News Bangla 24 BD | ১৮ অক্টোবর দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মানববন্ধন - News Bangla 24 BD
News Head
 ঢাকা শহরে যানজট নিরসনে ১১টি প্রস্তাবনা যুক্তরাষ্ট্র ইরানি প্রতিনিধিদের আস্থা অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছে-ইরানের স্পিকার পহেলা বৈশাখ কৃষক কার্ড উদ্বোধন প্রবীণ আইনজীবী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ আর নেই দেশে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই-সেতুমন্ত্রী টাঙ্গাইল জেলা অ্যাডভোকেট বার সমিতির তিন সদস্যকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার স্কুলে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে লটারি পদ্ধতি প্রত্যাহার-শিক্ষামন্ত্রী সাত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জরি কমিশন-ইউজিসির চেয়ারম্যান রদবদল আজ থেকে জ্বালানি তেল বিক্রিতে কোনো রেশনিং থাকছে না-প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত সৌদি আরবে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের দেশ ছাড়ার নির্দেশ

১৮ অক্টোবর দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মানববন্ধন


শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, ‘ছাত্রীদের ওপর বখাটেরা একের পর এক হামলা করে যাচ্ছে। ছাত্রীদের সুন্দর ভবিষ্যৎ নষ্ট করছে। এ থেকে রেহাই পেতে হলে আমাদেরকে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। তাই ছাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ১৮ অক্টোবর দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মানবন্ধন এবং ২০ অক্টোবর আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।’

শনিবার সকাল ১০টায় শিক্ষামন্ত্রী রাজধানীর খামারবাড়িতে কৃষিবিদ ইনন্সিটিউটে জরুরি এক সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন মন্ত্রী।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘আমরা লক্ষ্য করছি, কিছু অমানুষ, বখাটেরা ছাত্রীদের ওপর হামলা চালাচ্ছে। এটা কোনোভাবেই বরদাস্ত করা যাবে না। এজন্য দেশব্যাপী সামাজিক আন্দোলন, সমাজ সচেতনতা ও প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।’

কর্মসূচি ঘোষণা করে মন্ত্রী বলেন, ১৮ অক্টোবর সকাল ১১টায় দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রতৃকি মানববন্ধন করা হবে। এই মানববন্ধনের স্থায়িত্ব হবে ১৫ মিনিট। সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীরা, শিক্ষকরা হাতে হাত দিয়ে দাড়াবেন। ছাত্রীদের ওপর এই ধরনের নৃশংস হামলা যেন আর না হয় সেজন্য সচেতন থাকবেন। আহত নার্গিসের জন্য দোয়া করবেন।

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ‘তনু, রিশা ও নার্গিসের হত্যাকারীদেরকে দ্রুত বিচারের কাঠগড়ায় দাড় করানোর জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রালয়ের সঙ্গে কথা হয়েছে। দ্রুত তাদেরকে কঠিন শাস্তির মুখোমুখি করা হবে। যাতে পরবর্তীতে আর এ ধরনের ঘটনা না ঘটে।’

এদিকে, ২০ অক্টোবর দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আলোচনা সভার আয়োজন করবে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ। যেখানে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি, মসজিদের ইমাম, সমাজ সচেতন মানুষ, আলেম-ওলামা, অভিভাবকসহ নানা পেশাজীবীর মানুষ উপস্থিত থাকবেন।

এছাড়া প্রতি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা একটি কমিটি গঠন করবেন। যে কমিটির কাজ হবে ছাত্রীদের সমস্যা শুনে তাদের সমস্যা কিভাবে নিরাপত্তা দেওয়া যায় সেটা তদারকি করা। অপরাধী চিহ্নিত হলে তাকে পুলিশে দেওয়া।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ