Main Menu

ক্রসফায়ারে ছাত্রলীগ নেতা নিহত : র‌্যাবের বিরুদ্ধে মামলা খারিজ

হাজারীবাগ থানা ছাত্রলীগের সভাপতি আরজু মিয়াকে অপহরণ করে হত্যার অভিযোগে র‌্যাব-২-এর সাবেক অধিনায়কসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলাটি খারিজ করে দিয়েছেন আদালত।

সোমবার ঢাকা মহানগর হাকিম প্রণব কুমার হুই বিচার বিভাগীয় তদন্তে কোনো সতত্যা না পাওয়ায় মামলাটি খারিজ করে দেন।

এর আগে ২০১৫ সালের ২৩ আগস্ট ঢাকা মহানগর হাকিম শাহরিয়ার মাহমুদ আদনানের আদালতে আরজু মিয়ার বড় ভাই মাসুদ রানা মামলাটি দায়ের করেন। আদালত মামলাটি বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেন।

মামলায় যাদের অভিযুক্ত করা হয়েছে তারা হলেন- তৎকালীন র‌্যাব-২-এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মাসুদ রানা, র‌্যাব-২-এর ডিএডি শাহেদুর রহমান ও পরিদর্শক ওয়াহিদ এবং র‌্যাব-২-এর সোর্স রতন। এ মামলায় ছয়জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৫ সালের ১৭ আগস্ট মোবইল চুরির অভিযোগে রাজা মিয়া মারা যাওয়ার ঘটনায় হাজারীবাগ থানায় নিহত আরজু মিয়াকে প্রধান আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। ২০১৫ সালের ১৭ আগস্ট বিকাল ৫টার দিকে আসামিরা পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী নিহত আরজু মিয়াকে হাজারীবাগ পার্কের ভেতর থেকে অপহরণ করেন। অপহরণের কোনো এক সময় সুপরিকল্পিতিভাবে আরজু মিয়াকে গুলি করে হত্যার পর সিকদার মেডিকেলের পেছনে খোলা জায়গায় ফেলে রাখেন তিন র‌্যাব কর্মকর্তা।

বাদী হাজারীবাগ থানাকে বলেন, তথাকথিত বন্দুকযুদ্ধে তাহার ভাই আরজু মিয়াকে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনাস্থলের আশপাশের লোকদের বাদী জিজ্ঞাসা করলে তারা বলেন, ২০১৫ সালের ১৭ আগস্টের বিকাল ৫টা থেকে ২০১৫ সালের ১৮ আগস্টের সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটেনি।

২০১৫ সালের ১৯ আগস্ট র‌্যাব-২-এর সি.ও প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে স্বীকার করেন, বাদীর ভাই আরজু মিয়া তথাকথিত বন্দুকযুদ্ধে মারা গেছে। এরপর বাদী হাজারীবাগ থানায় মামলা দায়ের করতে এলে থানা তার মামলাটি গ্রহণ করেনি। থানায় মামলা গ্রহণ না করায় বাদী আদালতে মামলাটি দায়ের করেন।






Related News

Comments are Closed