Main Menu

মেট্রোরেল ও বিআরটি নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

রাজধানীবাসীর বহুল কাঙ্ক্ষিত মেট্রোরেল ও বাস র‌্যাপিড ট্রানজিটের (বিআরটি) নির্মাণযজ্ঞের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার (২৬ জুন) সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে মেগা এ দুটি প্রকল্প উদ্বোধন করেন তিনি।

বাস্তবায়নাধীন উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত এ মেট্রোরেলের দৈর্ঘ্য হবে ২০ দশমিক ১ কিলোমিটার। এটি উত্তরা থেকে শুরু হয়ে পল্লবী-রোকেয়া সরণির পশ্চিম পাশ দিয়ে খামারবাড়ি-ফার্মগেট-হোটেল সোনারগাঁও-শাহবাগ- টিএসসি-দোয়েল চত্বর-তোপখানা রোড হয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক পর্যন্ত যাবে।

প্রাথমিক অবস্থায় উত্তরা থেকে মেট্রোরেল আগারগাঁও পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রকল্পটি ফার্মগেট পর্যন্ত সম্প্রসারণের অনুরোধ জানান।

এ সময় তিনি বলেন, এ প্রকল্পের কাজ ২০১৯ সালের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে। ঢাকার মানুষ যেন আধুনিক এ যোগাযোগের সুবিধা দ্রুত পায় সে জন্য সড়ক ও সেতুমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, ঢাকার চারদিকে বৃত্তাকার সড়ক-নৌ ও রেলপথ নির্মাণের পরিকল্পনা নেয়া হচ্ছে। একটি আধুনিক নগরীর যোগাযোগব্যবস্থা গড়ে তুলতে এসব ব্যবস্থা নিচ্ছে সরকার। পাশাপাশি নগরীর অভ্যন্তরে যোগাযোগব্যবস্থা দ্রুততর করতে ফ্লাইওভারসহ বেশকিছু যোগাযোগ অবকাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে, যা বাস্তবায়িত হলে মহানগরীতে চলাচলে কষ্ট লাঘব হবে যাত্রীদের।

মেট্রোরেল চালু হলে ঘণ্টায় উভয়দিক থেকে ৬০ হাজার যাত্রী পরিবহন করা যাবে। আর বাস্তবায়নাধীন বিআরটিএ লাইন দিয়ে গাজীপুর থেকে এয়ারপোর্ট সড়কে ঘণ্টায় ২৫ হাজার যাত্রী পরিবহন সম্ভব হবে।

২০১২ সালে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটিতে (একনেক) এ প্রকল্প অনুমোদন পায়। পরে ভূমি অধিগ্রহণের বিশেষ বিধান রেখে মেট্রোরেল সংক্রান্ত আইনের খসড়ায় নীতিগত অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা।

মেট্রোরেল প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকা লাগবে, যার ১৬ হাজার ৫৯৫ কোটি টাকা দেবে জাপানের আন্তার্জাতিক সাহায্য সংস্থা জাইকা। বাকি ৫ হাজার ৩৯০ কোটি টাকা জোগাবে সরকার। ২০১৩ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি এমআরটি লাইন-৬ প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য জাইকার সঙ্গে চুক্তি সই করেছে সরকার।

পরিকল্পনার নকশা অনুযায়ী রাস্তার মাঝ বরাবর উপর দিয়ে উত্তরা থেকে শুরু করে মিরপুর-ফার্মগেইট হয়ে মতিঝিল পর্যন্ত এই রেল প্রতি চার মিনিট পরপর ১ হাজার ৮০০ যাত্রী নিয়ে ছুটে চলবে। আর এতে ঘণ্টায় চলাচল করবে প্রায় ৬০ হাজার যাত্রী।

মেট্রোরেলের ১৬টি স্টেশন হবে উত্তরা (উত্তর), উত্তরা (সেন্টার), উত্তরা (দক্ষিণ), পল্লবী, মিরপুর ১১, মিরপুর-১০ নম্বর, কাজীপাড়া, তালতলা, আগারগাঁও, বিজয় সরণি, ফার্মগেইট, সোনারগাঁও, জাতীয় জাদুঘর, দোয়েল চত্বর, জাতীয় স্টেডিয়াম এবং বাংলাদেশ ব্যাংক এলাকায়।






Related News

Comments are Closed