Main Menu

খুনি ওবায়দুলকে ধরিয়ে দিতে সরব ফেসবুক

রিশার খুনি বখাটে ওবায়দুলকে ধরিয়ে দেয়ার দাবিতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সোচ্চার হয়েছে সর্বস্তরের মানুষ। রিশার ওর হামলার ঘটনা সংবাদপত্রে জানার পর থেকে ফেসবুকে শুরু হয় নিন্দার ঝড়। রিশার মৃত্যুর পর এখন তার খুনিকে ধরিয়ে সরব হয়েছে ফেসবুক প্রজন্ম।

গত বুধবার স্কুল ছুটি শেষে বাসায় ফেরার পথে বখাটে ওবায়দুল ছুরিকাঘাত করে উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুলের শিক্ষার্থী রিশা। গুরুতর আহত রিশা রোববার মারা যায়।

এরপর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক স্ট্যাটাসে ঘাতকের ছবি দিয়ে তাকে ধরিয়ে দিতে অনুরোধ করেছেন শহীদ আলতাফ মাহমুদের মেয়ে শাওন মাহমুদ। তিনি লিখেছেন, ‘জঙ্গীর আরেক রূপ। ছড়িয়ে দিন ওবায়দুল খান নামে এই হত্যাকারীর ছবিটি। ওবায়দুল খান ইস্টার্ন মল্লিকা মার্কেটের বৈশাখী টেইলার্সে কাটিং মাস্টারের কাজ করতো। ছয় মাস আগে রিশার স্কুল ড্রেস বানানোর সময় ক্যাশমেমোতে উল্লেখ করা তার মোবাইল নম্বর ও বাসার ঠিকানার সূত্র ধরে ওবায়দুল খান তাকে প্রায়ই উত্যক্ত করতো। এক পর্যায়ে রিশা তার মোবাইল ফোন বন্ধ করে দেয়। এরপর সে প্রায়ই রিশার বাসার আশেপাশে থেকে তাকে বিরক্ত করতো। ২৪ অগাস্ট দুপুরে স্কুল থেকে ফেরার সময় তাকে ছুড়ি দিয়ে পেটে ও হাতে প্রচন্ড রকমের আঘাত করে এই ওবায়দুল খান। আজ ২৮ অগাস্ট ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে আহত রিশা মৃত্যবরণ করে।

এ ঘটনায় রিশার মা তানিয়া আহমেদ বাদী হয়ে রমনা থানায় একটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকে ওবায়দুল পলাতক। পুলিশ তাকে এখনো গ্রেফতার করতে পারেনি। একে ধরিয়ে দিন’।

একইভাবে সাংবাদিক মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল রিশার ওপর হামলাকারী ওবায়দুলের ছবির ওপর ‘ওয়ান্টেড’ লিখে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, ‘এই দুর্বৃত্ত ঘাতক খুন করেছে আমাদের কিশোরীকন্যা, স্কুল ছাত্রী রিশাকে । একে ধরিয়ে দিন । সবাই নজর রাখুন, কোন ফাঁক গলে সে যাতে পালাতে না পারে । সবাই শেয়ার করুন’।

একটি রেডিও স্টেশনের উপস্থাপক ইকবাল বাহার তার পোস্টে লিখেছেন, ‘ভালোবাসা কাকে বলে ? ইভটিজিং করে, ছুরি মেরে, খুন করে, জোর করে ভালোবাসা আদায়? বাহ কুলাঙ্গার বাহ!!! ক্ষমা করো বোন রিশা। এই হিংস্রতা থেকে আপনার আমার পরিবার কতটা নিরাপদ? শাস্তি হউক বা না হউক এই কুলাঙ্গার ওবায়েদ কে ধরিয়ে দিন – ফেসবুক এর লাখো নিবেদিত সংবাদ কর্মীরা’।

জাস্টিস ফর রিশা নামে এরই মধ্যে অনেকগুলো পেজ খোলা হয়েছে ফেসবুকে। তার একটিতে লেখা হয়েছে, ‘৮ম শ্রেনীর ছাত্রী সুরাইয়া আক্তার রিশা। বয়স মাত্র ১৪ বছর।তারই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে রক্তাক্ত করে যাবে হায়েনারা আর আমরা ঘরে বসে থাকবো? না, এটা হতে পারে না।

আজকে রিশা।কাল হয়তো আপনার বোন।এখনই সময় প্রতিবাদ করার’।






Related News

Comments are Closed