News Bangla 24 BD | কথা বলা ছাড়া ‘কথিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদন’ প্রকাশ না করার অনুরোধ - News Bangla 24 BD
News Head
 ঢাকা শহরে যানজট নিরসনে ১১টি প্রস্তাবনা যুক্তরাষ্ট্র ইরানি প্রতিনিধিদের আস্থা অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছে-ইরানের স্পিকার পহেলা বৈশাখ কৃষক কার্ড উদ্বোধন প্রবীণ আইনজীবী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ আর নেই দেশে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই-সেতুমন্ত্রী টাঙ্গাইল জেলা অ্যাডভোকেট বার সমিতির তিন সদস্যকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার স্কুলে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে লটারি পদ্ধতি প্রত্যাহার-শিক্ষামন্ত্রী সাত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জরি কমিশন-ইউজিসির চেয়ারম্যান রদবদল আজ থেকে জ্বালানি তেল বিক্রিতে কোনো রেশনিং থাকছে না-প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত সৌদি আরবে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের দেশ ছাড়ার নির্দেশ

কথা বলা ছাড়া ‘কথিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদন’ প্রকাশ না করার অনুরোধ


ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলাম গুলশানে জঙ্গি হামলার ঘটনা নিয়ে তদন্ত সংস্থার সঙ্গে কথা না বলে ‘কথিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদন’ প্রকাশ না করার অনুরোধ জানিয়েছেন।

রোববার মহানগর পুলিশের গণমাধ্যম কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মনিরুল বলেন, এতে তদন্তকারী কর্মকর্তারা স্বাধীন তদন্ত কাজে চাপ অনুভব করতে পারেন। এর ফলে তদন্তও বিঘ্নিত হতে পারে। এ ধরনের প্রতিবেদনে ভুল বোঝাবুঝি সৃষ্টির সুযোগ তৈরি হতে পারে।

“কাজেই আমি অনুরোধ করব, তদন্তকারী কর্মকর্তা অথবা তদন্ত সংস্থার সঙ্গে আলোচনা না করে এই ধরনের কথিত অনুসন্ধানী রিপোর্ট প্রকাশ থেকে বিরত থাকবেন। তাদের শুভবুদ্ধির উদয় হোক, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”

গুলশান হামলার পর ২ জুলাই ভোরে গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারির ছাদে হাসনাত করিম ও তাহমিদ হাসিব খানের নতুন কয়েকটি ছবি সংবাদমাধ্যমে এসেছে, যেখানে আরেকজনকে দেখা যাচ্ছে, যাকে রোহান ইমতিয়াজ বলা হচ্ছে পত্রিকাগুলোতে। পরে কমান্ডো অভিযানে আরও পাঁচজনের সঙ্গে নিহত হন রোহান।

ওই ঘটনায় নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক হাসনাত এবং কানাডার বিশ্ববিদ‌্যালয় ছাত্র তাহমিদের ভূমিকা নিয়ে সূত্রের বরাত দিয়ে নানা তথ্য আসছে গণমাধ্যমে।

এ বিষয়ে মনিরুল ইসলাম বলেন, হাসনাত করিম ও তাহমিদকে পুলিশ ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

“হলি আর্টিজানের ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারিনি। এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।”

হাসনাত ও অস্ত্র হাতে তাহমিদের যে ছবি গণমাধ্যমে এসেছে, সে বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে মনিরুল বলেন, “তারা রিমান্ডে আছে, জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আপনাদের স্পষ্টভাবে এই বিষয়গুলো জানাব। কী পরিস্থিতিতে তাদের হাতে অস্ত্র উঠল… এগুলো জানার জন্যই জিজ্ঞাসাবাদ করা।”

জঙ্গিদের ছবি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মনিরুল বলে, “এ ধরনের ছবি যদি আর কারও কাছে থাকে, তাহলে সেগুলো তদন্ত সংস্থার কাছে সরবরাহ করার জন্য অনুরোধ রইল। আমরা অনেক ছবি পেয়েছি যেগুলো পর্যালোচনা করা হচ্ছে।”

তদন্ত সংস্থার কাছে যদি তাদের এ মামলায় জড়িত বলে মনে হয়, সেক্ষেত্রে তাদের এ মামলায়ও গ্রেপ্তার দেখানো হবে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।

“যে সমস্ত পুলিশ সদস্য সেখানে প্রথমেই হাজির হয়েছিল তাদেরকেও আমরা জিজ্ঞাসাবাদ করেছি। ইন্টারভিউ হচ্ছে, অসংখ্য মানুষের ইন্টারভিউ হচ্ছে। সুনির্দিষ্টভাবে বলাটা এই মুহূর্তে সম্ভব নয় যে ঠিক কত মানুষকে আমরা জিজ্ঞাসাবাদ করেছি।”

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ