Main Menu

আজ রাতেই মীর কাসেমের ফাঁসি !

একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধে জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীর মৃত্যুদণ্ড আজ রাতেই কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।গাজীপুর জেলা পুলিশ সুপার হারুন অর রশিদের নিকট দণ্ড কার্যকরের বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আজ রাতেই সম্ভাবনা রয়েছে।

কারাসূত্র জানায়, আজ রাত সাড়ে ১০টা থেকে সাড়ে ১১টার মধ্যে মীর কাসেমের ফাঁসি কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ-সংক্রান্ত নির্বাহী আদেশ কারাগারে পৌঁছেছে। ইতিমধ্যে ফাঁসি কার্যকরের যাবতীয় প্রস্তুতি শেষ হয়েছে।

এর আগে, মীর কাসেম আলীর ফাঁসি কার্যকরের নির্বাহী আদেশ গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে পৌঁছেছে। আজ শনিবার বেলা ২টার দিকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার ২ এ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এ আদেশ পৌঁছায়।

এদিকে, মীর কাসেমের সঙ্গে শেষবারের মতো দেখা করতে বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে ছয়টি মাইক্রোবাসে করে তার পরিবারের ৪৫ সদস্য কারাফটকে পৌঁছেন। এর পাঁচ মিনিট পর কারা কর্তৃপক্ষ সবাইকে কারাগারে প্রবেশের অনুমতি দেয়।

আজ সকাল থেকেই কাশিমপুর কারাগারের চারপাশে এবং বিশেষ করে কারাফটকের সামনে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পোশাকে ও সাদা পোশাকে কাজ করছেন গোয়েন্দারা। কারাফটকেও তল্লাশি করে নিয়মিত দর্শনার্থীদের ভেতরে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে।

এরই মধ‌্যে কারাগারের প্রধান ফটক থেকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের সংযোগ সড়ক এলাকা পর্যন্ত র‌্যাব, পুলিশ, গোয়েন্দা পুলিশের টহল ও নজরদারি বাড়ানো হয়।

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার (৩০ আগস্ট) রাত ১২টা ৪৮ মিনিটে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মীর কাসেম আলীর রিভিউ খারিজ সংক্রান্ত রায়ের কপি কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ এ পৌঁছে। তবে রাত বেশি হওয়ায় তাকে তা পড়ে শোনানো হয়নি।

বুধবার সকাল সাড়ে ৭টায় আনুষ্ঠানিকভাবে তা পড়ে শোনানো হয়। এরপর প্রাণভিক্ষার বিষয় জানাতে সময় চান মীর কাসেম। রাষ্ট্রপতির কাছে তিনি প্রাণ ভিক্ষা চাইবেন না বলে গতকাল তিনি জানি দিয়েছেন।

মীর কাসেম গ্রেফতারের পর ২০১২ সাল থেকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের ফাঁসির কনডেম সেলে বন্দি। ২০১৪ সালের আগে তিনি এ কারাগারে হাজতবাসকালে ডিভিশনপ্রাপ্ত বন্দির মর্যাদায় ছিলেন। ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ার পর তাকে কনডেম সেলে পাঠানো হয়।

মীর কাসেম আলীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হলে এটিই হবে কাশিমপুর কারাগারে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে কার্যকর হওয়া প্রথম মৃত্যুদণ্ড।

এর আগে মানবতা বিরোধী অপরাধের দায়ে সবগুলো মৃত্যুদণ্ডই কার্যকর করা হয়েছে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে, যেটিকে কদিন আগেই পরিত্যক্ত ঘোষণা করে সরকার।






Related News

Comments are Closed