Main Menu

প্রতিভাবানদের খোঁজে এইচপির ট্রেনিং

দেশের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা প্রতিভাবানদের খুঁজতেই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এবার কোমর বেঁধে নেমেছে। মুস্তাফিজুর রহমান, রুবেল হোসেনদের মত তরুন দেশের সর্বত্র রয়েছে। তাদেরকে বের করতে হবে। আর এই সন্ধ্যানে দায়িত্ব দেয়া হল বিসিবির গেম ডেভেলপম্যান্টকে। একদিন পর জাতীয় দলের অনুশীলন তার আগেই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) হাই পারফর্মেন্স ইউনিটের (এইচপি) অনুশীলন শুরু করে দিয়েছে গতকাল রোববার থেকে।

প্রধান কোচ চন্দিকা হাথুরুসিংহে ছুটিতে রয়েছেন। ১৯ জুলাই তিনি দেশে ফিরে এসে জাতীয় দলের অনুশীলনে যোগ দিবেন বলে বিসিবি থেকে জানানো হয়। তবে তার আগেই কোচকে ছাড়া বিসিবির এইচপি প্রোগ্রাম শুরু করে দেওয়া হয়েছে। গতকাল প্রথমদিনে অনুশীলনে এসেছেন ২৫জন খেলোয়াড়। মূলত, তরুন ক্রিকেটার খোঁজে এই প্রোগ্রামের আয়োজন করা হয়েছে।

বিসিবির গেম ডেভেলপম্যান্টের জাতীয় ম্যানেজার নাজমুল আবেদিন ফাহিমের অধীনে এই কার্যক্রম চলবে। সোহেল রহমান, সারোয়ার ইমরান, ওাহিদুল গনি, মিজানুর রহমান বাবুল ও জাফরুল ইসলাম ২৫জন ক্রিকেটারদের নিয়ে ট্রেনিং করবেন। তবে গেম ডেভেলপম্যান্টের প্রধান কোচ সায়মন হেলমেট এইচপির এই অনুষ্ঠানে থাকছেন না। ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগ নিয়ে এই মুহূর্তে তিনি ব্যস্ত। খুব শীঘ্রই তিনি ঢাকায় ফিরবেন বলে জানিয়েছে বিসিবি।

গেম ডেভেলপম্যান্টের ম্যানেজার ফাহিম এই ট্রেনিং সম্বন্ধে বলেন, ‘খুব অল্প সময়ের জন্য এই ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হবে। প্রাথমিকভাবে খেলোয়াড়দের স্কিল নিয়ে কাজ করা হবে। কোন ক্রিকেটার কোন দিক থেকে ভালো সেটা বিবেচনায় আনা হবে। ফিটনেস নিয়েও কাজ করব আমরা। এরপর নিজেদের মধ্যে দুএকটি ম্যাচও খেলব আমরা। সবকিছু হবে ধাপে ধাপে। তবে খেলোয়াড়দের ব্যাটিং ও বোলিং নিয়ে কাজ করা হবে। কার কি দুর্বলতা তা আমরা বের করে সমাধানের চেষ্টা করব। ব্যাটিং বোলিং ছাড়াও ফিটনেসের উপরও জোর দেয়া হবে।‘

ট্রেনিং করা অবস্থায় হাথুরুসিংহে ক্যাম্পে থাকা ক্রিকেটারদের পরখ করবেন। ম্যাচের দিনও তিনি মাঠে উপস্থিত থাকবেন। এখান থেকে দুই একজন যদি অনূর্ধ্ব-১৯ কিংবা জাতীয় দলে ঢুকতে পারে তাহলে সেটাই হবে বিসিবির সফলতা। ফাহিম এ প্রসংগে বলেন, কয়েকজন ক্রিকেটারের ফিটনেস খুবই ভালো। তাদের স্কিলও অন্যদের চাইতে অনেক বেশি উন্নত। আমাদের লক্ষ্য থাকবে সেই সব ক্রিকেটারদের আলাদা করে ট্রেনিং করানো। যাতে জাতীয় দলে তারা ঢুকতে পারে। অন্তত দুই থেকে তিনমাস সময় লাগবে। আশা করছি এই ধরনের ট্রেনিংয়ে খেলোয়াড়রা খুবই উপকৃত হবে।‘






Related News

Comments are Closed