Main Menu

সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান সৈয়দ আশরাফের

দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে সবাইকে সতর্ক ও সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জনপ্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস, গুপ্তহত্যা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার প্রচেষ্টার প্রতিবাদে ওই আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘আমি কোনো রাজনৈতিক বক্তব্য দেব না। যা বলব ইশারা-ইঙ্গিতে বুঝে নেবেন। স্বাধীনতার পর স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধুকে আমরা রক্ষা করতে পারিনি। দ্বিতীয়বার যাতে ওই ধরনের ঘটনা ঘটতে না পারে, সে জন্য আমাদের সতর্ক থাকতে হবে।’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন, স্বাধীনতার পরপর স্বাধীনতার স্থপতিকে পরিবার-পরিজনসহ হত্যা করার ঘটনা পৃথিবীর ইতিহাসে নেই। তিনি বলেন, ‘বাঙালি যেমন বীরের জাতি, তেমনি বেইমানের জাতি। তাই আমাদের সজাগ থাকার প্রয়োজন আছে। মনে মনে প্রস্তুতি রাখারও প্রয়োজন আছে।’

অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য সরকারের নেওয়া নানা উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এ বছর থেকেই মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা ১০ হাজার টাকা করা হয়েছে। এ বছর থেকেই মুক্তিযোদ্ধারা দুটি উৎসব বোনাস পাবেন, যার পরিমাণ ২০ হাজার টাকা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সোমবারই এ বিষয়ে অনুমোদ দিয়েছেন বলে মন্ত্রী জানান। শিগগিরই মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা যাচাই-বাছাই করে সবাইকে চূড়ান্ত সনদ ও পরিচয়পত্র দেওয়ার কথাও জানান মন্ত্রী। পাশাপাশি যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকাও যাচাই-বাছাই করার কথা তুলে ধরেন তিনি।

আরেক বিশেষ অতিথি নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদবিরোধী যে জাতীয় ঐক্য গড়ে উঠেছে, মুক্তিযোদ্ধারা সেটাকে আরও সুদৃঢ় করবে। জাতীয় কনভেনশন করে সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিয়ে এ ঐক্যকে সামনে এগিয়ে নেওয়া হবে।

মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হেলাল মোর্শেদ খানের সভাপতিত্বে এ আলোচনা সভায় দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা মুক্তিযোদ্ধারা বক্তব্য দেন। আলোচনা সভা শেষে মিছিলসহ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের শিখা চিরন্তনে গিয়ে শপথ নেন মুক্তিযোদ্ধারা।

এর আগে সকালে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের জাতীয় নির্বাহী কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়। কাউন্সিলে সংসদদের গঠনতন্ত্রের বিভিন্ন ধারা-উপধারা পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে সংসদের কমিটির মেয়াদ তিন বছরের পরিবর্তে পাঁচ বছর করা।






Related News

Comments are Closed