিককে হাসপাতালে আনা হয়। এদের মধ্যে রবার বুলেটবিদ্ধ তিনজন ও অন্য একজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
অপরদিকে কারখানার ম্যানেজার অপূর্ব লাল হাওলাদার বলেন, গত বছর রমজানের ঈদে শ্রমিকদের ৭০ ভাগ ঈদ বোনাস পরিশোধ করা হলেও শ্রমিকরা তা মেনে নেয়নি। ফলে এবার তাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে কর্তৃপক্ষ আরও ১০ ভাগ বাড়িয়ে রমজানের ঈদ বোনাস ৮০ ভাগ দেওয়ার আশ্বাস দিলেও মঙ্গলবার শ্রমিকরা অযৌক্তিভাবে এ ঘটনা ঘটিয়েছে।
ঘটনার পর হতে শ্রমিকরা কাজে যোগ দেয়নি। কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।






Related News

Comments are Closed