Main Menu

আত্মসমর্পণের পর কারাগারে এমপি আমানুর

টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলার পলাতক আসামি সরকার দলীয় সাংসদ আমানুর রহমান খান রানাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এমপি রানা টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন।

শুনানি শেষে আদালতের বিচারক আবুল মনসুর মিয়া জামিন আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি জেলা আওয়ামী লীগ নেতা ফারুক আহম্মেদকে শহরের কলেজপাড়ায় নিজ বাসার সামনে গুলি করে হত্যা করা হয়। এর দু’দিন পর তার স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল মডেল থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে মামলাটি জেলা গোয়েন্দা পুলিশে হস্তান্তর করা হয়।

আদালত সূত্রে জানা যায়, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোলাম মাহফিজুর রহমান হত্যাকাণ্ডে সাংসদ রানার সম্পৃকতা পান। পরে ওই বছর ১১ আগস্ট সাংসদের দেহরক্ষী আনিসুল ইসলাম ওরফে রাজাকে গ্রেফতার করা হয়। ২৭ আগস্ট টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শাহাদত হোসেনের আদালতে সে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। জবানবন্দিতে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ২৪ আগস্ট আরেক আসামি মোহাম্মদ আলীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ওই বছর ৫ সেপ্টেম্বর সেও আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। বিচারক শেখ নাজমুন নাহার জবানবন্দি নথিভুক্ত করেন।

জবানবন্দিতে মোহাম্মদ আলী জানায়, সাংসদ রানা, তার তিন ভাই এবং আরও তিনজন ফারুক আহম্মেদকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। আনিসুলও জবানবন্দিতে ফারুক হত্যায় সাংসদ রানা ও তার তিন ভাইয়ের সম্পৃক্ততার কথা জানায়। মামলায় ৩৩ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।






Related News

Comments are Closed