News Bangla 24 BD | ১৮ অক্টোবর দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মানববন্ধন - News Bangla 24 BD
News Head
 সংসদকে সকল যুক্তি তর্ক আর জাতীয় সমস্যা সমাধানের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে চাই-প্রধানমন্ত্রী গাজীপুরে পুলিশের অভিযানে পলাতক আসামীসহ ৩৩ আটক বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম হলো হোয়াটসঅ্যাপ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার নির্বাচিত মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়াতে সহজ ও কার্যকরী কাজ জম্মু ও কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লাহ আততায়ীর গুলি.অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেছেন আগামী ১৮ মার্চ সুপ্রিম কোর্ট সাধারণ ছুটি ঘোষণা আগামীকাল বৃহস্পতিবার সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ আজ বুধবার ক্ষমতাসীন দল বিএনপির সংসদীয় দলের বৈঠক ঈদুল ফিতরের আগে বুধ ও বৃহস্পতিবার তৈরি পোশাক শিল্প সংশ্লিষ্ট ব্যাংক শাখা খোলা

১৮ অক্টোবর দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মানববন্ধন


শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, ‘ছাত্রীদের ওপর বখাটেরা একের পর এক হামলা করে যাচ্ছে। ছাত্রীদের সুন্দর ভবিষ্যৎ নষ্ট করছে। এ থেকে রেহাই পেতে হলে আমাদেরকে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। তাই ছাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ১৮ অক্টোবর দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মানবন্ধন এবং ২০ অক্টোবর আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।’

শনিবার সকাল ১০টায় শিক্ষামন্ত্রী রাজধানীর খামারবাড়িতে কৃষিবিদ ইনন্সিটিউটে জরুরি এক সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন মন্ত্রী।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘আমরা লক্ষ্য করছি, কিছু অমানুষ, বখাটেরা ছাত্রীদের ওপর হামলা চালাচ্ছে। এটা কোনোভাবেই বরদাস্ত করা যাবে না। এজন্য দেশব্যাপী সামাজিক আন্দোলন, সমাজ সচেতনতা ও প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।’

কর্মসূচি ঘোষণা করে মন্ত্রী বলেন, ১৮ অক্টোবর সকাল ১১টায় দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রতৃকি মানববন্ধন করা হবে। এই মানববন্ধনের স্থায়িত্ব হবে ১৫ মিনিট। সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীরা, শিক্ষকরা হাতে হাত দিয়ে দাড়াবেন। ছাত্রীদের ওপর এই ধরনের নৃশংস হামলা যেন আর না হয় সেজন্য সচেতন থাকবেন। আহত নার্গিসের জন্য দোয়া করবেন।

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ‘তনু, রিশা ও নার্গিসের হত্যাকারীদেরকে দ্রুত বিচারের কাঠগড়ায় দাড় করানোর জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রালয়ের সঙ্গে কথা হয়েছে। দ্রুত তাদেরকে কঠিন শাস্তির মুখোমুখি করা হবে। যাতে পরবর্তীতে আর এ ধরনের ঘটনা না ঘটে।’

এদিকে, ২০ অক্টোবর দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আলোচনা সভার আয়োজন করবে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ। যেখানে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি, মসজিদের ইমাম, সমাজ সচেতন মানুষ, আলেম-ওলামা, অভিভাবকসহ নানা পেশাজীবীর মানুষ উপস্থিত থাকবেন।

এছাড়া প্রতি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা একটি কমিটি গঠন করবেন। যে কমিটির কাজ হবে ছাত্রীদের সমস্যা শুনে তাদের সমস্যা কিভাবে নিরাপত্তা দেওয়া যায় সেটা তদারকি করা। অপরাধী চিহ্নিত হলে তাকে পুলিশে দেওয়া।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ