Main Menu

মা-মনি হাসপাতালে শিশুর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তুলকালাম

নিউজ ডেস্ক: সিলেট নগরীর কুমারপাড়াস্থ মা-মনি হাসপাতালে চিকিৎসকের অবহেলায় এক শিশুর মৃত্যুর অভিযোগকে কেন্দ্র করে সোমবার রাতে তুলকালাম কান্ড ঘটেছে। মুত্যুবরণকারী শিশুর স্বজনরা হাসপাতালে গিয়ে ব্যাপক হট্টগোল শুরু করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে হাসপাতালের চেয়ারম্যান, শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ডা. এম এ মতিনকে থানায় নিয়ে আসে। পরে উভয় পক্ষ সমঝোতায় উপনীত হলে ঘটনার আপসে নিষ্পত্তি হয়।
মৃত্যুবরণকারী ইরফান নামের শিশুটির বয়স ১ বছর। সে ছাতক উপজেলার গোবিন্দগঞ্জের নুরুল্লাপুর গ্রামের জাবের উদ্দিনের পুত্র।
জানা গেছে, শিশু ইরফানের স্বজনরা সোমবার সকাল ৯টায় শিশু ইরফানকে পেটে ব্যথা জনিত সমস্যাার কারণে মা-মনি ক্লিনিকে আসেন। ক্লিনিকে ভর্তির সময় তারা শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ডা. এমএ মতিনকে দেখানোর জন্য ক্লিনিক কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করেন। কিন্তু সারাদিন যাওয়ার পরও ডা. এমএ মতিন ক্লিনিকে না আসায় নার্স এবং ডিউটি ডাক্তার কামরান শিশুটির চিকিৎসা দেন। পরে সন্ধ্যা ৬টায় শিশুটি মারা যায় বলে শিশুর স্বজনরা জানিয়েছেন। চিকিৎসকের অবহেলার কারণে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ স্বজনদের।
অন্যদিকে, মা-মনি ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ জানায়, সোমবার সকালে শিশুটিকে ভর্তি করে স্বজনরা। সন্ধ্যার দিকে শিশু ইরফানের অবস্থার অবনতি হলে তাকে আইসিইউতে ভর্তির পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। তবে ইরফানের স্বজনরা আইসিইউতে ভর্তি না করে নগরীর আরেকটি বেসরকারী হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে স্বজনরা ক্লিনিকে গিয়ে হট্টগোল করে। তবে কোন ভাংচুরের ঘটনা ঘটেনি।
খবর পেয়ে কতোয়ালী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
সিলেট কোতোয়ালি থানার সেকেন্ড অফিসার আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী জানান, স্বজনরা অভিযোগ করেন, ভুল চিকিৎসায় শিশুটি মারা গেছে। এমন অভিযোগে ক্লিনিকে হট্টগোল করে। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ নিরাপত্তার স্বার্থে হাসপাতালের চেয়ারম্যান প্রফেসর ডা. এমএ মতিনকে রাত সাড়ে ৯টার দিকে থানায় নিয়ে আসে।
তবে, মঙ্গলবার সকাল ১১টায় মা-মনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, সোমবার রাতে মৃত্যুবরণকারী শিশুর পরিবারের সাথে আলাপ আলোচনা শেষে উভয় পক্ষ সমঝোতায় উপনীত হলে ও শিশুর স্বজনরা কোন অভিযোগ না দিয়ে শিশুটির মরদেহ নিয়ে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন। এদিকে শিশুর স্বজনরা কোন অভিযোগ না দেয়ায় রাত দেড়টার দিকে প্রফেসর ডা. এমএ মতিনকে থানা থেকে ছেড়ে দেয়া হয় বলে সূত্র জানিয়েছে।






Related News

Comments are Closed