Main Menu

সিটিসেল গ্রাহকদের অপারেটর বদলের বিজ্ঞপ্তি আদালতে স্থগিত

সিটিসেল গ্রাহকদের বিকল্প সেবা গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) দেওয়া বিজ্ঞপ্তি স্থগিত করেছেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত। সিটিসেলের করা এক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে বৃহস্পতিবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী ও বিচারপতি মো. আতাউর রহমান খানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

বিটিআরসির ওই বিজ্ঞপ্তি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রতি রুলও জারি করেছে আদালত। আদালতে সিটিসেলের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মোস্তাফিজুর রহমান খান। অপরদিকে বিটিআরসির পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার খন্দকার রেজা-ই-রাকিব।

গত ৩১ জুলাই সিটিসেলের গ্রাহকদের উদ্দেশে এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে বিটিআরসি। এতে দুই সপ্তাহের মধ্যে বিকল্প সেবা গ্রহণের জন্য সিটিসেল গ্রাহকদের আহ্বান জানানো হয়। পরবর্তীতে ১৭ আগস্ট আরও দুই সপ্তাহ সময় দিয়ে আরও একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে বিটিআরসি।

বিটিআরসির লিগ্যাল অ্যান্ড লাইসেন্সিং বিভাগের পরিচালক (লাইসেন্সিং) এম. এ. তালেব হোসেন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্ণিত অবস্থায় পিবিটিএল (সিটিসেল) এর গ্রাহকগণসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে বিকল্প সেবা গ্রহণের জন্য আগামী ১৬ আগস্ট পর্যন্ত সময় দেওয়া হলো।

উল্লেখ্য, ১৯৮৯ সালে বিটিআরসি থেকে লাইসেন্স পায় সিটিসেল। বর্তমানে ৩৭ দশমিক ৯৫ শতাংশ শেয়ারের মালিক বিএনপি নেতা সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এম মোরশেদ খানের মালিকানাধীন প্যাসিফিক মোটরস। সিংগাপুরের সিংটেল এশিয়া প্যাসিফিক ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের হাতে রয়েছে ৪৫ শতাংশ। এছাড়া ১৭ দশমিক ৫১ শতাংশ শেয়ার রয়েছে ফারইস্ট টেলিকম লিমিটেডের হাতে।

সবচেয়ে পুরনো এবং দেশের একমাত্র সিডিএমএ মোবাইল ফোন অপারেটরটি প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকম লিমিটেড নামে ব্যবসা করে আসছে। বিটিআরসি’র সর্বশেষ জুন মাসের হিসেবে দেশে ছয়টি মোবাইল ফোন অপারেটরের মোট গ্রাহক সংখ্যা ১৩ কোটি ১৩ লাখ ৭৬ হাজার; যার মধ্যে সিটিসেলের গ্রাহক মাত্র ৭ লাখ ২ হাজার।






Related News

Comments are Closed