Main Menu

আওয়ামী লীগের সম্মেলন ঘিরে উৎসবের আমেজ

আগামী ২২ ও ২৩ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় কাউন্সিল। চলছে জোর প্রস্তুতি। এ জন্য গোটা রাজধানীতে সাজসাজ রব। সম্মেলনে অংশ নেবেন ১৩,১৪০ কাউন্সিলর ও ডেলিগেট। ইতিমধ্যে এদের অনেকেই রাজধানীতে আসতে শুরু করেছেন।

সম্মেলন ঘিরে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও আশপাশের সড়ক প্রস্তুত করা হচ্ছে। সম্মেলন উপলক্ষে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোকেও সাজানো হচ্ছে রঙিন সাজে। রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানেও কাউন্সিলকে কেন্দ্র করে চলছে জোর প্রস্তুতি।

সম্মেলন সফল করার বিষয়ে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, আওয়ামী লীগের এই সম্মেলন হবে ইতিহাসের অংশ। আমরা ইতিহাস সৃষ্টি করতে চাই। ইতিমধ্যে সারা দেশের বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের মধ্যে জাগরণ তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, সম্মেলনকে সফল করে তুলতে দলের নেতাকর্মীরা কাজ করে যাচ্ছেন।

সম্মেলনের সার্বিক নিরাপত্তার বিষয়টি দেখভালের জন্য মঞ্চ ও প্যান্ডেলের দক্ষিণ পাশে থাকবে ঢাকা মহানগর পুলিশের নিরাপত্তা কন্ট্রোল রুম। সেখান থেকে সম্মেলনের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হবে। এজন্য পুরো সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ভেতর ও আশপাশে ইতোমধ্যে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা বসানো হচ্ছে। নিরাপত্তার বিষয়ে ইতিমধ্যে দায়িত্ব পালন শুরু করেছে পুলিশ বাহিনী। কলাবাগন থানার এসআই (উপ-পরিদর্শক) সাইফুল ইসলাম বলেন, আওয়ামী লীগের সম্মেলনকে কেন্দ্র করে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও তার আশপাশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

পুলিশ কন্ট্রোল রুম থেকে পুরো সম্মেলনের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হবে। জানা গেছে, সম্মেলনকে কেন্দ্র করে স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতাকর্মীরাও শৃঙ্খলা বজায় রাখা ও সম্মেলনে আসা বিভিন্ন অতিথিদের দেখাশুনা করবেন। এজন্য মঞ্চের পেছনে পূর্বদিকে স্বেচ্ছাসেবক ও শৃঙ্খলা উপ-কমিটির অস্থায়ী দপ্তর খোলা হয়েছে। স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় ও ঢাকা মহানগরের নেতৃবৃন্দ জানান, তাদেরকে শীর্ষ পর্যায় থেকে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। তাই এখন থেকেই তারা প্রস্তুতি শুরু করেছেন। এজন্য তারা কাজ করছেন বলে জানান স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পঙ্কজ দেবনাথ।

জানা গেছে, কাউন্সিলর ও ডেলিগেটদের থাকার জন্য এরই মধ্যে রাজধানীর বিভিন্ন হোটেলে বুকিং দেয়া হয়েছে। চলছে মঞ্চ ও প্যান্ডেলসহ সাজসজ্জার চূড়ান্ত কাজ। মৎস্যভবন অভিমুখী ও শাহবাগ শিশুপার্ক সংলগ্ন মূল প্রবেশদ্বারসহ উদ্যানের প্রত্যেকটি প্রবেশমুখ সাজানো হয়েছে মনোরম সাজে। উদ্যানসহ আশপাশের সড়কগুলোতে থাকছে আলোকসজ্জা। উদ্যানের পূর্ব-দক্ষিণ কোণে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রতীক নৌকার আদলে তৈরি হচ্ছে বিশাল মঞ্চ। মঞ্চ নির্মাণের কাজ দু-একদিনের মধ্যেই শেষ হবে। মঞ্চের সামনেই তৈরি করা হয়েছে বিশাল প্যান্ডেল। ইতিমধ্যে প্যান্ডেল নির্মাণের কাজ প্রায় শেষ হয়েছে।

আওয়ামী লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক মৃনাল কান্তি দাস বলেন, বিশাল এই প্যান্ডেলে ২৫০০০ হাজার নেতাকর্মী বসতে পারবেন। এর বাইরেও সাংবাদিক, বিভিন্ন দেশের অতিথি, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা, দলের সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতীম বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীদের জন্যও থাকবে আলাদা আলাদা কর্নার। তিনি বলেন, অতিথিদের খাবারের ব্যবস্থা থাকবে। কাউন্সিলে ১৩,২০০ কাউন্সিলর ও ডেলিগেট অংশ নেবেন। তাদের খাবার ব্যবস্থা করা হবে। এ ছাড়া কাউন্সিলর ও ডেলিগেটদের থাকার জন্য যার যার জেলার শীর্ষ নেতারা ব্যবস্থা করবেন। ইতিমধ্যে রাজধানীর অনেক হোটেলেই তাদের থাকার জন্য বুকিং দেয়া হয়েছে।

ঢাকা মহানগর (দক্ষিণ) স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান ইরান বলেন, সম্মেলনেক কেন্দ্র করে শীর্ষ পর্যায় থেকে নির্দেশনা পেয়েছি। আমরা রাতদিন কাজ করছি। সোহরাওয়ার্দীই এখন আমাদের ঘরবাড়ি।






Related News

Comments are Closed