News Bangla 24 BD | গানে গানে পূর্ণ করেছেন সঙ্গীত জীবনের ৫০ বছর - News Bangla 24 BD
News Head
 পবিত্র ঈদুল ফিতর শেষে ফিরতি যাত্রার ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হাতে মেহেদির টকটকে লাল রঙ থাকতেই শেষ বিদায় ইরানের আগামী সপ্তাহের মধ্যে কঠোর আঘাত হানা হবে-ডোনাল্ড ট্রাম্প টাঙ্গাইল সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ১৬ মেট্রিকটন চাল ট্রাক সহ লুটের চেষ্টা সংসদকে সকল যুক্তি তর্ক আর জাতীয় সমস্যা সমাধানের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে চাই-প্রধানমন্ত্রী গাজীপুরে পুলিশের অভিযানে পলাতক আসামীসহ ৩৩ আটক বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম হলো হোয়াটসঅ্যাপ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার নির্বাচিত মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়াতে সহজ ও কার্যকরী কাজ জম্মু ও কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লাহ আততায়ীর গুলি.অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেছেন

গানে গানে পূর্ণ করেছেন সঙ্গীত জীবনের ৫০ বছর


রুনা লায়লা। নন্দিত এই কণ্ঠশিল্পী গানে গানে পূর্ণ করেছেন সঙ্গীত জীবনের ৫০ বছর। পেয়েছেন দেশ-বিদেশের সম্মাননা। এ উপলক্ষে গতকাল আরও একবার সংবর্ধনা পেলেন সিটি ব্যাংকের পক্ষ থেকে। সঙ্গীত জীবনের দীর্ঘ পথ পরিক্রমা নিয়ে কথা বলেছেন তিনি-
সঙ্গীত জীবনের ৫০ বছর পূর্তিতে গুণীজন সম্মাননা পেলেন, কেমন লাগছে?

অনুভূতি তো মুখের কথায় বলে বোঝানো যায় না। এটুকু বলতে পারি, পুরস্কার বা সম্মাননা পাওয়া যে কারও জন্য আনন্দের বিষয়। আমিও আনন্দিত। আমার সঙ্গীত জীবনের ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন এবং সংবর্ধনা দেওয়ার জন্য সিটি ব্যাংকের সবাইকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাতে চাই।

অনুষ্ঠানে এ প্রজন্মের শিল্পীদের কণ্ঠে নিজের গান শোনার অভিজ্ঞতা কেমন ছিল?

নিজের গান যখন অন্য কেউ গায়, তখন মনে আলাদা এক শিহরণ জাগে। গতকাল আবার এ কথার প্রমাণ পেলাম এ প্রজন্মের শিল্পীদের কণ্ঠে নিজের গান শুনে। ৫০ বছর পূর্তির এই আয়োজনের শিল্পী হিসেবে কনা, কোনাল ও ঝিলিকের নাম প্রস্তাব দিয়েছিলাম আমি। ওরা ভালো গায়, বড় মাপের শিল্পী হওয়ার সম্ভাবনা আছে। এ জন্য ওদের কণ্ঠে আমার গান কেমন শোনাবে- তা নিয়ে ভাবিনি।

ক’দিন আগে লন্ডনে এশিয়ান কারি অ্যাওয়ার্ডে আজীবন সম্মাননা পেলেন। এই পুরস্কার প্রাপ্তির অনুভূতির কথা জানতে চাই?

ওই যে বললাম, যে কোনো পুরস্কার পাওয়া সত্যিই আনন্দের। তবে কারি অ্যাওয়ার্ডের আজীবন সম্মাননা পাওয়ার ক্ষণটুকু কখনোই ভুলে যাওয়ার নয়। কারণ এদিন পুরস্কার নেওয়ার সময় আমার সঙ্গে ছিল আদরের দুই নাতি জাইন ও অ্যারন।

পেছন ফিরে দেখলে ৫০ বছরের এই শিল্পী জীবনের পথ পরিক্রমা কেমন মনে হয়?

এক কথায় বিস্ময়কর। কেননা গানে গানে ৫০ বছর পেরিয়ে এসেছি ভাবলে নিজেই অবাক হই। ১৯৬৫ সালে মুক্তি পাওয়া ‘জুগনু’ ছবিতে গেয়েছিলাম ‘গুড়িয়াসি মুনি্ন মেরি’ গানটি। সেই শুরু, তারপর থেকে আজও গাইছি। এভাবে গাইতে গাইতে কেমন করে পাঁচ দশক পেরিয়ে গেল বুঝতেই পারলাম না। সৃষ্টিকর্তার কৃপা, ভক্তদের ভালোবাসা, সম্মান এবং পরিবারের সমর্থন না পেলে হয়তো এতটা পথ পাড়ি দিতে পারতাম না। এত মানুষের ভালোবাসাই আমাকে আজকের অবস্থানে নিয়ে এসেছে। এ জন্য সবার কাছে আমি কৃতজ্ঞ।

আগামী দিনগুলোর পরিকল্পনা জানতে চাই?

যাদের জন্য এই শিল্পী জীবন, সেসব ভক্ত-শ্রোতার জন্য নতুন নতুন গান করব, এর বাইরে আলাদা কোনো পরিকল্পনা নেই। আমি চাই, জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত গাইতে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ