বাংলাদেশের হয়ে অলিম্পিকে লড়বেন যারা
বাংলাদেশ সময় শনিবার ভোরে জমকালো এক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পর্দা উঠেছে আধুনিক অলিম্পিকের ৩১তম আসরের। ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরো শহরে ১৭দিন ব্যাপী অনুষ্ঠিত এই ক্রীড়াযজ্ঞে অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ দলও। গলফ, সাঁতার, শ্যুটিং, অ্যাথলেটিকস ও আর্চারি এই পাঁচটি ইভেন্টে বাংলাদেশের হয়ে সাতজন ক্রীড়াবিদ নিজেদের সেরাটা দেওয়ার লড়াইয়ে নামবেন। চলুন জেনে নিই তাদের সম্পর্কে।
১. গলফ : সিদ্দিকুর রহমান
বাংলাদেশের গলফের ইতিহাসে তিনি জ্বলজ্বলে একটি অধ্যয়ের নাম। তিনিই প্রথম গলফে বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করেছেন। তিনি আমাদের সিদ্দিকুর রহমান। অলিম্পিক গেমসের ইতিহাসে প্রথম কোনো বাংলাদেশি হিসেবে সরাসরি খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছেন তিনি। তাইতো মারাকানা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের পতাকাবাহক হয়েছেন তিনি। এ পর্যন্ত তিনি ৮টি পেশাদার শিরোপা, ২টি এশিয়ান ট্যুর, ইউরেশিয়া কাপে যুগ্ম চ্যাম্পিয়ন ও ১২টি অ্যামেচার শিরোপা জিতেছেন। অলিম্পিকে তিনি কতটুকু কী করতে পারবেন সেটা নিয়ে ভাবার কিছু নেই। কারণ, অলিম্পিক তো মর্যাদাকর একটি টুর্নামেন্ট।
২. আর্চারি : শ্যামলী রায়
আর্চারি থেকে অলিম্পিকে যাওয়ার স্বপ্ন বুনছিলেন তিনজন। তারা হলেন রোমান সানার, ইমদাদুল হক মিলন ও দুই বছর ধরে জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়া শ্যামলী রায়। শ্যামলী রায়ের চেয়ে রোমান সানার ও ইমদাদুল হকের অভিজ্ঞতা অনেক বেশি। কিন্তু অবাক করে দিয়ে ওয়াইল্ড কার্ড পেলেন কেবল শ্যামলী রায়! এবারই প্রথম তিনি অলিম্পিকে অংশ নিয়েছেন। আর্চারিতে শ্যামলী রায়ের সেরা স্কোর ৬১৮। ২০১৬ সালে এশিয়ান আর্চারিতে হয়েছিলেন ৩৩তম। এবার অলিম্পিকে কতদূর যেতে পারেন দেখার বিষয়।
৩. শ্যুটিং : আব্দুল্লাহ হেল বাকি
আব্দুল্লাহেল বাকি বাংলাদেশের শ্যুটিংয়ের সবচেয়ে বড় তারকা। ২০১০ সালে এসএ গেমসে দলগতভাবে স্বর্ণ জিতেছিলেন। ২০১৪ গ্লাসগো কমনওয়েলথ গেমসে রূপা জিতে হৈচৈ ফেল দিয়েছিলেন। বিশ্বকাপ শ্যুটিংয়েও দুই-দুইবার করেছেন নিজের সেরা স্কোর। আর জাতীয় যেকোনো চ্যাম্পিয়নশিপে স্বর্ণ তার ঝুলিতেই ওঠে। এবার অলিম্পিকেও তিনি ভালো কিছু করবেন তেমনটাই প্রত্যাশা সবার।
৪. অ্যাথলেটিকস : মেজবাহ আহমেদ ও শিরীন আক্তার
নির্দিষ্ট সময় পেরিয়ে গেলেও ওয়াইল্ড কার্ড আসছিল না তাদের। এক সময় অলিম্পিকে খেলার আশা ছেড়েই দিয়েছিলেন তারা দুজন। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ের এক সপ্তাহ পর তারা ওয়াইল্ড কার্ড পান। মেসবাহ ২০১৩ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের দ্রুততম মানব। টানা তিন বছর ধরে বাংলাদেশের দ্রুততম মানবের এবারই প্রথম অলিম্পিক যাত্রা। সেখানে তিনি নিজের সেরা টাইমিংটা (১০.৭৫) ছাড়িয়ে যেতে চান।
এদিকে শিরীন আক্তার ২০১৪ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত গেল তিন আসরের দ্রুততম মানবী। তারও এবার প্রথম অলিম্পিক যাত্রা। তবে বাংলাদেশ অ্যাথলেটিকস ফেডারেশনের হয়ে চতুর্থ কোনো নারী হিসেবে অলিম্পিকে অংশ নিয়েছেন তিনি। তার আগে নিলুফার ইয়াসমিন, ফৌজিয়া হুদা ও নাজমুন নাহার অলিম্পিকে অংশ নিয়েছিলেন। সর্বশেষ এসএ গেমসে রেকর্ড টাইমিং গড়া শিরীন আক্তার অলিম্পিকে কতটুকু কী করতে পারেন সেটাই এখন দেখার বিষয়।
৫. সাঁতার : মাহফিজুর রহমান ও সোনিয়া আক্তার
বাংলাদেশ সুইমিং ফেডারেশন থেকে দুইজন সাঁতারু ওয়াইল্ড কার্ড পাওয়ার মাধ্যমে রিও অলিম্পিকে অংশ নিয়েছেন। তারা হলেন মাহফিজুর রহমান ও সোনিয়া আক্তার। মাহফিজুর রহমান সাতটি জাতীয় রেকর্ডের অধিকারী। ২০১৪ কমনওয়েলথ গেমসে রূপা জিতেছেন। আর ২০১০ এসএ গেমসে দলগতভাবে সোনা জিতেছিলেন। এবার অবশ্য ভালো কিছু করার জন্য থাইল্যান্ডে এক বছরেরও বেশ সময় ধরে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। কিন্তু ইনজুরি তার সেরা কিছু করার পথে বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইনজুরি নিয়েই তিনি অলিম্পিকে অংশ নিয়েছেন। হিটে নামার আগ পর্যন্ত আশা করা যাচ্ছে তার ইনজুরি সেরে যাবে।
আরেক সাঁতারু সোনিয়া আক্তারেরও জাতীয় রেকর্ডের অভাব নেই। ২০০৬ সালে বিকেএসপির হয়ে আলোড়ন তৈরি করার পর থেকে এখনো আলোচনায়ই আছেন। জাতীয়তে অনেক রেকর্ড থাকলেও আন্তর্জাতিকে তার রেকর্ড খুব বেশি ভালো নয়। এসএ গেমসে ২টি রূপা জিতেছেন। তা ছাড়া সাতটি ব্রোঞ্জও জিতেছেন তিনি। তবে এবার রিও অলিম্পিকে নিজের সেরা টাইমিংকে ছাড়িয়ে যেতে চান সোনিয়া আক্তার।

ইরানের আগামী সপ্তাহের মধ্যে কঠোর আঘাত হানা হবে-ডোনাল্ড ট্রাম্প
টাঙ্গাইল সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ১৬ মেট্রিকটন চাল ট্রাক সহ লুটের চেষ্টা
সংসদকে সকল যুক্তি তর্ক আর জাতীয় সমস্যা সমাধানের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে চাই-প্রধানমন্ত্রী
গাজীপুরে পুলিশের অভিযানে পলাতক আসামীসহ ৩৩ আটক
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার নির্বাচিত মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম
জম্মু ও কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লাহ আততায়ীর গুলি.অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেছেন
আগামী ১৮ মার্চ সুপ্রিম কোর্ট সাধারণ ছুটি ঘোষণা
আগামীকাল বৃহস্পতিবার সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ 