Main Menu

গাজীপুরে উদ্ধার কৃত জমিতে বনায়ন

মোঃ শওকত হোসাইন : গাজীপুর জেলার বিকেবাড়ি ও রাজেন্দ্রপুর পশ্চিম বিট কর্মকর্তার নিরলস প্রচেষ্টায় বৈশ্বিক করোণার মহামারি চরম সংকটের সময় বিভিন্ন মামলা-মোকদ্দমায় উদ্ধারকৃত ও পুরাতন আবাদের জমিতে বিভিন্ন প্রজাতের চারাগাছ রোপন করে দেশের বন সম্পদ রক্ষা করে, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করছেন বিভাগীয় বন্যপ্রাণী ব্যাবস্থাপনা ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ’ কর্মকর্তা, কাজল তালুকদার।
বিট কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান জানান, বিভাগীয় বন্যপ্রাণী ব্যাবস্থাপনা ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ’ কর্মকর্তা, কাজল তালুকদারের নির্দেশনায় এবং সহকারী বিভাগীয় বন কর্মকর্তা, শ্যামল কুমার ঘোস ও ভাওয়াল রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ মাসুদ রানা’র যৌথ সহযোগীতায় এই বনায়ন কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। তিনি আরো জানান, গাজীপুর জেলা ভাওয়াল রেঞ্জের বিকেবাড়ি বিটে ও বিশিয়া কুড়িবাড়ীর ৫নং মৌজাস্থিত প্রায় ২ একর ৫০ শতাংশ উদ্ধারকৃত জমিতে এবং একই বিটে প্রায় ৪ হেক্টর তৃতীয় আবাদের জমিতে বনায়ন সম্পন্ন করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এম ডি শামসুল আরেফীনের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে বাঁশরী পিকনিক স্পটের দখলকৃত বিশিয়া কুড়িবাড়ি মৌজার আর.এস-২১৫৬ ও ২১১০ নং দাগের উদ্ধারকৃত ১৮ শতাংশ জমিতে বনায়ণ সম্পন্ন হয়েছে। এসময়ে উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় বন্যপ্রাণী ব্যাবস্থাপনা ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ এর কর্মকর্তা- কাজল তালুকদার, সহকারী বিভাগীয় বন কর্মকর্তা শ্যামল কুমার ঘোস ও ভাওয়াল রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ মাসুদ রানা।
রাজেন্দ্রপুর পশ্চিম বিটে প্রায় ৬ একর ৫০ শতাংশ উদ্ধারকৃত জমিতে বনায়ন করা হয়েছে। একই বিটের প্রায় ১২(বার)হেক্টর জমিতে তৃতীয় আবাদে বনায়ন সম্পন্ন করা হয়েছে। এসব বনায়নে আকাশমনি, জাম, জামরুল, অর্জুন ইত্যাদিসহ বিভিন্ন প্রজাতির চারাগাছ রোপণ করা হয়েছে। বিট কর্মকর্তা মোঃ মোজাম্মেল হক বলেন, আমাদের উৎচ্ছেদ/ অভিযান ও বনায়ন কাজ অভ্যাহত থাকবে।






Related News

Comments are Closed