Main Menu

সিলেটে তীব্র তাপদাহ অব্যাহত

গত ৫দিন ধরে সকালে রোদের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ে অসহ্য গরম। প্রচন্ড গরমে জনজীবন ওষ্ঠাগত। দুপুরে রোদের কারণে অতি প্রয়োজন ছাড়া সাধারণ লোকজন ঘর তেকে বেরুতে চান না। এতে ভরদুপুরে রাস্তাঘাট খানিকটা ফাঁকা থাকায় ব্যবসা-বাণিজ্যে নেমে এসেছে স্থবিরতা। সেই সঙ্গে বেড়েছে গরমজনিত রোগের প্রকোপ। সরকারি হাসপাতালগুলোতে শিশু ও বৃদ্ধ ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে।
জ্বর, সর্দি-কাশি, অ্যাজমা, বমি, হাঁপানি, ডায়রিয়া প্রকট আকার ধারণ করেছে। একটু স্বস্তির নিশ্বাস ফেলতে মানুষের চেষ্টার সীমা নেই। কেউ ছুটছেন বৈদ্যুতিক পাখা-এসি’র দোকানে, আবার কারও কারও ভরসা প্রকৃতির মুক্ত বাতাস ও শীতল পাটির ছোঁয়া। তীব্র তাপদাহের কারণে দিনের বেলায় লোকজনের চলাচল অন্য সময়ের চেয়ে অনেকটাই কম। জরুরি কাজ ছাড়া লোকজন বাসাবাড়ি থেকে বের হন না।
এদিকে, প্রচন্ড গরমের ফলে শিশুরা আক্রান্ত হচ্ছে বিভিন্ন রোগে। এরই মধ্যে বিদ্যুৎ আসা-যাওয়া রয়েছে। এলাকায় পথচারীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গরমে ঘরে-বাইরে কোথাও স্বস্থি নেই। অতিষ্ঠ গরমে জন-জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। শ্রমজীবী মানুষ বাইরে বের হলেই অতিরিক্ত ঘামে ক্লান্ত হয়ে পড়ছেন।
ক্লান্তি দূর করতে কেউ পান করছেন ডাবের পানি, কেউবা খাচ্ছেন শসা। তাই প্রচন্ড গরমে, আনারস, ঠান্ডা পানি আর ডাবের বিক্রি বেড়ে গেছে। লাচ্ছি জুস আর কোমল পানীয়ের ব্যবসাও বেশ জমজমাট। নগরীর ফুটপাতে খোলা জায়গায় ঠান্ডা পানি, আনারস, ডাব বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা। প্রচন্ড গরমের ফলে দিনমজুর মানুষকে পুহাতে হচ্ছে চরম দুর্ভোগ।
চিকিৎসকদের পরামর্শ হচ্ছে, সুস্থ থাকতে হলে রাস্তার ধারে ফুটপাতে খোলা জায়গায় বিক্রি করা তরমুজ, শসা, আনারস, লেবুর শরবতসহ এসব খাবার এড়িয়ে চলার পরার্মশ দেন। গরমে বাইরের খাবার খাওয়া একেবারেই উচিত নয়। গরমে সবাইকে প্রচুর পানি পানের পরামর্শ দেন। ঘরের পরিবেশ যতটা সম্ভব ঠান্ডা রাখা গেলে ডায়রিয়া ও শ্বাসজনিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কম থাকবে বলেও জানান।
সিলেট আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা অমিত হাসান জানান, শুক্রবার সিলেটে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫.৭ ডিগ্রী সেলসিয়াস। আজ শনিবার বেলা সাড়ে ১১টায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৩ ডিগ্রী সেলসিয়াস বলে জানান তিনি।






Related News

Comments are Closed