Main Menu

মিরপুরে যেভাবে অভিযান পরিচালিত হয় (ভিডিও)

শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশের অতিরিক্তি আইজিপি মুখলেসুর রহমান অভিযান নিয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করার সময় এসব কথা বলেন, পুলিশের জঙ্গিবিরোধী অভিযান প্রতিনিয়ত চলছে। পুলিশ দিবারাত্রি জঙ্গিবিরোধী অভিযান পরিচালনার চেষ্টা করছে। এখানে যে সংবাদ পাচ্ছি, সে সংবাদের উপর ভিত্তি করে অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।

রাজধানীর মিরপুরের রূপনগরে জঙ্গিবিরোধী অভিযানে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মুরাদ নামে জেএমবির শীর্ষস্থানীয় এক নেতা নিহত হয়েছেন। এসময় রূপনগর থানার ওসি শহীদ আলমসহ তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।

অতিরিক্তি আইজিপি বলেন, শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টা থেকে পৌনে ৯টার মধ্যে এখানে একটি জঙ্গি অভিযান পরিচালিত হয়েছে। সুনির্দিষ্ট পুলিশ ইন্টিলিজেন্সের উপর নির্ভর করে রূপনগর থানা পুলিশ এ অপারেশনটি পরিচালনা করে।

পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার মোহাম্মদ ছানোয়ার হোসেন জানান, মিরপুরের ওই বাসাটি ভাড়া নেয়া ছিল মুরাদের। নারায়ণগঞ্জের অভিযানে আগে থেকেই তার এ বাসায় যাতায়াত ছিল। কিন্তু সেখানে অভিযানের পর সে আর এ বাসাতেও আসতো না। একপর্যায়ে বাড়ির কেয়ারটেকার শফিককে বলা হয়, ভাড়াটিয়া (মুরাদ) আসলে তিনি যেনো পুলিশকে খবর দেন। কারণ তার মালামাল ওই বাসায় ছিল। প্রয়োজনীয় এসব মালামাল নিতে আসলেই তাকে গ্রেফতারের ফাঁদ তৈরি করে পুলিশ।

এ অভিযানের একদিন আগে বৃহস্পতিবারও পুলিশ সেখানে ছদ্মবেশে যায়। পুলিশের টিম বেশকিছু সময় অতিবাহিত করে। কিন্তু মুরাদ মালামাল নিতে আসে না। শুক্রবার সারাদিনও বাসাটি তালাবদ্ধ থাকে।

সন্ধ্যায় মুরাদ এ বাসায় আসলে বাড়ির কেয়ারটেকারকে ঘটনাটি জানায় দারোয়ান। পরে কেয়াটেকার মুরাদকে দেখতে পান। তিনি বাসার ভেতরে গিয়ে দেখেন, মুরাদ তাড়াহুড়া করছে। বাড়ির কেয়ারটেকার ভেতরে তাকে আটকে রেখে বাইরের দরজায় তালা লাগিয়ে পুলিশে খবর দেন। এরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে যায়।

পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তালা খুলে বাসায় ঢুকতে গেলে মুরাদ পুলিশ সদস্যদের আঘাত করে। ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে পালাতে গেলে পুলিশ গুলি চালায়। এতেই নিহত হয় মুরাদ।






Related News

Comments are Closed