Main Menu

টাইগারদের আফসোসের পরাজয়

জয়ের পথে থাকলে বড় শট না খেলে সিঙ্গেলের দিকে নজর দিতে হয়-সাকিবের মুখে এই কথা এখন প্রায়ই শোনা যায়। সেই সাকিব (৫৫ বলে ৭৯) ইমরুলের সঙ্গে ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা ইনিংস খেলে খেই হারালেন। ইমরুল ১১২ রানের পর ‘ডাউন দ্য ট্রাকে’ এসে ক্লান্তি নিয়ে সাজঘর ধরেন। সাকিব ফিরতেই ‘তাসের ঘর’ হয়ে ধসে যায় ব্যাটিং লাইনআপ। শেষ পর্যন্ত ৩০৯ রানের কঠিন সাগর পাড়ি দিতে যেয়ে ২১ রান দূরে ডুবে যায় তরি।

তামিম (১৭), সাব্বির (১৮), মুশফিক (১২), রিয়াদ (২৫) ফিরে যাওয়ার পর মনে হচ্ছিল বাংলাদেশ অসহায় আত্মসমর্পণ করবে। সেই ধারণা ভুল প্রমাণ করেন ছয় বছর পর সেঞ্চুরি করা ইমরুল। তাকে সঙ্গে দেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব। সাকিব যখন সাজঘর ধরেন তখন দলীয় স্কোর ৫ উইকেটে ২৭১। জয় হাতের নাগলে। তরুণ অলরাউন্ডার মোসাদ্দেক এসেই বোল্ড হন। এরপর অনেক ঝড় দেখা মাশরাফিও রশিদের লেগ স্পিন লেটকাট করতে যেয়ে পেছনে ধরা পড়েন। ম্যাচ হেলে পরে ইংলিশদের দিকে।
আফগানিস্তানের বিপক্ষে ব্যাটিংয়ে তালগোল পাকানো মোশাররফ যখন ইমরুলের সঙ্গে এসে যোগ দেন, তখন বাংলাদেশের দরকার ৩৯ বলে ৩৩। ইমরুল ফিরে যাওয়ার পরপর বিদায় নেন শফিউল। তারপর শুধু সময় পার করেন তাসকিন-মোশাররফ।

এর আগের গল্পটা বাজে ফিল্ডিংয়ের, আরো সহজ করে বললে ক্যাচ মিসের মহড়ার। স্টোকস দুইবার জীবন পেয়ে সেঞ্চুরি করে বেরিয়ে যান। ডাকেটও দুইবার মরতে চেয়ে দুইবারই বাঁচেন। তিনি ফেরেন অর্ধশতকের পর, ৭৮ বলে ৬০। এছাড়া বেশ কয়েকটি সিঙ্গেলও বেরিয়ে যায় যার কল্যাণে টস জিতে আগে ব্যাটে করে বাংলাদেশের সামনে ‘ভয়ে’র স্কোর দাঁড় করায় ইংল্যান্ড, ৩০৯।

এদিন শুরুতে বেশ সাবধানী ব্যাটিং করছিলেন দুই ইংলিশ ওপেনার জেমস ভিঞ্চ এবং জ্যাসন রয়। সেই সঙ্গে সমানতালে রানও তুলছিলেন। প্রথম ৫ ওভারে দুজনে ২৯ করে ফেলেন। অষ্টম ওভারে এসে ভিঞ্চকে থামান শফিউল (১৬)।

ওভারের দ্বিতীয় বলে শফিউলকে সোজা ব্যাটে খেলতে চেয়েছিলেন ভিঞ্চ। কিন্তু শট খেলার জন্য বলটি বেশ শর্ট ছিল। ব্যাটের উপরের দিকে লেগে চলে যায় মিডঅনে দাঁড়ানো মাশরাফির হাতে।

বোলিংয়ের গোড়াপত্তন করতে এসেছিলেন অধিনায়ক মাশরাফি। প্রথম ওভারে দিয়ে যান ৫। রয় এই ওভারেই আভাস দেন মেরে খেলার। দুটি বাইরের বলেই পা নিয়ে চালিয়েছিলেন। কিন্তু নাগাল পাননি।

শফিউলকে নিয়ে প্রথম চার ওভার শেষ করেন অধিনায়ক। উইকেটের দেখা না পাওয়ায় স্মরণ করেন সাকিব আল হাসানকে। পঞ্চম ওভারে পঞ্চম বলে ভিঞ্চকে কিছুটা বিব্রত করতে সমর্থ হন তিনি। শর্ট লংঅফে ক্যাচের মতো বলে নিজেই এক হাত দিয়েছিলেন। কিন্তু মাটি ছুঁয়ে যায় হাত।

১২তম ওভারের দ্বিতীয় বলে ডাউন দ্য ট্রাকে এসে বড় শটে গিয়েছিলেন রয়। টাইমিংয়ের অভাব ছিল। বাউন্ডারি লাইনে ঠাণ্ডা মাথায় বল তালুবন্দি করেন সাব্বির।






Related News

Comments are Closed