Main Menu

পূজা দেখতে পুরান ঢাকার মণ্ডপে মণ্ডপে মানুষের ভিড়

দুর্গতিনাশিনী দেবী দুর্গার বোধনের মধ্য দিয়ে শুক্রবার শুরু হয়েছে বাংলার সনাতন ধর্মাল্বমীদের সব চেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গা পূজা। ষষ্ঠীর মধ্যে দিয়ে পূজা আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলেও শনিবার মহাসপ্তমীতে ষোড়শ উপাচারে অর্থাৎ ষোলটি উপাদানে দেবীর পূজা হচ্ছে।

পূজার এ আয়োজনকে সামনে রেখে সাড়ম্বরের মাত্রাটা অনেকে বেড়ে গেছে। বাহারি পোশাক পড়ে শিশু থেকে বৃদ্ধ পূণ্যর্থীরা পুরান ঢাকার আশে পাশের শাঁখারী বাজার, তাঁতীবাজার, লহ্মীবাজেরের মণ্ডপে মণ্ডপে সমাগম হচ্ছেন।

শরতের প্রভাতে পূজার নৈবেদ্য, ধুপের গন্ধ, শঙ্খনাদ, কাঁসার শব্দ মিলে এক অদ্ভুত আবেশ সৃষ্টি হয়েছে মণ্ডপের আশপাশে। সঙ্গে মণ্ডপে মণ্ডপে ঢাকের বোলে যেন ধ্বনিত হচ্ছে বাঙালি হিন্দুর হৃদয়তন্ত্রীকে বাঁধভাঙ্গা আনন্দের জোয়ার। এর সঙ্গে বাহারি পণ্যের অস্থায়ী দোকানগুলো শিশু ও নারীদের আনন্দের মাত্রা দিয়েছে বাড়িয়ে।

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পাশাপাশি নানা ধর্ম-বর্ণের মানুষ দল বেঁধে পূজা দেখতে আসছে। উৎসব প্রিয় বাঙালি মেতে ওঠে পূজার আনন্দে। সকাল থেকেই মণ্ডপগুলোতে দর্শনার্থীদের ভিড় বাড়তে থাকে।

পুরান ঢাকার পিসি ব্যানার্জী লেন মোড়ে টেকনাফ থেকে পূজা দেখতে আসা দর্শনার্থী আইসিডিডিআরবির ফিল্ড রিসার্চ সুপারভাইজার অমিত বণিক বলেন, পূজা মণ্ডপে এসে অনেক ভাল লাগছে। প্রতিটি মণ্ডপে মায়ের আগমনী সুর বাজছে। সেই সুর মনের মাধুরীর সঙ্গে মিশে স্মৃতিপটে ভেসে ওঠেছে। পুরান ঢাকার একরামপুর পূজা মণ্ডপ, হৃষিকেশ পূজা মণ্ডপ, নবদিগন্ত মণ্ডপ ঘুরে দেখেছি।

শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়রে শিক্ষার্থী পুরান ঢাকায় পূজা দেখতে আসা মানস কীর্ত্তনীয়া নয়ন জানান, রাজনৈতিক ব্যস্ততা ও পড়াশুনার কারণে এবারই প্রথম বাড়িতে যাওয়া হচ্ছে না। মা-বাবা ও দিভাইয়ের সঙ্গে যোগাযোগে মুঠোফোনই একমাত্র ভরসা।।
সকালে বন্ধুদের সঙ্গে পুজো মণ্ডপে গিয়েছি।পুজোর পাশাপাশি আড্ডা, গল্প, গান ও করব রাতে। ঢাকেশ্বরী মন্দির, কৃষিবিদ ইন্সিটিউশন, জগন্নাথ হল ও রমনা মন্দিরেই বেশিরভাগ যাওয়া হবে।তবে কলাবাগান, বনানী ও শাঁখারিবাজার যাওয়ার ইচ্ছে আছে।শত ব্যাস্ততার মাঝে মাকে দেখতে পাবো এটাই বড় পাওয়া।

বাবার সঙ্গে পূজা দেখতে আসা আট বছর বয়সী অনিরুদ্ধ সরকার ক্রিশ বলেন, অনেক ভাল লাগছে। মেলায় ঘুরে অনেক খেলনা কিনেছি।বাবা আমাকে বেলুন কিনে দিয়েছেন।






Related News

Comments are Closed