Main Menu

নবীগঞ্জ কুর্শিতে রানা চৌধুরীর উপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় মামলা

নবীগঞ্জ উপজেলার ৬নং কুর্শি ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আল আমিন খান গংয়ের মারপিট হামলা ও লুটপাটের ঘটনায় অবশেষে মামলা দায়ের হয়েছে।
গত ৩ জুলাই রোববারের মারপিটের ঘটনায় মতিউর রহমান চৌধুরী বাদী হয়ে ৫ জুলাই মঙ্গলবার রাতে ৩০ জনকে আসামী করে মামলা করেছেন। মামলা নং -০৭ / ১৮৩ । ধারাঃ ৩২৩ / ৩২৪/ ৩২৫/ ৩২৬ / ৩০৭ / ৩৭৯ / ৩৮০/ ১১৪ ও ৫০৬ ।
দায়েরকৃত মামলার আসামীগন হচ্ছেন ১/ গুলেমান খান (৫০) ২/ নজরুল খান (২৮) ৩/ আলামিন খান (৩০) ৪/ হেলাল খান (৩০) ৫/ দুলাল খান (২৭) ৬/ তুহেল খান (২২) ৭/ শাহীন খান (৩০) ৮/ লাহীন (২৬) ৯/ হুছাইন (২৪) ১০/ ছুলেমান খান (৫২) ১১/ সুলতান খান (৪৫) ১২/ বকুল খান (৩০) ১৩/ আলী খান (৩৫) ১৪/ জাবরুল খান (২৪) ১৫/ লোকমান খান (২৭) ১৬/ ইমরান খান (২৪) ১৭/ কাচা খান (৫০) ১৮/ জুম্মা খান (৫০) ১৯/ ছমেদ মিয়া (৪৮) ২০/ জিল্লাদ মিয়া (৩০) ২১/ মিলাদ মিয়া (২৭) ২২/ এলাইছ মিয়া (৫৫) ২৩/ নাছির মিয়া (৩৫) ২৪/ মহসিন মিয়া (৩০) ২৫/ নজির মিয়া (৬০) ২৬/ তাহের মিয়া (৫৫) ২৭/ সমসির খান (৬০) ২৮/ গেদা খান (৬৫) ২৯/ আজম খান (৪৫) ৩০/ হিরা মিয়া (২৪) ।
মামলার পরপর আসামীরা গা ঢাকা দেয়ায় এখন পর্যন্ত কোন আসামীকে পুলিশ গ্রেফতার করতে পারেনি। বর্তমানে এলাকায় পুরুষ শূণ্য হয়ে পড়েছে।
প্রসঙ্গতঃ হবিগিঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার কুর্শি ইউনিয়নে আম / কাঠাল গাছের ফসল বিতরনের তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত ৩ জুলাই রোববার ইউপি সদস্য আল আমিন খান গংয়ের সাথে কথা কাটাকাটি হয়।
পরে ঐ দিন দুপুর ১২ টার কিছু আগে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে হাতে লাঠি-সোটা,হাসুয়া, চাপাতি, রাম-দা, ছুলপি, চাইনিজ কুড়াল, লোহার রড ইত্যাদি দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্রে সজ্জিত হয়ে দলবদ্ধ হয়ে প্রতিপক্ষের আল আমিন খানের হুকুমে তার লোকজন কর্তৃক কুর্শি বাস স্ট্যান্ডের উদ্দ্যেশ্যে বাহির হবার সময় লন্ডন প্রবাসী রানা চৌধুরীকে বেদম মারপিট করা হয়। ভিকটিম রানা চৌধুরীর আর্ত চিৎকারে স্থানীয়রা তার সাহায্যে এগিয়ে এলে প্রতিপক্ষের আল আমিন খান, নজরুল খান , দুলাল খান, হেলাল খানসহ অন্যান্য সন্ত্রাসীরা এক জোট হয়ে মারপিট করে রানা চৌধুরীর ভাই ভাতিজা’সহ ৮ জনকে গুরুতর জখম করে। গুরুতর আহতরা হলেন , লন্ডন প্রবাসী রানা চৌধুরী (৬০), তার ছোট ভাই মতিউর রহমান চৌধুরী (৫২) ও মহশিন চৌধুরী (৪৭), ভাতিজা অনিক চৌধুরী (২১) ফাহিম চৌধুরী (১৯) । আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। লন্ডন প্রবাসী রানা চৌধুরীর ছোট ভাই মতিউর রহমান চৌধুরী (৫২) ও মহশিন চৌধুরীর (৪৭),অবস্থার অবনতি হলে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
সংঘর্ষের ঘটনাটি গ্রামে ছড়িয়ে পড়লে উভয় পক্ষের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। বর্তমানে সেখানে টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে।
নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল বাতেন খান জানান, আসামী গ্রেফতারে প্রচেষ্ঠা অব্যহত রয়েছে । তবে গা ঢাকা দেয়ায় গ্রেফতার করা সম্ভব হচ্ছে না। আসামী গ্রেফতারে কোন অবহেলা করা হচ্ছে না বলেও তিনি দাবী করেন।






Related News

Comments are Closed