Main Menu

বুধবার পদত্যাগ করছেন ক্যামেরন, ক্ষমতায় আসছেন টেরিজা

বুধবার ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন। সোমবার হঠাৎ করেই যুক্তরাজ্যে কনজারভেটিভ পার্টির পরবর্তী নেতা নির্বাচন এবং দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড় থেকে জ্বালানিমন্ত্রী আন্ড্রে লিডসম সরে দাঁড়ালে জয়ী হয়ে যান টেরেজা। এ কারণেই অক্টোবরে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচীত হবার পর পদত্যাগের কথা থাকলে এখনই পদত্যাগ করছেন ক্যামেরন।

লৌহমানবী হিসেবে খ্যাত মার্গারেট থ্যাচারের পর টেরিজাই প্রথম নারী, যিনি যুক্তরাজ্যের সরকার প্রধানের দায়িত্বে অধিষ্ঠিত হচ্ছেন। কনজারভেটিভ পার্টির প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার সদস্যের ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার কথা ছিল এই দুই নারীর। এ নির্বাচনের ফল প্রকাশের কথা ছিল ৯ সেপ্টেম্বরে। কিন্তু তার আগেই সোমবার লিডসম সরে দাঁড়ান।
যুক্তরাজ্যে গত ২৩ জুনে অনুষ্ঠিত গণভোটে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) থেকে দেশটির বেরিয়ে যাওয়ার পক্ষ জয়ী হওয়ার পর পদত্যাগের ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী ক্যামেরন। তিনি ইইউ’য়ে যুক্তরাজ্যের থেকে যাওয়ার পক্ষে প্রচার চালিয়েছিলেন।

অন্যদিকে, লিডসম ইইউ থেকে যুক্তরাজ্যের বেরিয়ে যাওয়ার পক্ষে সফল প্রচার চালিয়ে জনগণের কাছে পরিচিতি পান। কিন্তু প্রতিযোগিতা থেকে সরে দাঁড়ানোর ব্যাপারে লিডসম বলেন, একটি শক্তিশালী এবং স্থিতিশীল সরকার পরিচালনার জন্য তার পক্ষে যথেষ্ট সমর্থন আছে বলে তিনি মনে করেন না।

তার সরে দাঁড়ানোর পর ১০ নং ডাউনিং স্ট্রিটের বক্তব্যে ক্যামেরন বলেন, লিডসম প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে সঠিক কাজ করেছেন। টেরিজা মে প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন দেখে তিনি আনন্দিত। ক্ষমতা হস্তান্তরে বেশি সময় লাগানোর দরকার নেই জানিয়ে ক্যামেরন বলেন, এ কারণে মঙ্গলবারই তিনি মন্ত্রিসভার শেষ বৈঠক করবেন। তারপর বুধবার হাউজ অব কমন্সে পধানমন্ত্রীর জন্য প্রশ্নত্তোর পর্বে হাজিরা শেষে রাজপ্রাসাদে গিয়ে পদত্যাগপত্র জমা দেবেন।

ফলে এদিন সন্ধ্যায়ই যুক্তরাজ্য নতুন প্রধানমন্ত্রী পাচ্ছে বলে জানান তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ৫৯ বছর বয়সী টেরিজা মে-কে প্রধানমন্ত্রী পদে একজন ‘বলিষ্ঠ’ এবং ‘দক্ষ’ নেতা হিসাবে প্রশংসা করেন ক্যামেরন। যুক্তরাজ্যের আগামী দিনগুলোতে যে নেতৃত্ব প্রয়োজন তা অনেক ভালোভাবেই টেরিজা চালিয়ে নিতে পারবেন বলে আস্থা প্রকাশ করেন ক্যামেরন।

টেরিজা মে’র প্রধানমন্ত্রী হওয়া মানে ইইউ থেকে যুক্তরাজ্যের বেরিয়ে যাওয়ার জটিল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার ভার এমন একজনের হাতে পড়ছে যিনি গণভোটে ইইউ ছাড়ার বিপক্ষে ছিলেন। তবে মে বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী হিসাবে তিনি ইইউ থেকে যুক্তরাজ্যের বেরিয়ে যাওয়ার বিষয়টিই নিশ্চিত করবেন।’

সোমবার সকালের দিকে বার্মিংহামে এক বক্তব্যে টেরিজা বলেন, ইইউ-এ যুক্তরাজ্যের থাকা না থাকার প্রশ্নে দ্বিতীয় আর কোনো গণভোট হবে না কিংবা পেছনের দরজা দিয়ে আবার ইইউ’য়ে যোগ দেয়ার কোনও প্রচেষ্টাও নেয়া হবে না। বিবিসি।






Related News

Comments are Closed