Main Menu

হত্যাকাণ্ডে আ.লীগ জড়িত : খালেদা জিয়া

চট্টগ্রামে আলোচিত পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রী হত্যাসহ সব ধরনের হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আওয়ামী লীগ এবং দলটির মিত্ররা জড়িত বলে দাবি করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

তাদের ধরে বিচারের আওতায় আনলেই প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে বলেও মনে করেন প্রাক্তন এই প্রধানমন্ত্রী।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর রমনায় সুপ্রীম কোর্ট বারের শহীদ শফিউর রহমান মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিলে তিনি এ কথা বলেন।

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৩৫তম শাহাদৎবার্ষিকী উপলক্ষে এ আয়োজন করে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম।

খালেদা জিয়া বলেন, ‘প্রতিনিয়ত গুম-খুন হচ্ছে, ক্রসফায়ারে মানুষ মারা যাচ্ছে। এইসব খুন-গুম-হত্যার সঙ্গে আওয়ামী লীগ জড়িত এবং তার সঙ্গে যারা দোসররা আছে, তারা জড়িত। কাজেই তাদের ধরলেই সব বের হয়ে যাবে। সেজন্য বিচারকদের কাছে দাবি থাকবে, আমরা আইনের শাসন চাই, সুবিচার চাই। যাতে সকলের জন্য সমান বিচার হয় অপরাধীদের শাস্তি হয়।’

দেশের দুরবস্থা নিয়ে সংসদে আলোচনা হওয়ার কথা থাকলেও বর্তমান বিরোধীদল সেই দায়িত্ব পালন করতে পারছে না মন্তব্য করে বিএনপি নেত্রী বলেন, ‘বিরোধীদল সরকারেরও আছে, বিরোধীদলেও আছে। সেজন্য পদ হারানোর ভয়ে সরকারের বিপক্ষে তারা কিছু বলছে না।’

তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের মানুষ একদলীয় শাসনের পরিস্থিতিতে পড়েছিল। এখন আবারও সেই অবস্থায় ফিরে যাচ্ছে।

লুটপাটে দেশের অর্থনীতি শেষ করে দেওয়া হয়েছে দাবি করে বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, ‘অর্থমন্ত্রী বলেছেন, পুকুর চুরি নয়, সাগর চুরি হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকে এখন ডিজিটাল কায়দায় ডাকাতি হচ্ছে। জানা গেছে ৮০০ কোটি টাকা, কিন্তু নিয়েছে আরো বেশি টাকা।’

এ সময় তিনি দাবি করেন, `প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুত্র এবং তার তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় টাকা পাচারে জড়িত- এমন প্রমাণ পাওয়া গেছে।’ জয়ের ‘দুর্নীতির তথ্য’ পাওয়ার কারণেই সাংবাদিক শফিক রেহমানকে গ্রেপ্তার করে নির্যাতন করা হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন বিএনপি নেত্রী ।

জনগণ বিএনপির পক্ষে আছে দাবি করে জনপ্রিয়তা প্রমাণে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান প্রাক্তন এই প্রধানমন্ত্রী।

সিনিয়র বিচারপতি অ্যাডভোকেট টিএইচখানের সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য রাখেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, লে. জেনারেল (অব.) মাহবুবুর রহমান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আ স ম হান্নান শাহ, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদিন, অ্যাডভোকেট মীর মোহাম্মাদ নাসির, অ্যাডভোকেট আহমেদ আজম খান, যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সহ আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী, এনডিপির চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, অ্যাডভোকেট খোরশেদ আলম প্রমুখ।

এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য অধ্যাপক এমাজউদ্দিন আহমেদ, উপ উপাচার্য আ ফ ম ইউসুফ হায়দার, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, জলবায়ু বিষয়ক সম্পাদক আফজাল এইচ খান, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, শিক্ষক কর্মচারী ঐক্য জোটের সভাপতি অধ্যাক্ষ সেলিম ভূইয়া, বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান সোহেল প্রমুখ।






Related News

Comments are Closed