Main Menu

রিমান্ডের আসামি ক্রসফায়ারে যায় কীভাবে, প্রশ্ন খালেদার

কোনো অপরাধী ধরা পড়লে রিমান্ড থেকে সে জেলখানায় ফেরত যায় না, ক্রসফায়ারে চলে যায়, কীভাবে যায়? এমন প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি হোটলে আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে খালেদা জিয়া এসব কথা বলেন। বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের শরিক জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) এ ইফতার মাহফিলের আয়োজন করে।

জাগপা সভাপতি শফিউল আলম প্রধান সভাপতিত্বে মূল মঞ্চে খালেদা জিয়ার সঙ্গে ইফতার মাহফিলে অংশ নেন―বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) মোস্তফা জামাল হায়দার, ন্যাশানাল পিপপরস পার্টির(এনপিপি)চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, বাংলাদেশ ন্যাপের চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গাণি, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, ন্যাপ ভাসানীর সভাপতি অ্যাডভোকেট আজহারুল ইসলাম, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক সাঈদ আহমেদ, খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমির মজিবুর রহমান পেশওয়ারী, ইসলামিক পার্টির আবু তাদের চৌধুরী, পিপলস লীগের মহাসচিব অ্যাডভোকেট গরীবে নেওয়াজ প্রমুখ।

খালেদা জিয়া বলেন, ‘কোনো অপরাধী ধরা পড়লে সেই স্বীকার করে, জানি না সে আপরাধ করছে কী না। সেই অপরাধীকে ধরা হল জেলে নিয়ে যায়। তারপর রিমান্ডে। রিমান্ড থেকে সে জেলখানায় ফেরত যায় না, আর মা-বাবার কাছে ও ফেরত যায় না। সে সোজা চলে যায় ক্রসফায়ারে।’

তিনি বলেন, ‘এর উদ্দেশ্যটা কী সে (অপরাধী) এমন কিছু তথ্য দিয়ে দেয়, যাতে সরকার জড়িয়ে পড়বে। তাই তাকে ক্রসফায়ারে দেওয়া হয়। এই পবিত্র রামজান মাসেও ক্রসফায়ার হচ্ছে।’

সরকারের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘যারা জোর করে ক্ষমতায় বসে আছে এরা জনগণের প্রতিনিধি নয়। কোর্ট নির্দেশ নিয়েছে বিনা ওয়ারেন্টে সাদা পোশাকে কাউকে ধরতে পারে না। রাতের বেলায় কাউকে গ্রেফতার করতে পারবে না। এরা আজকে আদালতের নির্দেশ পর্যন্ত মানে না। উল্টো কোর্টকে নির্দেশ দেয় তাদের কি করতে হবে কী করতে হবে না।’

বিএনপি প্রধান বলেন, ‘দেশে কারো কোনো নিরাপত্তা নেই। আমরা এই থেকে বুঝতে পারি, মুক্তিযুদ্ধের মূল লক্ষ্য আমাদের নেই, গণতন্ত্র, ন্যায় বিচার, সকলের সমান অধিকার, মানুষের নিরাপত্তা কোনোটাই নেই।’ আজকে মনে হয়, বাংলাদেশে যিনি বসে আছেন তিনি কোনো প্রধানমন্ত্রী? না-কী অন্য কোনো মন্ত্রী হিসেবে বসে আছন কীনা? তিনি প্রধানমন্ত্রী নয়, তিনি নির্দেশ পালন করেন তাকে আর প্রধানমন্ত্রী বলা যায় না। উল্লেখ করে বিএনপি প্রধান। এসময় তিনি দেশের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ারও আহ্বান জানান।

কয়েক বছরেও সাংবাদিক সাগর-রুনি হত্যার বিচার করা হয়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এর পেছেনে নিশ্চয়ই কোনো কারণ আছে। সাগর-রুনির সত্যিকারের হত্যাকারীদের ধরা হলে সত্য জিনিস বের হয়ে আসবে। সরকারের যে অপকর্ম-চুরি দুর্নীতির যে রেকর্ড ছিল তাদের কাছে। সেটা যে তাদের (সাগর-রুনি) ল্যাপটপে ছিল। সেই ল্যাপটপ চুরি করেছে আর কোনো জিনিস চুরি করে নাই।’






Related News

Comments are Closed