Main Menu

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৬-১৭ প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণীতে ভর্তি পরীক্ষা শুরু আগামী ১৯ নভেম্বর

সাগর কর্মকার জাবি প্রতিনিধি :
আগামী ১৯ নভেম্বর থেকে শুরু হবে জাহাঙ্গীরগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণীতে ভর্তি পরীক্ষা।পরীক্ষা চলবে ২৭ নভেম্বর পর্যন্ত। আবেদন প্রক্রিয়া গত ৭ নভেম্বর (সোমবার) রাত ১১টা ৫৯ মিনিটে শেষ হয়েছে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষে মোট ৮ টি ইউনিটে আবেদন জমা পড়েছে এক লাখ ৯৯ হাজার ২৮ টি। মোট আসন ১৯৯০ টি। প্রতি সিটের বিপরীতে লড়বে ১০০ জন। ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষে কোন ইউনিটে কতটা সিটের বিপরীতে কতজন আবেদন করেছে দেখে নেওয়া যাক।
A ইউনিটে আবেদন করেছে ৪৩,৯৬২ জন।সিট : 454 টি।মানে প্রতি সিটের বিপরীতে লড়াই করবে প্রায় ৯৭ জন।
B ইউনিটে আবেদন করেছে ২১,৭২৩ জন।সিট : 356 টি।মানে প্রতি সিটের বিপরীতে লড়াই করবে ৬১ জন।
C ইউনিটে আবেদন করেছে ২৮,৬৭৫ জন।সিট : ৪৬৫ টি।মানে প্রতি সিটের বিপরীতে লড়াই করবে প্রায় ৬২ জন।
D ইউনিটে আবেদন করেছে ৫১,২৪০ জন।সিট : 365 টি।মানে প্রতি সিটের বিপরীতে লড়াই করবে ১৪০ জন।
E ইউনিটে আবেদন করেছে ১৩,৫৭৩ জন।সিট : 200 টি।মানে প্রতি সিটের বিপরীতে লড়াই করবে প্রায় ৬৮ জন।
F ইউনিটে আবেদন করেছে ১৫,৪২৭ জন।সিট : 55 টি।মানে প্রতি সিটের বিপরীতে লড়াই করবে ২৮০ জন।
G ইউনিটে আবেদন করেছে ৮,৮৪৮ জন।সিট : 50 টি।মানে প্রতি সিটের বিপরীতে লড়াই করবে প্রায় ১৭৭ জন।
H ইউনিটে আবেদন করেছে ১৫,৫৮০ জন।সিট : 50 টি।মানে প্রতি সিটের বিপরীতে লড়াই করবে প্রায় ৩১২ জন।
এ বছর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ইউনিট ভিত্তিক ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এবারে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলের উপর থাকছে ২০ নম্বার।সকল ইউনিটে লিখিত পরীক্ষায় পাশ নাম্বার নূন্যতম ৩৩ শতাংশ।ভর্তি পরীক্ষা হবে এমসিকিউ পদ্ধতিতে এবং ওএমআর পদ্ধতিতে উত্তর মূল্যায়ন করা হবে। প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২০ (শূন্য দশমিক দুই শূন্য) নম্বার কাটা যাবে।

বিভিন্ন ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার নাম্বারবন্টন:
এ ইউনিট- গাণিতিক ও পদার্থবিষয়ক অনুষদের ভর্তি পরীক্ষায় গণিতে ২২, পদার্থবিজ্ঞানে ২২, রসায়নে ২২, বাংলায় ৩, ইংরেজিতে ৩ এবং বুদ্ধিমত্তা (বিজ্ঞান বিষয়ক) ৮ নম্বার থাকবে।
বি ইউনিট- সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ভর্তি পরীক্ষায় বাংলায় ১০, ইংরেজিতে ১৫, গণিতে ১৫, সাধারণ জ্ঞানে ২৫, এবং বুদ্ধিমত্তায় ১৫ নাম্বার থাকবে।
সি ইউনিট- কলা ও মানবিক অনুষদের ভর্তি পরীক্ষায় বাংলা ১৫, ইংরেজি ১৫, এবং অনুষদ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ক ৭০ নাম্বার থাকবে। এই অনুষদের বাংলা ও ইংরেজি ছাড়াও অন্যান্য বিষয়গুলো হলো- ইতিহাস, দর্শন, নাটক ও নাট্যতত্ত্ব, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, প্রত্নতত্ত্ব, সাংবাদিকতা এবং চারুকলা।সি ইউনিটে (বাংলা ও ইংরেজি বিভাগ ব্যাতিত) উত্তীর্ণ হওয়ার জন্য বাংলা ও ইংরেজি বিষয়ে ৩০ নম্বারের মধ্যে কমপক্ষে ১০ নাম্বার পেতে হবে। সি ইউনিটে উত্তীর্ণদের বাংলা বিভাগে ভর্তি হওয়ার জন্য বাংলা বিষয়ে ১৫ নম্বারের মধ্যে কমপক্ষে ৮ নাম্বার এবং ইংরেজি বিভাগে ভর্তির জন্য ইংরেজিতে ১৫ নাম্বারের মধ্যে কমপক্ষে ১০ নাম্বার পেতে হবে।সি ইউনিটে উত্তীর্ণদের মধ্যে যারা প্রশ্নের ৮১ থেকে ১০০ ক্রমিক নম্বার প্রশ্নের উত্তরের জন্য ২০ নাম্বারের মধ্যে কমপক্ষে ৭ পাবে তারাই নাটক ও নাট্যতত্ত্ব এবং চারুকলা বিভাগে ব্যবহারিক পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাবে।নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগ এবং চারুকলা বিভাগের জন্য ২০ নম্বারের ব্যবহারিক পরীক্ষা পরবর্তী সময়ে নেওয়া হবে। ব্যবহারিক পরীক্ষার পাশ নাম্বার ৪০%।
ডি ইউনিট- জীববিজ্ঞান অনুষদের ভর্তি পরীক্ষায় বাংলা ও ইংরেজিতে ৮, রসায়নে ২৪, উদ্ভিদ বিজ্ঞানে ২২, প্রাণিবিদ্যায় ২২ এবং বুদ্ধিমত্তায় ৪ নম্বার থাকবে।
ই ইউনিট- বিজনেস স্ট্যাডিজ অনুষদের ভর্তি পরীক্ষায় বাংলায় ১০, ইংরেজিতে ৩০, গণিতে ৩০ এবং ব্যবসায় সম্পর্কিত সাধারণজ্ঞানে ১০ নম্বার থাকবে।
এফ ইউনিট- আইন অনুষদ ভর্তি পরীক্ষায় বাংলায় ২৫, ইংরেজিতে ২৫ এবং সাম্প্রতিক বিষয় ও বুদ্ধিমত্তায় ৩০ নাম্বার থাকবে।

জি ইউনিট- ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজি ভর্তি পরীক্ষায় বাংলায় ৫, ইংরেজিতে ১৫, গণিতে ৪০ এবং পদার্থবিজ্ঞানে ২০নাম্বার থাকবে।
ভর্তি পরীক্ষা শেষ হওয়ার সর্বোচ্চ তিনদিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ইউনিট অফিস ফলাফল প্রকাশ করবে। ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট ও ইউনিট অফিসের নোটিশ বোর্ডে প্রকাশ করা হবে।

ভর্তির জন্য নির্বাচন পদ্ধতি:
লিখিত পরীক্ষার প্রাপ্ত নাম্বারের সঙ্গে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলের উপর প্রাপ্ত নাম্বার যোগ করে মোট সর্বোচ্চ নাম্বারের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট ইউনিট/ বিভাগের আসন সংখ্যার সর্বাধিক ১০ (দশ) গুণ ছাত্র-ছাত্রীর পৃথক তালিকা মেধা অনুযায়ী প্রণয়ন করা হবে। জি ইউনিট ও সি ইউনিট ভুক্ত নাটক ও নাট্যতত্ত্ব এবং চারুকলা বিভাগের চূড়ান্ত মেধাক্রমে মৌখিক/ ব্যবহারিক পরীক্ষার পরে প্রকাশ করা হবে।
গ্রেডিং পদ্ধতিতে উত্তীর্ণ ছাত্র-ছাত্রীর মাধ্যমিক/সমমানের পরীক্ষায় (চতুর্থ বিষয়সহ) প্রাপ্ত জিপিএকে ১.৫ দ্বারা গুণ করে এবং উচ্চমাধ্যমিক/সমমানের পরীক্ষায় (চতুর্থ বিষয়সহ) প্রাপ্ত জিপিএকে ২.৫ দ্বারা গুণ করে ফলাফল তৈরি করা হবে।মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার সঙ্গে সামঞ্জস্য রক্ষার্থে ০ লেভেল এবং এ লেভেল ছাত্র-ছাত্রীদের ক্ষেত্রে এ গ্রেডের জন্য ৫, বি গ্রেডের জন্য ৪, সি গ্রেডের জন্য ৩.৫ এবং ডি গ্রেডের জন্য ৩ পয়েন্ট গণ্য করা হবে।
ভর্তি পরীক্ষার বিস্তারিত সময়সূচি পরবর্তীতে সংবাদপত্র এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষে মোট ৮ টি ইউনিটে আবেদন জমা পড়েছে এক লাখ ৯৯ হাজার ২৮ টি। মোট আসন ১৯৯০ টি। প্রতি সিটের বিপরীতে লড়বে ১০০ জন। ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষে কোন ইউনিটে কতটা সিটের বিপরীতে কতজন আবেদন করেছে দেখে নেওয়া যাক।

A ইউনিটে আবেদন করেছে ৪৩,৯৬২ জন।সিট : 454 টি।মানে প্রতি সিটের বিপরীতে লড়াই করবে প্রায় ৯৭ জন।B ইউনিটে আবেদন করেছে ২১,৭২৩ জন।সিট : 356 টি।মানে প্রতি সিটের বিপরীতে লড়াই করবে ৬১ জন। C ইউনিটে আবেদন করেছে ২৮,৬৭৫ জন।সিট : ৪৬৫ টি।মানে প্রতি সিটের বিপরীতে লড়াই করবে প্রায় ৬২ জন। D ইউনিটে আবেদন করেছে ৫১,২৪০ জন।সিট : 365 টি।মানে প্রতি সিটের বিপরীতে লড়াই করবে ১৪০ জন।E ইউনিটে আবেদন করেছে ১৩,৫৭৩ জন।সিট : 200 টি।মানে প্রতি সিটের বিপরীতে লড়াই করবে প্রায় ৬৮ জন। F ইউনিটে আবেদন করেছে ১৫,৪২৭ জন।সিট : 55 টি।মানে প্রতি সিটের বিপরীতে লড়াই করবে ২৮০ জন।G ইউনিটে আবেদন করেছে ৮,৮৪৮ জন।সিট : 50 টি।মানে প্রতি সিটের বিপরীতে লড়াই করবে প্রায় ১৭৭ জন।H ইউনিটে আবেদন করেছে ১৫,৫৮০ জন।সিট : 50 টি।মানে প্রতি সিটের বিপরীতে লড়াই করবে প্রায় ৩১২ জন।






Related News

Comments are Closed