Main Menu

কাশ্মীরে বিএসএফের টহলে গ্রেনেড হামলা

জম্মু ও কাশ্মীরে ভারতের আধা-সামরিক বাহিনীর টহলদলের ওপর গ্রেনেড হামলা হয়েছে।টহলদলের ওপর হামলার পরপরই সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। মঙ্গলবার দক্ষিণ কাশ্মীরের সোপিয়ান শহরে এ হামলার ঘটনা ঘটে। এতে সাতজন বেসামরিক নাগরিক ও এক জওয়ান আহত হয়েছে বলে খবর দিয়েছে এনডিটিভি।

গতকাল সোমবার ভোরে জম্মু ও কাশ্মীরের রাজধানী শ্রীনগর থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরে পাম্পারে একটি সরকারি ভবনে হামলার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই সোপিয়ানে এই হামলা হল। পাম্পারে এন্টারপ্রেনারশিপ ডেভেলপমেন্ট ইন্সটিটিউটে (ইডিআই) দুই থেকে চারজন হামলাকারী ঢুকে পড়ে। এরপর গোলাগুলির সময় সেখানে আগুন ধরে যায়। এতে ভবনটির একাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এক সৈন্য আহত হয়।ভোর সাড়ে ৬টার দিকে পেছন দিকের ঝিলম নদী থেকে নৌকায় করে হামলাকারীরা সাততলা ভবনে ঢোকে।

চলতি বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি একই ভবনে আত্মঘাতী হামলার চেষ্টা হয়েছিল। পরে ৪৮ ঘণ্টার সেই অভিযানে এক কর্মকর্তাসহ দুই সৈন্য, অফিসের এক কর্মকর্তা ও তিন হামলাকারী নিহত হয়।

বেশ কয়েক মাস ধরে কাশ্মীর উপত্যকা মৃত্যুকূপে পরিণত হয়েছে। গত জুলাই থেকে এখানে বিক্ষোভ-সংঘর্ষে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যসহ ৮০ বেসামরিক নাগরিক নিহত ও সহস্রাধিক আহত হয়েছে।

এর মধ্যে গত ১৮ সেপ্টেম্বর কাশ্মীরের উরিতে হামলায় ১৯ ভারতীয় সৈন্য নিহত হয়। এরপর বারমুল্লায় আরেক হামলায় এক বিএসএফ জওয়ান নিহত ও অপর এক সেনা সদস্য আহত হয়।

এসব হামলার জন্য ভারত পাকিস্তানকে দায়ী করলেও তারা তা অস্বীকার করে আসছে। এ নিয়ে পরমাণু শক্তিধর প্রতিবেশী দু’দেশের মধ্যে যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছে। সীমান্তে একাধিকবার উভয় দেশের সেনা বাহিনীর মধ্যে গুলি বিনিময় হয়েছে।






Related News

Comments are Closed