Main Menu

সম্পর্ক জোরদারের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ঢাকা ছাড়লেন জিনপিং

৩০ বছর পর চীনা কোনো প্রেসিডেন্ট হিসেবে গতকাল ঢাকায় পা রাখেন শি জিনপিং। ২২ ঘণ্টার ঝটিকা সফরে দেখা করেছেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ, বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে। প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন দু’দেশের সম্পর্ক আরো জোরদারের।

শুক্রবার দুপুরের দিকে ঢাকায় পৌঁছানোর পর ব্যস্ত দিন পার করেছেন শি জিনপিং। শনিবার সকালে ঐতিহাসিক এ সফরের শেষ কর্মসূচি হিসাবে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে গিয়ে একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি।

তারপর সকাল ১০টা ২০ মিনিটের দিকে ভারতের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ে তাকে বহনকারী বিমানটি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে শি জিনপিংকে বিদায় জানান। সেখানে ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেবেন তিনি।

এর আগে শুক্রবার (১৫ অক্টোবর) ১১টা ৪০মিনিটে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও তার সফরকারীরা ঢাকায় পৌঁছান। রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের ভিভিআইপি টার্মিনালে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় অভ্যর্থনা জানান।

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের বাংলাদেশ সফরের সময় দুই দেশের মধ্যে ২৭টি চুক্তি হয়েছে। জিনপিং ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বৈঠকের পর পররাষ্ট্র সচিব এম শহীদুল হক জানান, ২৭টি চুক্তির মধ্যে ১৫টি দুই সরকারের মধ্যে এবং ১২টি ঋণ ও বাণিজ্য বিষয়ক।

শুক্রবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে এসব চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এসময় ৬টি প্রকল্পের উদ্বোধনও করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে শি জিনপিং এর বৈঠকে যেসব বিষয়ে ঐক্যমত হয় সেসবের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: জ্বালানি, আইসিটি এবং কৃষিসহ অন্যান্য উৎপাদনশীল খাতে সহযোগিতা, সমুদ্রসীমা এবং জঙ্গিবাদ বিরোধী কার্যক্রমে সহযোগিতার প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ, ২০১৭ সালকে পারস্পরিক বিনিময় এবং বন্ধুত্বের বছর ঘোষণা। দুই নেতাই চীন ও বাংলাদেশকে ‘ভালো বন্ধু ও অংশীদার’ বলে অভিহিত করেন।






Related News

Comments are Closed